সন্ধিপ্রকরণম্ (দ্বিতীয় পাঠ)

দ্বিতীয় অধ্যায় - সংস্কৃত - সপ্তম শ্রেণি | NCTB BOOK

222

সন্ধি: পাশাপাশি অবস্থিত দুই বর্ণের পরস্পর মিলনকে সন্ধি বলে। যেমন- পরি ঈক্ষা পরীক্ষা। এখানে 'পরি' শব্দের অন্তস্থিত 'ই' এবং 'ঈক্ষা' শব্দের প্রথমে অবস্থিত 'ঈ' মিলিত হয়ে 'ঈ' হয়েছে। সন্ধির অন্য নাম সংহিতা।

সন্ধির শ্রেণীভেদ: সন্ধি দুই প্রকার স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। স্বরসন্ধির অন্য নাম অস্সন্ধি এবং ব্যঞ্জনসন্ধির অন্য নাম হল্সন্ধি। বিসর্গসন্ধি ব্যঞ্জনসন্ধিরই অন্তর্গত।

স্বরসন্ধি: স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনকে স্বরসন্ধি বলে। যেমন- হিম আলয়ঃ হিমালয়ঃ। এখানে 'হিম' শব্দের অন্তস্থিত 'অ' এবং 'আলয়ঃ' শব্দের প্রথমে অবস্থিত 'আ' মিলে 'আ' হয়েছে।

ব্যঞ্জনসন্ধি: ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণের অথবা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। যেমন- দিক্ + গজঃ = দিগ্‌গজঃ। এখানে 'দিক্' শব্দের অন্তস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণ 'ক্' ক-বর্গের প্রথম বর্ণ। এর পরে 'গজঃ' পদের প্রথমে ক-বর্গের তৃতীয় বর্ণ 'গ' থাকায় ক-বর্গের প্রথম বর্ণ 'ক' সস্থানে 'গ্‌' হয়েছে। এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে ব্যঞ্জনসন্ধি হয়েছে। জগৎ ঈশঃ = জগদীশঃ। এখানে পরে স্বরবর্ণ 'ঈ' থাকায় 'জগৎ' শব্দের অন্তস্থিত 'ৎ' স্থানে 'দ্‌' হয়েছে।

বিসর্গসন্ধি: বিসর্গের সঙ্গে স্বর অথবা ব্যঞ্জবর্ণের মিলনকে বিসর্গসন্ধি বলে। যেমন- পূর্ণঃ + চন্দ্রঃ = পূর্ণশ্চন্দ্রঃ। এখানে 'পূর্ণঃ' শব্দের অন্তস্থিত (৪) বিসর্গ-এর পরে 'চ' থাকায় বিসর্গ সস্থলে 'শ' হয়েছে। পুনঃ + অপি = পুনরপি। এখানে 'পুনঃ' শব্দের অন্তস্থিত বিসর্গের পরে স্বরবর্ণ 'অ' থাকায় বিসর্গ স্থানে 'র' হয়েছে।

স্বরসন্ধির নিয়ম

১। অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার অথবা আ-কার থাকলে উভয়ের মিলনে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন-

অ + অ = আ
অ + আ = আ
আ+ অ = আ
আ + আ = আ

নব + অনুম্ = নবান্নম্
দেব + আলয় = দেবালয়ঃ
মহা + অর্থঃ = মহার্ঘঃ
বিদ্যা + আলয়ঃ = বিদ্যালয়ঃ

২। যদি ই-কার বা ঈ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকে, তবে উভয়ের মিলনে ঈ-কার হয়, ঈ-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন-

ই+ ই = ঈ
ই+ঈ= ঈ
ঈ+ই =ঈ
ঈ+ঈ=ঈ

রবি + ইন্দ্রঃ = রবীন্দ্রঃ
প্রতি + ঈক্ষা = প্রতীক্ষা
মহী + ইন্দ্রঃ = মহীন্দ্রঃ
পৃথ্বী + ঈশ্বরঃ = পৃথ্বীশ্বরঃ

৩। উ-কার বা উ-কারের পর উ-কার বা উ-কার থাকলে উভয়ে মিলিত হয়ে উ-কার হয়, উ-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন-

উ+উ = উ
উ+ উ = উ
উ+উ = উ
উ+উ=উ

কটু + উক্তিঃ = কটূক্তিঃ
লঘু + ঊর্মিঃ = লঘূর্মিঃ
বধূ + উৎসব = বধূৎসবঃ
ভূ + ঊর্ধ্বম্ = ভূর্ধ্বম্

৪। অ-কার বা আ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলিত হয়ে এ-কার হয়, এ-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন-

