সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়?

১৪

১২

১০

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়?

ব্যাখ্যা:

চতুর্দশপদী হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে। এর বৈশিষ্ট হল যে এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে।এর প্রথম আট চরণের স্তবককে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে ষষ্টক বলে। অষ্টকে মূলত ভাবের প্রবর্তনা এবং ষষ্টকে ভাবের পরিণতি থাকে।

 


Related Question

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন কোনটি?

২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ

২৫ বৈশাখ ১২৯৮ বঙ্গাব্দ

২৫ বৈশাখ ১২৭৬ বঙ্গাব্দ

কোনটিই নয়

Description (বিবরণ) :

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেবকবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার "অভিলাষ" কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক। ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন। রবীন্দ্রনাথের গান তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তার রচিত আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত।

 

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আবক্ষ সাদাকালো আলোকচিত্র

১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ

জন্ম ৭ মে ১৮৬১
জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)
মৃত্যু ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০)
জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)
সমাধিস্থল কলকাতা
ছদ্মনাম ভানুসিংহ ঠাকুর (ভণিতা)
পেশা
  • কবি
  • ঔপন্যাসিক
  • নাট্যকার
  • প্রাবন্ধিক
  • দার্শনিক
  • সঙ্গীতজ্ঞ
  • চিত্রশিল্পী
  • গল্পকার
ভাষা বাংলা, ইংরেজি
নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত ব্রিটিশ ভারতীয়
সময়কাল বঙ্গীয় নবজাগরণ
সাহিত্য আন্দোলন প্রাসঙ্গিক আধুনিকতা
উল্লেখযোগ্য রচনাবলি গীতাঞ্জলি (১৯১০), রবীন্দ্র রচনাবলী "গোরা" "আমার সোনার বাংলা" "ঘরে বাইরে"
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার
(১৯১৩)
দাম্পত্যসঙ্গী মৃণালিনী দেবী (বি. ১৮৭৩–১৯০২)
আত্মীয় ঠাকুর পরিবার

স্বাক্ষর

 

সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া

২০১৬ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর কততম জন্মবার্ষিকী পালন করা হলো?

৯৭ তম

৯৬ তম

৯৫ তম

৯৪ তম

Description (বিবরণ) :

শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫), সংক্ষিপ্তাকারে শেখ মুজিব বা মুজিব, ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের একজন অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাঙালির অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত থেকে ভারত বিভাজন আন্দোলন এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক স্থপতি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের "জাতির জনক" বা "জাতির পিতা" বলা হয়ে থাকে। তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে এদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারণের কাছে তিনি শেখ মুজিব এবং শেখ সাহেব হিসাবে বেশি পরিচিত ছিলেন এবং তার উপাধি "বঙ্গবন্ধু"। তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৭-এ ভারত বিভাগ পরবর্তী পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে শেখ মুজিব ছিলেন তরুন ছাত্রনেতা। পরবর্তীতে তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি হন । সমাজতন্ত্রের পক্ষসমর্থনকারী একজন অধিবক্তা হিসেবে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর প্রতি সকল ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। জনগণের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি একসময় ছয় দফা স্বায়ত্ত্বশাসন পরিকল্পনা প্রস্তাব করেন যাকে পশ্চিম পাকিস্তানে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। ছয় দফা দাবীর মধ্যে প্রধান ছিল বর্ধিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন যার কারণে তিনি আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের অন্যতম বিরোধী পক্ষে পরিণত হন। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সরকারের সাথে যোগসাজশ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তার বিচার শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় অর্জন করে। তথাপি তাকে সরকার গঠনের সুযোগ দেয়া হয় নি।

