হুতোমী গদ্যের লেখকের নাম-

টেকচাঁদ ঠাকুর

দীনবন্ধু মিত্র

কালীপ্রসন্ন সিংহ

ভানসিংহ ঠাকুর

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: হুতোমী গদ্যের লেখকের নাম-

ব্যাখ্যা: হুতোমী গদ্যের লেখক কালীপ্রসন্ন সিংহ। তার রচিত 'হুতোম পেঁচার নকশা' গ্রন্থে এক বিশেষ ভাষার ব্যবহার পরিলক্ষিত হয় । হুতোম পেঁচা ছিল তার ছদ্মনাম । সে জন্য তার ব্যবহৃত ভাষাকে হুতোমী বাংলা বলা হয়।


Related Question

কোন লেখিকা মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত?

বেগম সুফিয়া কামাল

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

সেলিনা হোসেন

শামসুন্নাহার মাহমুদ

Description (বিবরণ) : রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত। মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন; পদ্মরাগ , অবরোধবাসিনী প্রভৃতি বেগম রোকেয়ার প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। এ গ্রন্থসমূহের মাধ্যমে মুসলিম নারী সমাজের দুর্দশার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।

"বনলতা সেন" কার রচনা?

জলধর সেন

সমর সেন

অতুলপ্রসাদ সেন

জীবনানন্দ দাশ

Description (বিবরণ) : 'বনলতা সেন ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জীবনানন্দ দাশ। জীবননান্দ দাশ প্রধানত প্রকৃতির কবি। তার কাব্য চিত্ররুপময়। তার রচিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' 'সাতটি তারার তিমির' 'বেলা অবেলা কালবেলা' এবং 'রুপসী বাংলা' প্রভৃতি।

"যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী - সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি" - কার রচনা?

দৌলত কাজী

আলাওল

সৈয়দ হামজা

আব্দুল হাকিম

Description (বিবরণ) : আলোচ্য উক্তিটি মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি আব্দুল হাকিম রচিত 'বঙ্গবাণী 'কবিতার উদ্ধৃতি।

বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক-

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রমথ চৌধুরী

রামসুন্দর ত্রিবেদী

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক ও বিদ্রুপাত্মক প্রাবন্ধিক হিসেবে চিরস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব প্রমথ চৌধুরী । তার ' তেল- নুন-লকড়ি (১৯০৬) , 'বীরবলের হালখাতা' (১৯১৬), 'নানাকথা' (১৯১৯) , 'আমাদের শিক্ষা' (১৯২০)' 'রায়তের কথা' (১৯২৬) , 'নানচর্চা' (১৯৩২), 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' (১ম খণ্ড-১৯৫২ ও ২য় খণ্ড -১৯৫৩) ইত্যাদি গদ্যগ্রন্থ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ । কবিতা ও ছোটগল্পের রচিয়তা হিসেবে ও তিনি খ্যাত। 'সনেট পঞ্চাশৎ '(১৯১৩) ও ' পদচারণ' (১৯১৯) তার কাব্যগ্রন্থ। 'চার ইয়ারী কথা' (১৯১৬) আহুতি (১৯১৯) ,'নীল লোহিত ' ও 'গল্প সংগ্রহ ' (১৯৪১) তার গল্পগ্রন্থ।

রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরষ্কার পান-

১৯১৩ সালে

১৯০১ সালে

১৯৩০ সালে

১৯৪১ সালে

Description (বিবরণ) : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান ১৯১৩ সালে তার 'গীতাঞ্জলি' ও অন্যান্য কাব্য থেকে কিছু কবিতার ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' গ্রন্থের জন্য।

শুদ্ধ বানান কোনটি?

শ্রদ্ধাঞ্জলি

শ্রদ্ধাঞ্জলী

শ্রদ্ধানজলী

শ্রদ্ধানজলি

Description (বিবরণ) : শুদ্ধ বানান- শ্রদ্ধঞ্জলি। শ্রদ্ধাঞ্জলি বানানে ই-কার হবে।

কোনটি নির্ভূল?