অ + ই = এ
আ + ই = এ
অ+ঈ= এ
আ + ঈ = এ

দেব + ইন্দ্রঃ = দেবেন্দ্রঃ
লতা + ইব = লতেব
গণ + ঈশঃ = গণেশঃ
রমা + ঈশঃ = রমেশঃ

৫। অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার বা উ-কার থাকলে উভয়ের মিলনে ও-কার হয়, ও-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন-

অ+ উ = ও
আ + উ = ও
অ+উ = ও
আ + উ = ও

সূর্য + উদয়ঃ = সূর্যোদয়ঃ
মহা + উদয়ঃ = মহোদয়ঃ
এক + ঊনবিংশতিঃ = একোনবিংশতিঃ
গঙ্গা + ঊর্মিঃ = গঙ্গোর্মিঃ

৬। অ-কার বা আ-কারের পর এ-কার বা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলিত হয়ে ঐ-কার হয়, ঐ-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন-

অ + এ = ঐ
আ + এ = ঐ
অ + ঐ = ঐ
আ + ঐ = ঐ

অদ্য + এব = অদ্যৈব
তদা + এব = তদৈব
মত + ঐক্যম্ = মতৈক্যম্
মহা + ঐশ্বর্যম্ = মহৈশ্বর্যম্

৭। অ-কার কিংবা আ-কারের পর ও-কার কিংবা ঔ-কার থাকলে উভয়ের মিলনে ঔ-কার হয়, ঔ-কার পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। যেমন-

অ + ও = ঔ
আ + ও = ঔ
অ + ঔ = ঔ
আ + ঔ = ঔ

জল + ওকা = জলৌকা
মহা + ওষধিঃ = মহৌষধিঃ
গত + ঔৎসুক্যম্ = গতৌৎসুক্যম্
মহা + ঔদার্যম্ = মহৌদার্যম্

৮। অ-কার বা আ-কারের পর ঋ-কার থাকলে উভয়ের মিলনে 'অর্' হয়, 'অর্'-এর 'অ' পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়, র্ রেফ () হয়ে পরবর্ণের মস্তকে যায়। যেমন-

অ + ঋ = অর্
অ + ঋ = অর্
আ + ঋ = অর্
আ + ঋ = অর্

দেব + ঋষিঃ = দেবর্ষিঃ
সপ্ত + ঋষিঃ = সপ্তর্ষিঃ
মহা + ঋষিঃ = মহর্ষিঃ
রাজা + ঋষিঃ = রাজর্ষিঃ

৯। ই-কার বা ঈ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার ভিন্ন অন্য স্বরবর্ণ থাকলে ই-কার এবং ঈ-কার স্থানে য হয়, উক্ত য য-ফলা (1) রূপে পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং পরবর্তী স্বর য-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন-

ই + অ = ই-স্থানে য
ই + আ = ই-স্থানে য
ঈ + অ = ঈ-স্থানে য
ঈ + উ = ঈ-স্থানে য

যদি + অপি = যদ্যপি
অতি + আচারঃ = অত্যাচারঃ
নদী + অম্বু = নদ্যম্বু
দেবী + উবাচ = দেব্যুবাচ

১০। উ-কার বা উ-কারের পর উ-কার বা উ-কার ভিন্ন অন্য স্বরবর্ণ থাকলে উ-কার বা ঊ-কার স্থানে বৃ হয়, উক্ত ব্ পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং পরবর্তী স্বর বৃ-কারে যুক্ত হয়। যেমন-

উ+ অ = উ-সস্থানে ব্‌
উ + আ = উ-সস্থানে ব
উ+ এ = উ-সস্থানে ব্‌
উ + ঐ = উ-সস্থানে ব্

অনু + অয়ঃ = অন্বয়ঃ
সু + আগতম্ = স্বাগতম্
অনু + এষণম্ = অন্বেষণম্
বধূ + ঐশ্বর্যম্ = বব্বৈশ্বর্যম্

১১। স্বরবর্ণ পরে থাকলে এ-স্থানে অয়, ঐ-সস্থানে আয়, ও-স্থানে অব্ এবং ঔ-স্থানে আবূ হয়। যেমন-

এ+ অ = অফ্ + অ = অয়
ঐ+ অ = আয়ু + অ = আয়
ও + অ = অব্‌ + অ = অব
ঔ + উ = আব্‌ + উ = আবু

নে + অনম্ = নয়নম্
গৈ + অকঃ = গায়কঃ
পো + অনঃ = পবনঃ
ভৌ + উকঃ = ভাবুকঃ

ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়মসমূহ

১। যদি ত্ ও দ্‌-এর পরে চ্ বা ছু থাকে, তবে ত্ ও দ্‌-এর স্থানে চ্ হয়। যেমন-

ত্+চ = চ্চ
দ্ + চ = চ্চ
ত্+ছ = চ্ছ
স্+ছ = চ্ছ

মহৎ + চক্রম্ = মহচ্চক্রম্
বিপদ্ + চয়ঃ = বিপচ্চয়ঃ
মহৎ + ছত্রম্ = মহচ্ছত্রম্
তদ্‌ + ছবিঃ = তচ্ছবিঃ

