কার সময়ে ”বঙ্গ ভঙ্গ” হয়?

লর্ড কার্জন

লর্ড ডালহৌসি

লর্ড ক্লাইভ

বড় লাট

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: কার সময়ে ”বঙ্গ ভঙ্গ” হয়?

ব্যাখ্যা: ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জনের এক ঘোষণার মাধ্যমে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর 'বঙ্গবঙ্গ' হয়। বঙ্গবঙ্গের ফলে নতুন প্রদেশ 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' গঠিত হয়। নবগঠিত এ প্রদেশের রাজধানী ও আইনসভা ছিল ঢাকায়' । 'বঙ্গবঙ্গ রদ' হয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালে।


Related Question

হুমায়ূন আহমেদ বাংলাা সাহিত্যে মূলত কি হিসেবে পরিচিত?

কবি

নাট্যকার

ঔপন্যাসিক

কথাসাহিত্যিক

Description (বিবরণ) : বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের পথিকৃত হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। নন্দিত এ কথাসাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে একাধারে উপন্যাস , নাটক, আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ , মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ইত্যাদি রচনা করেন। তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ' নন্দিত নরকে ' (১৯৭২) । তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো - শঙ্খনীল কারাগার , এইসব দিনরাত্রি ,গৌরীপুর জংশন, কবি, দারুচিনি দ্বীপ , শ্রাবণ মেঘের দিন, নক্ষত্রের রাত । তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো - জোছনা ও জননীর গল্প, সৌরভ, অনীল বাগচীর একদিন, আগুনের পরশমনি ,শ্যামল ছায়া । তার সৃষ্ট অমর আজ রবিবার ,কোথা ও কেউ নেই, বৃহন্নলা, ইবলিশ প্রভৃতি হলো তার উল্লেখযোগ্য টিভি নাটক । তবে প্রথম টিভি নাটক হলো এইসব দিনরাত্রি (১৯৮৪) । তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো - আগুণের পরশমনি, শ্রাবণ মেঘের দিন , দুই দুয়ারী, শ্যামল ছায়া, ঘেঁটুপুত্র কমলা। তবে প্রথম ও সর্বশেষ চলচ্চিত্র হলো যথাক্রমে - আগুনের পরশমণি (১৯৯৪) ও ঘেঁটুপুত্র কমলা (২০১২) ।

কোন বর্ণের ধ্বনির আগে ন ণ হয়?

ক বর্গীয়

ট বর্গীয়

চ বর্গীয়

ত বর্গীয়

Description (বিবরণ) : ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে 'ন' এর স্থলে সব সময় 'ণ' হয় । যেমন -ঘণ্টা, লণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।

”বাহুতে ভর করে চলে যে” এর বাক্য সংকোচন--

সব্যসাচী

ভুজঙ্গ

বুভুক্ষা

বাহুঙ্গ

Description (বিবরণ) : বাহুতে ভর করে চলে যে- ভুজঙ্গ। যার দুহাত সমান চলে - সব্যসাচী । ভোজন করার ইচ্ছা - বুভুক্ষা।

সনেটের শেষ অংশকে কি বলে?

ষষ্টক

অষ্টক

শেষ সপ্তম

ষষ্ঠী

Description (বিবরণ) : 'সনেট' ইতালিয়ান শব্দ। সনেটের রয়েছে দুটি অংশ । ৮ পঙক্তিতে গঠিত প্রথম অংশকে বলে অষ্টক এবং শেষ ৬ পঙক্তিতে গঠিত অংশকে বলে ষটক । এ ধারার আদি কবি পেত্রার্ক। তবে বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

”বহুব্রীহি” শব্দের অর্থ কি?

বহুগম

বহুধন

বহুবলে

বহুধান

”হুতোম প্যাঁচার নক্সা” কোন জাতীয় রচনা?

রম্য রচনা

চিত্র কর্ম

উপন্যাস

প্রবন্ধ

Description (বিবরণ) : 'হুতোম প্যাঁচার নক্সা' (১৮৬২) কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি রম্য রচনা। তিনি তৎকালীন সমাজজীবনের ক্ষত-বিক্ষত চিহ্নের যথার্থ ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন এ গ্রন্থে। তার বড় অবদান সংস্কৃতবহুল পণ্ডিতী ভাষার বিরুদ্ধে কথ্যভাষাকে সাহিত্যে স্থাপন। বাংলা সাহিত্যে তার ব্যবহৃত ভাষা 'হুতোমী বাংলা ' নামে পরিচিত। তার কয়েকটি গ্রন্থ হলো - সংস্কৃত মহাভারত (অনুবাদ গদ্যগ্রন্থ ১৮৬৬) , বাবু (প্রহসন, ১৮৫৪) , বিক্রমোবর্শী (অনুবাদ নাটক, ১৮৫৭), সাবিত্রী সত্যবান (নাটক , ১৮৫৮), মালতীমাধব (অনুবাদ নাটক, ১৮৫৯) ।

”বাঙলা-ভাষার ইতিবৃত্ত” কার রচনা?

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

মহুম্মদ আব্দুল হাই

মুনীর চৌধুরী

মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী

Description (বিবরণ) : ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ 'বাঙলা -ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ । এছাড়াও তার রচিত গবেষণা ও ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে - বাংলা সাহিত্যের কথা (১ম খণ্ড ১৯৫৩ , ২ য় খণ্ড ১৯৬৫) ইত্যাদি। তার কয়েকটি শিশুতোষ গ্রন্থ হলো - শেষ নবীর সন্ধানে, ছোটদের রসুলুল্লাহ, সেকালের রুপকথা ।তিনি ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমিতে যোগদান করেন এবং তার সম্পাদনায় রচিত হয় 'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে রচনা করেন ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (১৯৫৬) ।

কোনটি উপসর্গ নয়?

প্র

পরি

পরা

আমি

Description (বিবরণ) : বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার। যথা: খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি এবং তৎসম উপসর্গ ২০ টি। প্রদত্ত অপশনে উপসর্গ নয় 'আমি' শব্দটি । কিন্তু প্র,পরা, পরি হলো তৎসম উপসর্গ।

”সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই” - কে বলেছেন?

চন্ডীদাস

রামকৃষ্ণ পরম হংস

বিদ্যাপতি

বিবেকানন্দ

Description (বিবরণ) : বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি হলেন বৈষ্ণব কবি চন্ডীদাস। তার বিখ্যাত মানবতাবাদী বাণী হলো - শুনহ মানুষ ভাই/সবার উপরে মানুষ সভ্য তাহার উপর নাই'।

কবি রবিঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কোন জেলায়?

রাজশাহী

কুষ্টিয়া

কুমিল্লা

ঢাকা

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যে কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের উপাধি হলো - ছন্দের যাদুকর। তাকে 'ছন্দের রাজা'ও বলা হয়। অন্যদিকে শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপাধি হলো যথাক্রমে অপরাজেয় কথাশিল্পী ও বিশ্বকবি। বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম হলো - বীরবল।