পাকিস্তানের নতুন সরকার গঠন বিষয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে শেখ মুজিবের আলোচনা বিফলে যাওয়ার পর ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মার্চ ২৫ মধ্যরাত্রে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঢাকা শহরে গণহত্যা পরিচালনা করে। একই রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরবর্তীকালে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। রহিমুদ্দিন খান সামরিক আদালতে তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে তবে তা কার্যকর করা হয় নি। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১-এর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হয়। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ শেখ মুজিব পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৯৭২-এর ১২ই জানুয়ারি তিনি সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মতাদর্শগতভাবে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন, যা সম্মিলিতভাবে মুজিববাদ নামে পরিচিত। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে ভিত্তি করে সংবিধান প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্র চালনার চেষ্টা সত্ত্বেও তীব্র দারিদ্র্য, বেকারত্ব, সর্বব্যাপী অরাজকতা এবং সেই সাথে ব্যাপক দুর্নীতি মোকাবেলায় তিনি কঠিন সময় অতিবাহিত করেন। ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দমনের লক্ষ্যে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি এক দলীয় রাজনীতি ঘোষণা করেন। এর সাত মাস পরে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখে একদল সামরিক কর্মকর্তার হাতে তিনি সপরিবারে নিহত হন। ২০০৪ সালে বিবিসি'র সম্পাদিত একটি জরিপে শেখ মুজিবুর রহমান "সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি" হিসেবে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত হন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

Sheikh Mujibur Rahman in 1950.jpg
বাংলাদেশের ১ম রাষ্ট্রপতি
কাজের মেয়াদ
১১ এপ্রিল ১৯৭১ – ১২ জানুয়ারি ১৯৭২
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ
পূর্বসূরী রাষ্ট্রপতির পদ স্থাপিত
উত্তরসূরী সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী)
বাংলাদেশের ২য় প্রধানমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১২ জানুয়ারি ১৯৭২ – ২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
মোহাম্মদউল্লাহ
পূর্বসূরী তাজউদ্দিন আহমেদ
উত্তরসূরী মুহাম্মদ মনসুর আলী
বাংলাদেশের ৪র্থ‌ রাষ্ট্রপতি
কাজের মেয়াদ
২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ – ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ মনসুর আলী
পূর্বসূরী মোহাম্মদউল্লাহ
উত্তরসূরী খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০
টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর জেলা, বাংলা প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ (বয়স ৫৫)
নিজস্ব বাসভবন, ধানমন্ডি, ঢাকা, বাংলাদেশ
মৃত্যুর কারণ গুপ্তহত্যা
নাগরিকত্ব  ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
 পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
 বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশি
রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (১৯৭৫)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ (১৯৪৯ সালের পূর্বে)
আওয়ামী লীগ (১৯৪৯-১৯৭৫)
দাম্পত্য সঙ্গী বেগম ফজিলাতুন্নেসা
সন্তান শেখ হাসিনা
শেখ রেহানা
শেখ কামাল
শেখ জামাল
শেখ রাসেল
প্রাক্তন শিক্ষার্থী মৌলানা আজাদ কলেজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ধর্ম ইসলাম
স্বাক্ষর

 

সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত?

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে

ঢাকা সেনানিবাসে

মুজিবনগরে

Description (বিবরণ) :

শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ। যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভে সার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয়। ঢাকা সেনানিবাসস্থ কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব ও সেনানিবাসস্থ কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এটি স্থাপিত। এর স্থাপত্য পরিকল্পনা করেছে ঢাকার ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট সেন্টার।

বাংলাদেশে নদের সংখ্যা কয়টি ?

১ টি

২টি

৩ টি

৪ টি

Description (বিবরণ) :

বাংলাদেশে নদের সংখ্যা কতটি?  উত্তর: ২ টি কপোতাক্ষ নদ ও ব্রহ্মপুত্

কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়?

২৬ মার্চ ১৯৭২

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২

২৬ মার্চ ১৯৭১

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

Description (বিবরণ) :

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি লিখিত দলিল। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ঠা নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বর অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়। মূল সংবিধান ইংরেজি ভাষায় রচিত হয় এবং একে বাংলায় অনুবাদ করা হয়। তাই এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান। তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।

১০ই এপ্রিল ২০১৮ সালের সপ্তদশ সংশোধনী সহ বাংলাদেশের সংবিধান সর্বমোট ১৭ বার সংশোধীত হয়েছে। এই সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের মোট সংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়। তবে পঞ্চম সংশোধনী , সপ্তম সংশোধনী , ত্রয়োদশ সংশোধনী ও পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের আদেশে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট রায় দিয়েছে যে, সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যায় এরূপ কোনো সংশোধনী এতে আনা যাবে না; আনা হলে তা হবে এখতিয়ার বহির্ভূত।

বাংলাদেশের সংবিধান কেবল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনই নয়;- সংবিধানে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের মূল চরিত্র বর্ণিত রয়েছে। এতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখা বিধৃত আছে। দেশটি হবে প্রজাতান্ত্রিক, গণতন্ত্র হবে এদেশের প্রশাসনিক ভিত্তি, জনগণ হবে সকল ক্ষমতার উৎস এবং বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস হলেও দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা -কে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