২। যদি ত্ ও দ্‌-এর পরে জ্ বা ঝ থাকে, তাহলে ত্ ও দ্‌-এর স্থলে জ্ হয়। যেমন-

ত্ + জ=জ্জ
ত্ + ঝ = জঝ
দ্‌+জ=জ্জ
দৃ + ঝ = জ্‌

যাবৎ + জীবেৎ = যাবজ্জীবেৎ
কুৎ + ঝটিকা = কুজ্‌ঝটিকা
তদ্‌ + জন্ম = তজ্জন্ম
তদ্‌ + ঝনৎকারঃ = তঋনৎকারঃ

৩। পদের অন্তস্থিত ত্-কার কিংবা দ্‌-কারের পর তালব্য শ্ থাকলে ত্ ও দ্‌-স্থানে চ্ এবং তালব্য শ্-সস্থানে ছ হয়। যেমন-

ত্+শ = চ্ছ
ত্+শ = চ্ছ
দৃ+শ = চ্ছ
দৃ+শ = চ্ছ

তৎ + শুত্বা = তচ্ছুত্বা
মৃৎ + শকটিকম্ = মৃচ্ছকটিকম্
তদ্‌ + শরীরম্ = তচ্ছরীরম্
তদ্‌ + শোকঃ = তচ্ছোকঃ

8। পদের অন্তস্থিত ত্-এর পর যদি হ্ থাকে, তবে ত্-স্থানে দ্‌ এবং হ্-স্থানে ধূ হয় । যেমন-
ত্+হ = দ্ধ
ত্+হ = দ্ধ
দু+হ = দ্ধ
দ্‌+হ = দ্ধ

উৎ + হতঃ = উদ্ধতঃ
উৎ + হারঃ = উদ্ধারঃ
তদ্‌ + হিতম্ = তদ্ধিতম্
পদ্‌ + হতিঃ = পদ্ধতিঃ

৫। ত্ কিংবা দ্‌-এর পর যদি ল্ থাকে, তবে ত্ ও দ্‌-এর স্থানে ল্ হয়। যেমন-

ত্+ল = ল
ত্+ল = ল
দ্‌+ল = ল

উৎ + লিখিতঃ = উলিখিতঃ
উৎ + লাসঃ = উলাসঃ
তদ্‌ + লীলা = তলীলা

৬। স্বরবর্ণ, বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ কিংবা যর্ ল্ বৃহ্ পরে থাকলে পদের অন্তে অবস্থিত ক্ স্থানে গ্‌, চ্ স্থানে জ্, ট্ স্থানে ড্ এবং প্ স্থানে ব হয়। যেমন-

বাক্ + ঈশঃ = বাগীশঃ
দিক্ + গজঃ = দিগজঃ
অচ্ + অন্তঃ = অজন্তঃ
সম্রাট্ + বদতি = সম্রাজ্বদতি
অপ্ + হরণম্ = অব্‌রণম্

৭। হ্রস্বস্বরের পরে অবস্থিত ছ-স্থানে চ্ছ হয়। যেমন-

পরি + ছেদঃ = পরিচ্ছেদঃ
অব + ছেদঃ = অবচ্ছেদঃ
বৃক্ষ + ছায়া = বৃক্ষচ্ছায়া।

বিসর্গসন্ধির নিয়মসমূহ

১। যদি চ্ বা ছু পরে থাকে, তবে বিসর্গস্থানে তালব্য শ্ হয়। যেমন-

কঃ + চিৎ = কশ্চিৎ
নিঃ + চিতম্ = নিশ্চিতম্
পূর্ণঃ + চন্দ্রঃ = পূর্ণশ্চন্দ্রঃ।

২। যদি ত্ পরে থাকে, তবে বিসর্গস্থানে স্ হয়। যেমন-

নিঃ + তারঃ = নিস্তারঃ
নদ্যাঃ + তীরে = নদ্যাস্তীরে
উদিতঃ + তপনঃ = উদিতস্তপনঃ

৩। যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বৰ্ণ কিংবা যল্ব্‌ হ্ পরে থাকে, তবে অ-কারের পরস্থিত বিসর্গস্থানে ও-কার হয়। যেমন-

সদ্যঃ + জাতঃ = সদ্যোজাতঃ
শান্তঃ + গজঃ = শান্তো গজঃ
ভগ্নঃ + ঘটঃ = ভগ্নো ঘটঃ
শিরঃ + মণিঃ = শিরোমণিঃ
বীরঃ + যোদ্ধা = বীরো যোদ্ধা
লোহিতঃ + রবিঃ = লোহিতো রবিঃ
কৃতঃ + লোভঃ = কৃতো লোভঃ
দৃঢ় + বন্ধঃ = দৃঢ়ো বন্ধঃ
ভীতঃ + হরিণঃ = ভীতো হরিণঃ

