"কেরী সাহেবের মুন্সী" কার লেখা?

রাজারাম বসু

মৃত্যুঞ্ছয় বিদ্যালঙ্কার

প্রমথনাথ বিশী

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: "কেরী সাহেবের মুন্সী" কার লেখা?

ব্যাখ্যা:

কেরী সাহেবের মুন্সী (১৯৫৮) উপন্যাসটির রচয়িতা প্রমথনাথ বিশী (১৯০১-১৯৮৫)। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মহলোঃ কাব্যগ্রন্থঃ দেয়ালী (১৯২৩), বসন্ত সেনা (১৯২৭), যুক্তবেনী (১৯৪৮), হংস মিথুন (১৯৫০), উত্তর মেঘ (১৯৫৩), কিংশুক বহ্নি (১৯৫৯), শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৬১)। উপন্যাসঃ পদ্মা (১৯৩৬), জোড়াদিঘীর চৌধুরী পরিবার (১৯৩৭) অশ্বথের অভিশাপ (১৯৪৭), চলন বিল (১৯৫১), লালকেল্লা (১৯৬৩), ব্যঙ্গভঙ্গ (১৯৮৩)।


Related Question

সনেটের কয়টি লাইন থাকে ?

১২টি

১৬টি

১৪টি

১৫টি

Description (বিবরণ) :

প্রতি পঙক্তিতে চৌদ্দ অক্ষরযুক্ত চৌদ্দ পঙক্তির নির্দিষ্ট কলেবরে কবি হৃদয়ের একটি অনুভূতি এক বিশিষ্ট ছন্দ্ররীতিতে রুপায়িত হয়ে উঠলে তাকে সনেট বলা হয়। সনেট শব্দটি ইতালিয়ান Sonetto শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ গীতিময় মৃদু ঝংকার। ইতালিয়ান কবি পেত্রাক এ ধারায় আদি কবি। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক। ‘বঙ্গভাষা’ তার প্রথম রচিত সনেট।

বেগম রোকেয়ার রচনা কোনটি ?

ভাষা ও সাহিত্য

লালসালু

আয়না

অবরোধবাসিনী

Description (বিবরণ) :

‘অবরোধবাসিনী’ বেগম রোকেয়ার একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। কতগুলো ঐতিহাসিক ও চাক্ষুষ সত্য ঘটনার হাসিকান্না নিয়ে এ গ্রন্থের কাহিনী রচিত। সম্ভ্রান্ত ও উচ্চবিত্ত মুসলমান পরিবারে পর্দার নামে অবরোধের অমানবিক ঘটনার ৪৭ টি চিত্র তুলে ধরেছেন গ্রন্থটিতে । মাসিক ‘মোহাম্মাদী’র মহিলা পাতায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯২৮ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত। ১৯৩১ সালে অবরোধবাসিনী’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের বিষয়বস্তু কি?

মুক্তিযুদ্ধ

ভাষা আন্দোলন

গন অভ্যুথান

কোনটি নয়

Description (বিবরণ) :

বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫৫ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৯৬৮) উপন্যাস রচনা করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, মুনিম, আসাদ, সালমা, রসুল চরিত্রের প্রেম-প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূল বিষয়।

'আত্মহত্যার অধিকার' কার লেখা?

বিভূতিভূষন বন্দোপাধ্যায়

মানিক বন্দোপাধ্যায়

তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Description (বিবরণ) :

একটি দরিদ্র পরিবারের লাঞ্ছিত জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত ‘আত্নহত্যার অধিকার’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প’ গল্পগ্রন্থের অন্যতম বিখ্যাত গল্প। গল্পটিতে গরিব নীলমণির কষ্টের কাহিনী বিকৃত হওয়ার পাশাপাশি তার যুবতী মেয়ে শ্যামা কষ্টকে দলিত করে যেভাবে তার জীবনের রস আস্বাদনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে, সেই আসক্তিকেই বড় করে দেখানো হয়েছে।

শুদ্ধ বানান কোনটি?