সংবিধান প্রণয়ন ও মুদ্রণের ইতিহাস

সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। তারা হলেন ড. কামাল হোসেন (ঢাকা-৯, জাতীয় পরিষদ), মো. লুৎফর রহমান (রংপুর-৪, জাতীয় পরিষদ), অধ্যাপক আবু সাইয়িদ (পাবনা-৫, জাতীয় পরিষদ), এম আবদুর রহিম (দিনাজপুর-৭, প্রাদেশিক পরিষদ), এম আমীর-উল ইসলাম (কুষ্টিয়া-১, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনজুর (বাকেরগঞ্জ-৩, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মুনতাকীম চৌধুরী (সিলেট-৫, জাতীয় পরিষদ), ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র (বাকেরগঞ্জ-১৫, প্রাদেশিক পরিষদ), সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (সিলেট-২, প্রাদেশিক পরিষদ), সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ-১৭, জাতীয় পরিষদ), তাজউদ্দীন আহমদ (ঢাকা-৫, জাতীয় পরিষদ), খন্দকার মোশতাক আহমেদ (কুমিল্লা-৮, জাতীয় পরিষদ), এ এইচ এম কামারুজ্জামান (রাজশাহী-৬, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মমিন তালুকদার (পাবনা-৩, জাতীয় পরিষদ), আবদুর রউফ (রংপুর-১১, ডোমার, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ (রাজশাহী-৩, জাতীয় পরিষদ), বাদল রশীদ, বার অ্যাট ল, খন্দকার আবদুল হাফিজ (যশোর-৭, জাতীয় পরিষদ), শওকত আলী খান (টাঙ্গাইল-২, জাতীয় পরিষদ), মো. হুমায়ুন খালিদ, আছাদুজ্জামান খান (যশোর-১০, প্রাদেশিক পরিষদ), এ কে মোশাররফ হোসেন আখন্দ (ময়মনসিংহ-৬, জাতীয় পরিষদ), আবদুল মমিন, শামসুদ্দিন মোল্লা (ফরিদপুর-৪, জাতীয় পরিষদ), শেখ আবদুর রহমান (খুলনা-২, প্রাদেশিক পরিষদ), ফকির সাহাব উদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক খোরশেদ আলম (কুমিল্লা-৫, জাতীয় পরিষদ), এম. মোজাফ্ফর আলী (জাতীয় পরিষদ হোমনা - দাউদকান্দি), অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক (কুমিল্লা-৪, জাতীয় পরিষদ), দেওয়ান আবু আব্বাছ (কুমিল্লা-৫, জাতীয় পরিষদ), হাফেজ হাবিবুর রহমান (কুমিল্লা-১২, জাতীয় পরিষদ), আবদুর রশিদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬, জাতীয় পরিষদ), মোহাম্মদ খালেদ (চট্টগ্রাম-৫, জাতীয় পরিষদ) ও বেগম রাজিয়া বানু (নারী আসন, জাতীয় পরিষদ)।

একই বছরের ১৭ই এপ্রিল থেকে ৩রা অক্টোবর পর্যন্ত এই কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে। জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য মতামত আহবান করা হয়। সংগৃহীত মতামত থেকে ৯৮টি সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হয়। গণপরিষদে সংবিধানের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন,

এই সংবিধান শহীদের রক্তে লিখিত, এ সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।

সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়।

গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন-প্রণেতা আই গাথরি।

সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। সংবিধান অলংকরণের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছিল যার প্রধান ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। এই কমিটির সদস্য ছিলেন শিল্পী হাশেম খান, জনাবুল ইসলাম, সমরজিৎ রায় চৌধুরী ও আবুল বারক আলভী। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণ করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে তৈরী ক্র্যাবটি ব্রান্ডের দুটি অফসেট মেশিনে সংবিধানটি ছাপা হয়।

মূল সংবিধানের কপিটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

সংবিধান

প্রস্তাবনা

বিস্‌মিল্লাহির-রহ্‌মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে/পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে।)

আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;

আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল-জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে;

আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;

আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;

এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারোো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

 

 

 (প্রথম ভাগ)