দূঃ + ঘটনা = দূর্ঘটনা

দূর + ঘটনা = দূর্ঘটনা

দুঃ + ঘটনা = দূর্ঘটনা

দূর + ঘটনা = দূর্ঘটনা

Description (বিবরণ) :

‘অ/আ’ ছাড়া অন্য স্বরধ্বনির পরে ‘ঃ’ থাকলে এবং তারপরে অ, আ, ঘোষ ধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি, অন্তস্থ ধ্বনি কিংবা হ থাকলে ‘ঃ’-র জায়গায় ‘র’ হয়।

অর্থাৎ, ‘অ/আ’ ছাড়া অন্য স্বরধ্বনির পরে ‘ঃ’ থাকলে এবং তারপরে অ, আ কিংবা, গ, জ, ড, দ, ব কিংবা ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ কিংবা ঙ, ঞ, ণ, ন, ম কিংবা য, র, ল, ব কিংবা হ থাকলে ‘ঃ’-র জায়গায় ‘র’ হয়।
অর্থাৎ, ‘অ/আ’ ছাড়া অন্য স্বরধ্বনির পরে ‘ঃ’ থাকলে এবং তারপরে অ, আ, বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব কিংবা হ থাকলে ‘ঃ’-র জায়গায় ‘র’ হয়। যেমন-

 

নিঃ+আকার = নিরাকার (ই+ঃ+আ)

দুঃ+যোগ = দুর্যোগ (উ+ঃ+য)

নিঃ+আকরণ = নিরাকরণ (ই+ঃ+আ)

দুঃ+লোভ = দুর্লোভ (উ+ঃ+ল)

নিঃ+জন = নির্জন (ই+ঃ+জ)

দুঃ+অন্ত = দুরন্ত (উ+ঃ+অ)

আশীঃ+বাদ = আশীর্বাদ (ঈ+ঃ+ব)

প্রাদুঃ+ভাব = প্রাদুর্ভাব (উ+ঃ+ভ)

জ্যোতিঃ+ময় = জ্যোতির্ময় (ই+ঃ+ম)

বহিঃ+গত = বহির্গত (ই+ঃ+গ)

 

ব্যতিক্রম : ‘ই/উ+ঃ+র’ হলে ‘ঃ’ লোপ পায় এবং ‘ঃ’-র আগের হ্রস্ব স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয়। যেমন- ‘নিঃ+রব’, এখানে ‘ন+ই+ঃ’-এর ‘ই+ঃ’-এর পরে ‘র’ ধ্বনির সন্ধি হয়েছে। সুতরাং এখানে ‘ঃ’ লোপ পাবে এবং ‘ই’-র জায়গায় ‘ঈ’  হবে। অর্থাৎ সন্ধি হয়ে হবে ‘নিঃ+রব = নীরব’। এরকম- নিঃ+রস = নীরস।

 

"তাৎক্ষণিক" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

তৎ + ক্ষণিক

তাৎ + ক্ষণিক

ততক্ষণ + ইক

তৎক্ষণ + ইক

Description (বিবরণ) : সন্ধি : পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। অর্থাৎ, এখানে দুটি ধ্বনির মিলন হবে, এবং সেই দুটি ধ্বনি পাশাপাশি অবস্থিত হবে। যেমন, ‘নর + অধম = নরাধম’। এখানে ‘নর’র শেষ ধ্বনি ‘অ’ (ন+অ+র+ অ), এবং ‘অধম’র প্রথম ধ্বনি ‘অ’। এখানে ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হয়েছে। অর্থাৎ পাশাপাশি অবস্থিত দুইট ধ্বনি ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হলো।

বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ কয় প্রকার?

৫ প্রকার

৪ প্রকার

৩ প্রকার

২ প্রকার

Description (বিবরণ) : বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণীবিভাগ ৩ প্রকার। যথা : গঠনমূলক , অর্থমূলক এবং উৎপত্তিমূলক শ্রেণীবিভাগ। উৎপত্তিমূলক হলো ৫ প্রকার, গঠনমূলক হলো ২ প্রকার এবং অর্থমূলক হলো ৩ প্রকার।

আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ?

শব্দের

বাক্যের

অর্থের

পদের

Description (বিবরণ) : আকাঙ্ক্ষা , আসত্তি, যোগ্যতা এ তিনটি সার্থক বাক্যের গুণ। আকাঙক্ষা। : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্যপদ শোনার যে ইচ্ছা তাই আকাঙক্ষা । যেমন - রহিম খুব ভাল ছেলে। আসত্তি : বাক্যের অর্থ সঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই আসত্তি। আসত্তিহীন বাক্য: খুব ছেলে রহিম ভাল (অর্থপূর্ণ নয়) । যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত মিল বন্ধনের নাম যোগ্যতা। যোগ্যতাহীন বাক্য: বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে (বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারিয়েছে)। যোগ্যতাপূর্ণ বাক্য : বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়।