কোন বর্ণের ধ্বনির আগে ন ণ হয়?

ক বর্গীয়

ট বর্গীয়

চ বর্গীয়

ত বর্গীয়

Description (বিবরণ) : ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে 'ন' এর স্থলে সব সময় 'ণ' হয় । যেমন -ঘণ্টা, লণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।


Related Question

”বাহুতে ভর করে চলে যে” এর বাক্য সংকোচন--

সব্যসাচী

ভুজঙ্গ

বুভুক্ষা

বাহুঙ্গ

Description (বিবরণ) : বাহুতে ভর করে চলে যে- ভুজঙ্গ। যার দুহাত সমান চলে - সব্যসাচী । ভোজন করার ইচ্ছা - বুভুক্ষা।

সনেটের শেষ অংশকে কি বলে?

ষষ্টক

অষ্টক

শেষ সপ্তম

ষষ্ঠী

Description (বিবরণ) : 'সনেট' ইতালিয়ান শব্দ। সনেটের রয়েছে দুটি অংশ । ৮ পঙক্তিতে গঠিত প্রথম অংশকে বলে অষ্টক এবং শেষ ৬ পঙক্তিতে গঠিত অংশকে বলে ষটক । এ ধারার আদি কবি পেত্রার্ক। তবে বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

”বহুব্রীহি” শব্দের অর্থ কি?

বহুগম

বহুধন

বহুবলে

বহুধান

”হুতোম প্যাঁচার নক্সা” কোন জাতীয় রচনা?

রম্য রচনা

চিত্র কর্ম

উপন্যাস

প্রবন্ধ

Description (বিবরণ) : 'হুতোম প্যাঁচার নক্সা' (১৮৬২) কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি রম্য রচনা। তিনি তৎকালীন সমাজজীবনের ক্ষত-বিক্ষত চিহ্নের যথার্থ ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন এ গ্রন্থে। তার বড় অবদান সংস্কৃতবহুল পণ্ডিতী ভাষার বিরুদ্ধে কথ্যভাষাকে সাহিত্যে স্থাপন। বাংলা সাহিত্যে তার ব্যবহৃত ভাষা 'হুতোমী বাংলা ' নামে পরিচিত। তার কয়েকটি গ্রন্থ হলো - সংস্কৃত মহাভারত (অনুবাদ গদ্যগ্রন্থ ১৮৬৬) , বাবু (প্রহসন, ১৮৫৪) , বিক্রমোবর্শী (অনুবাদ নাটক, ১৮৫৭), সাবিত্রী সত্যবান (নাটক , ১৮৫৮), মালতীমাধব (অনুবাদ নাটক, ১৮৫৯) ।

”বাঙলা-ভাষার ইতিবৃত্ত” কার রচনা?

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

মহুম্মদ আব্দুল হাই

মুনীর চৌধুরী

মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী

Description (বিবরণ) : ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ 'বাঙলা -ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ । এছাড়াও তার রচিত গবেষণা ও ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে - বাংলা সাহিত্যের কথা (১ম খণ্ড ১৯৫৩ , ২ য় খণ্ড ১৯৬৫) ইত্যাদি। তার কয়েকটি শিশুতোষ গ্রন্থ হলো - শেষ নবীর সন্ধানে, ছোটদের রসুলুল্লাহ, সেকালের রুপকথা ।তিনি ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমিতে যোগদান করেন এবং তার সম্পাদনায় রচিত হয় 'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে রচনা করেন ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (১৯৫৬) ।

কোনটি উপসর্গ নয়?

প্র

পরি

পরা

আমি

Description (বিবরণ) : বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার। যথা: খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি এবং তৎসম উপসর্গ ২০ টি। প্রদত্ত অপশনে উপসর্গ নয় 'আমি' শব্দটি । কিন্তু প্র,পরা, পরি হলো তৎসম উপসর্গ।