প্রজাতন্ত্র


১৷ প্রজাতন্ত্র
২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২ক৷ রাষ্ট্রধর্ম 
৩৷ রাষ্ট্রভাষা 
৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক 
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি
৫৷ রাজধানী
৬৷ নাগরিকত্ব
৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য
৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ
৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য
           
 (দ্বিতীয় ভাগ)
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি


৮৷ মূলনীতিসমূহ
৯। জাতীয়তাবাদ
১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
১৩৷ মালিকানার নীতি
১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
১৯৷ সুযোগের সমতা
২০৷ অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
২১৷ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
২২৷ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
২৩৷ জাতীয় সংস্কৃতি
২৩ক। উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
২৪৷ জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি
২৫৷ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন

 (তৃতীয় ভাগ)
মৌলিক অধিকার


২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল
২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা
২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
২৯। সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
৩০। বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
৩১। আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকাররক্ষণ
৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা
৩৯। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা
৪২। সম্পত্তির অধিকার
৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
৪৪। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন
৪৬। দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা
৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত
৪৭ক। সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা

(চতুর্থ ভাগ)
নির্বাহী বিভাগ

 

 ১ম পরিচ্ছেদঃ

  • রাষ্ট্রপতি

৪৮। রাষ্ট্রপতি
৪৯। ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
৫০। রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ
৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
৫২। রাষ্ট্রপতির অভিশংসন
৫৩। অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ
৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার
 

 

২য় পরিচ্ছেদঃ

  • প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা

৫৫। মন্ত্রিসভা
৫৬। মন্ত্রিগণ
৫৭। প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
৫৮। অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ
৫৮ক [বিলুপ্ত]
২ক পরিচ্ছেদ
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার [সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন)-এর ২১ ধারাবলে পরিচ্ছেদটি বিলুপ্ত।]
[বিলুপ্ত]
 

৩য় পরিচ্ছেদঃ

  • স্থানীয় শাসন

৫৯। স্থানীয় শাসন
৬০। স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা
 

৪র্থ পরিচ্ছেদঃ

  • প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ

৬১। সর্বাধিনায়কতা
৬২। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি
৬৩। যুদ্ধ
 

৫ম পরিচ্ছেদঃ

  • অ্যাটর্ণি -জেনারেল

৬৪। অ্যাটর্ণি-জেনারেল

                

(পঞ্চম ভাগ)
আইনসভা


 ১ম পরিচ্ছেদঃ

  • সংসদ

৬৫। সংসদ-প্রতিষ্ঠা
৬৬। সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
৬৭। সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া
৬৮। সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি
৬৯। শপথ গ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড
৭০। রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া
৭১। দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা
৭২। সংসদের অধিবেশন
৭৩। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
৭৩ক। সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার
৭৪। স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার
৭৫। কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি
৭৬। সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ
৭৭। ন্যায়পাল
৭৮। সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি
৭৯। সংসদ-সচিবালয়

 

 ২য় পরিচ্ছেদঃ

  • আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি

৮০। আইন প্রণয়ন পদ্ধতি
৮১। অর্থবিল
৮২। আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ
৮৩। সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা
৮৪। সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব
৮৫। সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ
৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ
৮৭। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
৮৮। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়
৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি
৯০। নির্দিষ্টকরণ আইন
৯১। সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী
৯২। হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট
৯২ক। [বিলুপ্ত]
 ৩য় পরিচ্ছেদঃ

  • অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা

৯৩। অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা

               

(ষষ্ঠ ভাগ)
বিচারবিভাগ


 ১ম পরিচ্ছেদঃ

  • সুপ্রীম কোর্ট

৯৪। সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
৯৫। বিচারক-নিয়োগ
৯৬। বিচারকের পদের মেয়াদ
৯৭। অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
৯৮। সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ
৯৯। অবসর গ্রহণের পর বিচারগণের অক্ষমতা
১০০। সুপ্রীম কোর্টের আসন
১০১। হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা
১০৩। আপীল বিভাগের এখতিয়ার
১০৪। আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ
১০৫। আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা
১০৬। সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার
১০৭। সুপ্রীম কোর্টের বিধি-প্রণয়ন-ক্ষমতা
১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট
১০৯। আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ
১১০। অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর
১১১। সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা
১১২। সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা
১১৩। সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীগণ
 

২য় পরিচ্ছেদঃ

  • অধস্তন আদালত

১১৪। অধস্তন আদালত-সমূহ প্রতিষ্ঠা
১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ
১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা
১১৬ক। বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন
 