পিপীলিকা

বুদ্ধিজীবি

অগ্নাশয়

অন্তসত্ত্বা

Description (বিবরণ) :

‘বুদ্ধিজীবি’ এর শুদ্ধ বানান ‘বুদ্ধিজীবী’, ‘অগ্নাশয়’ এর শুদ্ধ বানান অগ্ন্যাশয় এবং ‘অন্তস্বত্তা এর সঠিক বানান অন্তঃসত্ত্বা।

উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে কোন সমাস বলে?

উপমান

উপমিত

কর্মধারয়

উপপদ তৎপুরুষ

Description (বিবরণ) :

যে কর্মধারয় সমাসে সাধারণ কর্মবাচক পদের সঙ্গে উপমানবাচক পদের মিলন হয়, তাকে বলে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমন- শশকের মতো ব্যস্ত= শশব্যস্ত। সাধারণ গুণের উল্লেখ ব্যতীত উপমেয়ের সঙ্গে উপমান পদের যে সমস্যা হয়, তাকে বলে উপমিত কর্মধারায় সমাস। যেমন- কুমারী যে সমাস হয়, তাকে বলে উপমিত কর্মধারায় সমাস। যেমন- কুমারী ফুলের ন্যায়= ফুলকুমারী। বিশেষণ ও বিশেষ্য পদ মিলে যে সমাস হয় এবং বিশেষ্যের বা পরপদের অর্থই প্রধান রুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বলা হয় কর্মধারায় সমাস। যেমন- নীল যে পদ্ম= নীল যে পদ্ম।

'কাচামিঠা' এর ব্যাস বাক্য?

কাচা ও মিঠা

যা কাঁচা তাই মিঠা

কাঁচার মিঠা

কাঁচার মিঠা

Description (বিবরণ) :

‘কাঁচামিঠা’ এর ব্যাসবাক্য ‘যা কাঁচা তাই মিঠা’। এটি দুটি সর্বনামযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস। এছাড়া নিম্নলিখিতভাবেও দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত হয়ঃ

দুটি ক্রিয়াযোগেঃ চলাফেরা, পড়াশুনা, দেখাশুনা

দুটি ক্রিয়া বিশেষণযোগেঃ পাকে-প্রকারে, আগে-পাছে, ধীরে-সুস্থে।

দুটি বিশেষণ যোগেঃ কম-বেশি, আসল-নকল, ভালো-মন্দ।

'ফেকলু' পার্টি বাগধারাটির অর্থ কি?

ক্ষমতাসীন পার্টি

বিরোধী পার্টি

কদরহীন লোক

নিকৃষ্ট লোক

Description (বিবরণ) :

ফেকলু পার্টি বাগধারার অর্থ আজেবাজে লোক, কদরহীন লোক, সামান্য মানুষ।

'বক দেখানো' বাগধারাটির অর্থ কি?

কথায় পটু

পড় ইয়া

অশোভন বিদ্রুপ করা

মতিচন্ন হওয়া

Description (বিবরণ) :

বক দেখানো বাগধারার অর্থ হাতকে বকের মুখ ও গলার মতো করে অন্যকে অশোভনভাবে বিদ্রুপ করা।

এক কথায় প্রকাশ কর " দ্বারে থাকে যে '"

দ্বাররক্ষী

দৌবারিক

দ্বারিকা

দারোয়ান

Description (বিবরণ) :

দ্বারা শব্দের অর্থ দরজা, দুয়ার, প্রবেশ ও নির্গমনের পথ ইত্যাদি। দরজায় পাহারায় থাকে যে কর্মচারী তাকে দ্বারপাল, দ্বারবান, দ্বাররক্ষক, দ্বাররক্ষী, দ্বারী, দ্বারিক দৌবারিক, দারোয়ান ইত্যাদি বলা হয়। তবে বিভিন্ন বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে ‘দ্বারে থাকে যে, এর এককথায় প্রকাশে ‘দৌবারিক’ লিখা হয়েছে।