8 । রূ পরে থাকলে বিসর্গ (ঃ) স্থানে যে র্ হয় তা লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়। যেমন-
নিঃ + রবঃ = নীরবঃ
নিঃ + রসঃ = নীরসঃ
নিঃ + রোগঃ = নীরোগঃ

৫। যদি অ-কার ভিন্ন স্বরবর্ণ পরে থাকে, তবে অ-কারের অন্তে অবস্থিত বিসর্গ লুপ্ত হয়, পরে আর সন্ধি হয় না। যেমন-

অতঃ + এব = অতএব
চন্দ্রঃ + উদেতি = চন্দ্র উদেতি
নবঃ + ইব = নব ইব
কঃ + এষঃ = ক এষঃ

৬। যদি অ-কার ভিন্ন স্বরবর্ণ বা কোন ব্যঞ্জনবর্ণ পরে থাকে, তবে 'সঃ' ও 'এষঃ'- এই দুটি পদের অন্তে অবস্থিত বিসর্গ লুপ্ত হয়। যেমন-

সঃ + উবাচ = স উবাচ
এষঃ + পঠতি = এষ পঠতি
সঃ + আগতঃ = স আগতঃ
এষঃ + গচ্ছতি = এষ গচ্ছতি

সংস্কৃত অনুবাদে সন্ধির ব্যবহার:
সংস্কৃত বাক্যে সন্ধি কর্তার ইচ্ছাধীন। তবে সন্ধির ফলে বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। যেমন- দেবস্য আলয়ঃ (দেবের আলয়) না বলে যদি 'দেবালয়ঃ' বলা হয়, তবে পদটি শ্রুতিমধুর হয়।

সন্ধি প্রয়োগ করে কয়েকটি অনুবাদের আদর্শ: দেবী বললেন- দেব্যুবাচ। বিদ্যার আলয়- বিদ্যালয়ঃ।
শিক্ষকের আদেশ- শিক্ষকস্যাদেশঃ। ঘোড়া দৌড়ায়- অশ্বো ধাবতি। শান্ত হও- শান্তো ভব। সূর্যের উদয়-সূর্যোদয়ঃ।

Content added By

১। শুদ্ধ উত্তরটির পাশে টিক (✔) চিহ্ন দাও:

ক) অদ্য + এব = অদ্যেব/ অদ্যৈব / অদ্য ইব / অদিব্য।
খ) সূর্য + উদয়ঃ = সূর্যোদয়ঃ / সূর্যাদয়ঃ / সূর্যেদয়ঃ / সূর্যোদয়ঃ।
গ) অতি + আচারঃ = অত্যাচার / অত্যাচারঃ / অত্যচারঃ / অত্যচার।
ঘ) তদ্‌ + জন্ম = তজ্জন্ম / তৎজন্ম / তজ্জন্ম / তজ্জান্ম।
ঙ) নিঃ + রোগঃ = নিরোগঃ / নীরোগঃ/ নিরোগ / নীরোগ।

২। শূন্যস্থান পূরণ কর:

গিরি + ______ = গিরীশঃ। _______+ আগতম্ = স্বাগতম্। মহা + ঋষিঃ = _______ । জন একঃ= _______। _______ উত্তরম্ = প্রশ্নোত্তরম্।

৩। সন্ধি কর:

মহা + অর্থঃ।
অচ্ + অন্তঃ।
অতঃ + এব।
অতি + আচারঃ।
নদ্যাঃ + তীরে।
সঃ + উবাচ।
নৌ + ইকঃ।
নিঃ + রবঃ।

8। সন্ধিবিচ্ছেদ কর:

নবান্নম্, প্রতীক্ষা, দেবেন্দ্রঃ, মতৈক্যম্, নদ্যম্বু, যাবজ্জীবেৎ, উলাসঃ, বাগীশঃ, কশ্চিৎ।

৫। সন্ধি কাকে বলে? সন্ধি কত প্রকার ও কি কি?
৬। স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির পার্থক্য লেখ।

৭। সংস্কৃতে অনুবাদ কর:

(ক) শিশু রোদন করছে।
(খ) বিদ্যার আলয়।
(গ) লতার মত।
(ঘ) মহান ঋষি।
(ঙ) সেই ছবি।
(চ) কোনও এক।
(ছ) নদীর তীরে।
(জ) দেবী বললেন।

৮। বাংলায় অনুবাদ কর :

(ক) নাস্তি দোষঃ।
(খ) নমস্তস্যৈ
(গ) বায়ুর্বাতি।
(ঘ) শ্রম এব যজ্ঞঃ।
(ঙ) নীরোগো ভব।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...