৩য় পরিচ্ছেদঃ

  • প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল

১১৭। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ
ষষ্ঠ ক ভাগ-জাতীয়দল
[সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন)-এর ৪১ ধারাবলে বিলুপ্ত।]
[বিলুপ্ত]

                

(সপ্তম ভাগ)
নির্বাচন


১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ
১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা
১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
১২৩। নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়
১২৪। নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
১২৫। নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
১২৬। নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান

               

(অষ্টম ভাগ)
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক


১২৭। মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
১২৮। মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব
১২৯। মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ
১৩০। অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক
১৩১। প্রজাতন্ত্রের হিসাব-রক্ষার আকার ও পদ্ধতি
১৩২। সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন

                

(নবম ভাগ)
বাংলাদেশের কর্মবিভাগ


 ১ম পরিচ্ছেদঃ

  • কর্মবিভাগ

১৩৩। নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
১৩৪। কর্মের মেয়াদ
১৩৫। অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি
১৩৬। কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন
 

২য় পরিচ্ছেদঃ

  • সরকারী কর্ম কমিশন

১৩৭। কমিশন-প্রতিষ্ঠা
১৩৮। সদস্য-নিয়োগ
১৩৯। পদের মেয়াদ
১৪০। কমিশনের দায়িত্ব
১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট
৫ নবম-ক ভাগ
জরুরী বিধানাবলী
১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
১৪১খ। জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
১৪১গ। জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ

                

(দশম ভাগ)
সংবিধান-সংশোধন


১৪২। সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা

               

(একাদশ ভাগ)
বিবিধ


১৪৩। প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
১৪৪। সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব
১৪৫। চুক্তি ও দলিল
১৪৫ক। আন্তর্জাতিক চুক্তি
১৪৬। বাংলাদেশের নামে মামলা
১৪৭। কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি
১৪৮। পদের শপথ
১৪৯। প্রচলিত আইনের হেফাজত
১৫০। ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫১। রহিতকরণ
১৫২। ব্যাখ্যা
১৫৩। প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
 

 

বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?

ওয়াশিংটন

নিউইয়র্ক

ফিলিপাইন

রোম

Description (বিবরণ) :

বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়  ওয়াশিংট অবস্থিত। 

 

বিশ্বব্যাংক

বিশ্বব্যাংক (World Bank) একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ঋণ ও অনুদান প্রদান করে। বিশ্বব্যাংকের অনুষ্ঠানিক লক্ষ্য হল বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন। সারা বিশ্বের ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর প্রধান সদর দপ্তর ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে অবস্থিত।

সংগঠনটির আর্টিকেলস্ অব এগ্রিমেন্ট (১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সালে এ সংশোধনীটি কার্যকরী হয়) অনুযায়ী বৈদেশিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেকে সহজতর করা এবং পুঁজির বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, এ দু'টি উদ্দেশ্য হবে বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রধান নিয়ামক। দুইটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিশ্বব্যাংক গঠিত: পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংক (International Bank for Reconstruction and Development, IBRD) আর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (International Development Association, IDA)। বিশ্বব্যাংক বিশ্বব্যাংক গ্রুপের মোট চারটি সদস্যের মধ্যে একটি। অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান হল আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (International Finance Corporation, IFC), মিগা (Multilateral Investment Guarantee Agency, MIGA) ও আইসিএসআইডি (International Centre for Settlement of Investment Disputes, ICSID)।

 

বিশ্বব্যাংক

WorldBankLogo.jpg

বিশ্বব্যাংকের লোগো

প্রতিষ্ঠিত জুলাই ১৯৪৪
ধরন আন্তর্জাতিক সংগঠন
আইনি অবস্থা চুক্তিভিত্তিক সংগঠন
উদ্দেশ্য আর্থিক লেনদেন
অবস্থান

ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র

সদস্যপদ

১৮৯টি রাষ্ট্র (IBRD) ১৭৩টি রাষ্ট্র (IDA)

প্রেসিডেন্ট

ডেভিড ম্যালপাস (২০১৯ সাল থেকে)

প্রধান অর্থনীতিবিদ

পিনেলপি কৌজিনৌ গোল্ডবার্গ (২০১৮ থেকে)

প্রধান অঙ্গ

বোর্ড অব ডিরেক্টরস

প্রধান প্রতিষ্ঠান

বিশ্বব্যাংক গ্রুপ
ওয়েবসাইট worldbank.org

 

সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ কি ?

