যে প্রবীণ নয়-- তাকে এক কথায় কি বলে?

বৃদ্ধ

শিশু

নবীন

যুবতী

Description (বিবরণ) : No Explanation Found For This Question


Related Question

”আলালের ঘরের দুলাল” কার লেখা?

প্যারীচাঁদ মিত্র

নবীনচন্দ্র সেন

কালী প্রসাদসিংহ

মধুসূদন দত্ত

Description (বিবরণ) : বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম উপন্যাস হলো 'আলালের ঘরের দুলাল'। গ্রন্থটি ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে 'মাসিক পত্রিকা'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়ে ১৯৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়। কেউ বলেন, 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস গ্রন্থ। কারো মতে, উপন্যাস নয়, উপন্যাসের লক্ষণাক্রান্ত। অর্থাৎ এটি সার্থক উপন্যাস কিনা এ নিয়ে বির্তক আছে। তবে এ গ্রন্থে প্যারীচাঁদ মিত্র চলতি ভাষায় যে গদ্যরীতি ব্যবহার করেছেন বাংলা সাহিত্যে তা 'আলালী রীতি' হিসেবে পরিচিত।

”মেঘনাদবধ কাব্য”--- কার লেখা?

বাল্মিকী

জীবনানন্দ দাশ

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

আব্দুল করিম

Description (বিবরণ) : সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ -এর কাহিনি অবলম্বনে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য- মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১) । করুণ রসের অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এ মহাকাব্যের সর্গ সংখ্যা ৯টি , যেখানে তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত । বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি মাইকেলের আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো - তিত্তোত্তমাসম্ভব (কাব্য , ১৮৬০), শর্মিষ্ঠা (নাটক, ১৮৫৮) , কৃষ্ণকুমারী (নাটক ,১৮৬১), মায়াকানন (নাটক, ১৮৭৩) , বীরঙ্গনা (কাব্য ১৮৬২) ,ব্রজাঙ্গনা (কাব্য ১৮৬১) । তার বীরাঙ্গনা ও শর্মিষ্ঠা হলো যথাক্রমে বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য এবং সার্থক নাটক।

”আর কতদূরে নিয়ে যাবে--- সুন্দরী, শূন্যস্থানে কি বসবে?

আমাকে

মোরে

তুমি

ওগো

Description (বিবরণ) : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্য গ্রন্থের নিরুদ্দেশ যাত্রা কবিতার চরণ হলো - 'আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে হে সুন্দরী/ 'সে হিসেবে সঠিক উত্তর হলো (গ)।

কোনটি ঠিক---

সমিচীন

সমীচীন

সমীচিন

সমিচিন

”গুবাক” শব্দের অর্থ কি?

নারিকেল

কদমগাছ

আতাগাছ

সুপারীগাছ

প্রাচীনতম গ্রন্থ কোনটি?

শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন

চর্যাপদ

মধুমালতি

নুরনামা

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বা গ্রন্থ হলো চর্যাপদ । ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং তার সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বডু চণ্ডীদাস রচিত 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'কাব্য হলো বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের প্রথম কাব্য সংকলন। ১৩ টি খণ্ডে রচিত এ কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো - কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই। অন্যদিকে মধুমালতি ও নূরনামা গ্রন্থটি রচনা করেন যথাক্রমে মুহম্মদ কবীর ও আবদুল হাকিম।