উচ্চ রক্তচাপ

অনেক জ্বর

মাড়িতে রক্তক্ষরণ

খিচুনি ধরা

Description (বিবরণ) :

ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ (EVD), ইবোলা হেমোরেজিক ফিভার (EHF), শুধু ইবোলা অথবা এবোলা হল ইবোলা ভাইরাস ঘটিত মনুষ্য রোগ। সাধারণতঃ লক্ষণগুলি ধরা পড়ে ভাইরাস সংক্রমণের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর, যেগুলি হল জ্বর, গলা ব্যথা, পেশীর ব্যথা, এবং মাথা ধরা। সাধারণতঃ এর পর গা গোলানো, বমি, এবং ডাইরিয়া হয়,সাথে লিভার ও কিডনীর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এই জায়গাতে এসে কিছু মানুষের রক্তপাতজনিত সমস্যা শুরু হয়।

এই ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে কোন সংক্রামিত পশুর (সাধারণতঃ বানর অথবা ফলাহারী বাদুড় fruit bat)-এর রক্ত বা শরীর রস-এর সংস্পর্শ থেকে। প্রাকৃতিক পরিবেশে হাওয়ার মাধ্যমে সংক্রমণের কোন খবর পাওয়া যায়নি । বিশ্বাস করা হয় যে বাদুড় নিজে আক্রান্ত না হয়ে এই রোগ বহন করে ও ছড়ায়। মানব শরীরে একবার সংক্রমণ ঘটলে মানুষের মধ্যে এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। জীবিত পুরুষের বীর্য-এর মাধ্যমে এই রোগ প্রায় দুই মাস পর্যন্ত পরিবাহিত হতে সক্ষম। রোগণিরূপণ করার জন্য সাধারণতঃ একই প্রকার লক্ষণযুক্ত অন্যান্য রোগ, যেমন, ম্যালেরিয়া, কলেরা এবং অন্যান্য ভাইরাল হেমোরেজিক ফিভারগুলিকে বাদ দিতে হয়। রোগণিরূপণকে নিশ্চিত করতে রক্তের নমুনাগুলির পরীক্ষা ভাইরাল অ্যান্টিবডি, ভাইরাল RNA, অথবা এই ভাইরাসটির জন্যই করতে হবে।

রোগ প্রতিরোধ করার জন্য আক্রান্ত বানর ও শূকরের থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়ানো হ্রাস হওয়া দরকার। রোগ ধরা পড়লে এইরকম সংক্রমিত প্রাণীদের চিহ্নিত করে মেরে ফেলে দেহগুলি সঠিকভাবে বিনষ্ট করে ফেলার মাধ্যমে এটা করা যেতে পারে। সঠিকভাবে রান্না হওয়া মাংস এবং মাংস নিয়ে কাজ করার সময় প্রতিরোধী পরিচ্ছদ পরা সহায়ক হতে পারে, একইভাবে যখন রোগগ্রস্ত কেউ কাছাকাছি থাকে তখন প্রতিরোধী পরিচ্ছদ পরা এবং হাত ওয়াশকরা প্রয়োজন। রোগগ্রস্ত ব্যক্তির শরীর রস এবং কোষকলার নমুনা বিশেষ সতর্কতার সাথে নাড়াচাড়া করতে হবে। 

এই রোগের কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই; আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করতে হয় ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি (পান করার জন্য সামান্য মিষ্টি ও নোনতা জল) নয়তো ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইডদেওয়া হয়। এই রোগে মৃত্যু হার অত্যন্ত বেশি: প্রায়শ এই ভাইরাস আক্রান্তদের মৃত্যুর হার হয় 50% থেকে 90%-এর মধ্যে। EVD প্রথম চিহ্নিত হয় সুদান ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রতে। সাধারণতঃ এই রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয় সাব-সাহারান আফ্রিকার ট্রপিক্যাল অঞ্চলে। 1976 থেকে (যখন এটি প্রথম শনাক্ত হয়) 2013 পর্যন্ত, fewer than প্রতিবছর 1,000-এর বেশি লোকের সংক্রমণ ঘটেছে। আজ পর্যন্ত বৃহত্তম মহামারী এখন চলছে 2014 পশ্চিম আফ্রিকা ইবোলা মহামারী, যার প্রকোপে পড়েছে গিনি, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া এবং সম্ভবতঃ নাইজেরিয়া। আগস্ট 2014 পর্যন্ত 1600-র বেশি কেস শনাক্ত করা হয়েছে। ভ্যাক্সিন তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কিছু করা যায়নি।

 

ইবোলা ভাইরাসজনিত রোগ

অন্যান্য নাম ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ, ইবোলা হেমোরেজিক ফিভার, ইবোলা, এবোলা
7042 lores-Ebola-Zaire-CDC Photo.jpg
Two nurses standing near Mayinga N'Seka, a nurse with Ebola virus disease in the 1976 outbreak in Zaire. N'Seka died a few days later.
বিশেষত্ব Infectious disease
লক্ষণ জ্বর, sore throat, muscular pain, headaches, উদরাময়, bleeding
জটিলতা Low blood pressure from fluid loss
সাধারণ সূত্রপাত Two days to three weeks post exposure
কারণ Ebolaviruses spread by direct contact
রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি Finding the virus, viral আরএনএ, or অ্যান্টিবডি in blood
পার্থক্যজনিত নির্ণয় ম্যালেরিয়া, কলেরা, টাইফয়েড জ্বর, meningitis, other viral haemorrhagic fevers
প্রতিরোধ Coordinated medical services, careful handling of bushmeat
চিকিত্সা Supportive care
আরোগ্যসম্ভাবনা 25–90% mortality

 

সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

নিচের শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি দেশি শব্দ নয়?

কুলা

ডাব

চুলা

চাবি

Description (বিবরণ) :

চাবি শব্দটি  দেশি শব্দ নয় । এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে  বাংলায় এসেছে। 

চাবি-কাঠি   /বিশেষ্য পদ/ তালা বন্ধ করিবার বা খুলিবার শলাকাবিশেষ, কুঞ্চিকা, হার্মনিয়মের স্টপার; ঘড়ির দম দিবার যন্ত্র।

বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দের তালিকা

নীচের সারণিতে পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দগুলির একটি প্রায়-সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হল।

উৎস পর্তুগিজ শব্দ বাংলা শব্দ
Cadeira কেদারা
Câmara কামরা
Janela জানালা
Chave চাবি
Gamela গামলা
Balde বালতি
Botelha বোতল
Armário আলমারি
Igreja গির্জা
Saia সায়া
Camisa কামিজ
Aia আয়া
Alfinete আলপিন
Botão বোতাম
Pão পাঁউরুটি
Couve কপি (বাঁধাকপি)
Caju কাজু
Cruz ক্রুশ
Mármore মর্মর
Padre পাদ্রি
Pipa পিপা
Pires পিরিচ
Fita ফিতা
Sabão সাবান
Santo সন্ত
Ceroulas সালোয়ার
Toalha তোয়ালে
Viúva (?) বিধবা
Jesu যিশু
Inglez ইংরেজ
Christão খ্রিস্টান
Tabaco তামাক
Zamboa জাম্বুরা
Varanda বারান্দা
Charuto চুরুট
Ananas আনারস
Papaia পেঁপে
Leilão নিলাম
Falto ফালতু
Mestre মিস্ত্রি
Cartucho কার্তুজ
Estirar ইস্ত্রি
Pera পেয়ারা
Âncora নোঙর
Alcatrão আলকাতরা
Boia বয়া
Boião বয়াম
Viola বেহালা
Bomba বোমা
Grade গরাদ
Gudão গুদাম
Espada ইস্পাত
Coronel কর্নেল
Mastro মাস্তুল
Prego পেরেক
Jogar জুয়া
Bruça বুরুশ
Recibo রশিদ
Tanque টাংকি
Bacia বাসন
Forma ফর্মা
Ata
(from old Mexican "ate")
আতা

বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়-

সাধিত শব্দ

প্রাদিপাদিক

নাম শব্দ

শব্দ ক্রিয়া

Description (বিবরণ) :

বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়- প্রাতিপাদিক

 

প্রাতিপাদিক

বিভক্তিহীন নাম-প্রকৃতি বা সাধিত শব্দকে এবং বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত ধাতু বা ক্রিয়া-প্রকৃতিকে প্রাতিপাদিক বলে। সংক্ষেপে বল্‌লে, প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়ের যোগে যে শব্দ বা ধাতু গঠিত হয় তার নাম প্রাতিপাদিক। 'প্রাতিপাদিক' মানে যা দিয়ে শুরু করা হয়।

 

নাম-প্রাতিপাদিক

বিভক্তহীন ও প্রত্যয়হীন কংবা বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত নাম-প্রকৃতিকে নাম প্রাতিপাদিক বলে। যেমন- দোকান + দার = দোকানদার + কে = দোকানদারকে

 

ক্রিয়া-প্রাতিপাদিক

বিভক্তহীন ও প্রত্যয়যুক্ত ধাতু-প্রকৃতিকে ক্রিয়া-প্রাতিপাদিক বলে। যেমন- কর্‌ + অ = করা + কে = করাকে

বাংলা ধাতুর গণ

বাংলা ভাষার সমস্ত ধাতুকে ২০টি গণে ভাগ করা হয়েছে। যথা:-

ক্রমিক নং ধাতুগণ উদাহরণ
হ-আদিগণ হ (হওয়া), ল (লওয়া) ইত্যাদি।
খা-আদিগণ খা (খাওয়া), ধা (ধাওয়া), পা (পাওয়া), যা (যাওয়া) ইত্যাদি।
দি-আদিগণ দি (দেওয়া), নি (নেওয়া) ইত্যাদি।
শু-আদিগণ চু (চোঁয়ানো), নু (নোয়ানো), ছু (ছোঁয়া) ইত্যাদি।
কর্-আদিগণ কর্ ( করা), কম্ (কমা), গড় (গড়া), চল (চলা) ইত্যাদি।
কহ্-আদিগণ কহ্ (কহা), সহ্ (সহা), বহ্ (বহা) ইত্যাদি।
কাট্-আদিগণ গাঁথ্, চাল্, আক্, বাঁধ্, কাঁদ্ ইত্যাদি।
গাহ্-আদিগণ চাহ্, বাহ্, নাহ্ (নাহান>স্নান) ইত্যাদি।
লিখ্-আদিগণ কিন্, ঘির্, জিত্, ফির্, ভিড়্, চিন্ ইত্যাদি।
১০ উঠ্-আদিগণ উড়্, শুন্, ফুট্, খুঁজ্, খুল্, ডুব্, তুল্ ইত্যাদি।
১১ লাফা-আদিগণ কাটা, ডাকা, বাজা, আগা (অগ্রসর হওয়া) ইত্যাদি।
১২ নাহা-আদিগণ গাহা ইত্যাদি।
১৩ ফিরা-আদিগণ ছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ইত্যাদি।
১৪ ঘুরা-আদিগণ উঁচা, লুকা, কুড়া (কুড়াচ্ছে) ইত্যাদি।
১৫ ধোয়া-আদিগণ শোয়া, খোঁচা, খোয়া, গোছা, যোগা ইত্যাদি।
১৬ দৌড়া-আদিগণ পৌঁছা, দৌড়া ইত্যাদি।
১৭ চটকা-আদিগণ সমঝা, ধমকা, কচলা ইত্যাদি।
১৮ বিগড়া-আদিগণ হিচড়া, ছিটকা, সিটকা ইত্যাদি।
১৯ উলটা-আদিগণ দুমড়া, মুচড়া, উপচা ইত্যাদি।
২০ ছোবলা-আদিগণ কোঁচকা, কোঁকড়া, কোদলা ইত্যাদি।

'গুরুচান্ডলী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি?

শোবপোড়া

শবদাহ

মড়াদাহ

শবমড়া

Description (বিবরণ) :

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া মৃত্যুর পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কর্তৃক শবদাহ বা মৃতদেহ পোড়ানোর ধর্মীয় সংস্কার। এই শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা হলে দাঁড়ায় অন্ত (শেষ) + ইষ্টি (সংস্কার) + ক্রিয়া অর্থাৎ মৃত্যুর পরে মৃতদেহের শেষবারের মতো সংস্কারকার্য। পূর্বে কঠোরভাবে এ সংস্কারের রীতিনীতি থাকলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কঠোরতামুক্ত। বর্তমানে শিশু, সন্ন্যাসী, সাপে কাটা অথবা বিশেষ কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জলসমাধি (পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া) কিংবা মৃৎসমাধি (মাটিতে কবর) দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। শবদাহ করার কাজে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে চন্দনকাঠ বা চন্দনগুঁড়া ব্যবহার করা হয়, কিন্তু সাধারণ লোকের ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই।