শুদ্ধ বাক্য কোনটি

দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়

দীনতা প্রশংসনীয় নয়

দীনতা নিন্দনীয়

দীনতা অপ্রশংসনীয়

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: শুদ্ধ বাক্য কোনটি

ব্যাখ্যা: 'দীন' শব্দটি বিশেষণ। যার অর্থ দরিদ্র, গরিব, অভাবগ্রস্ত, নিঃসম্বল ,করুণ ,কাতর, হীন,নীচ, অনুদার, ভীরু, অভাব প্রভৃতি । 'দৈন্য' শব্দটি বিশেষ্য। যার অর্থ দীনতা, দারিদ্র্য,দুরবস্থা, অভাব, অপ্রাচুর্য, হীনতা, কৃপণতা, সংকীর্ণতা ,কাতরতা প্রভৃতি। 'দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়' বাক্যটি প্রত্যয়ঘটিত অশুদ্ধ দোষে দুষ্ট। কাজেই 'দীনতা প্রশংসনীয় নয়' বাক্যটি প্রত্যয়ঘটিত শুদ্ধ বাক্য।


Related Question

”পনির” শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ--

পনি + এর

পনি + র

পন + ইর

পন + ই + র

Description (বিবরণ) : খাঁটি বাংলা সন্ধির নিয়মানুসারে ই বর্ণের পর এ-কার থাকলে এ-কার লোপ পায়। সে অনুসারে পনি + এর = পনির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ।

কোনটি সরল বাক্য?

যা করবার তা করেছি

তুমি যা বলবে তাই ঠিক

সে পরিশ্রমী বটে, কিন্তু নির্বোধ

তুমি অধম বলে আমি উত্তম হবো না কেন?

Description (বিবরণ) : সরল বাক্যের নিয়মানুসারে যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরলবাক্য বলে। কাজেই এ নিয়মানুসারে (ঘ) উত্তরটি সঠিক । এ বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রুপান্তর করলে হবে 'যদি তুমি অধম হও, তবুও আমি উত্তম হবো না কেন?

কোনটি নির্ভূল?

দুর্দশাগ্রস্থ

দুর্দশাগ্রস্ত

দূর্দশাগ্রস্থ

দূরদশাগ্রস্ত

Description (বিবরণ) : 'দুর্দশাগ্রস্ত' বানানটি শুদ্ধ। যার অর্থ মন্দ অবস্থায় পড়া, শোচনীয় অবস্থা, দুরবস্থা, দুর্গতি বা দুর্ভোগ ।

শুদ্ধ বানান কোনটি?

সহপাঠিনী

সহপাঠিনি

সহপাঠীনী

সহপাঠীনি

Description (বিবরণ) : শুদ্ধ বানান হলো সহপাঠিনী যা সহপাঠীর স্ত্রীবাচক শব্দ।

”কিণাঙ্ক” শব্দের অর্থ কী?

ক্ষত

আঁচিল

কড়া

রক্ত

Description (বিবরণ) : 'কিণাঙ্ক' শব্দটি বিশেষ্য। যার অর্থ ঘষার দাগ , কড়া , শক্ত মাংস প্রভৃতি ।

”অষ্টরম্ভা” শব্দটির অর্থ হলো---

আটটি রথ

আট প্রকার ধাতু

শূন্য অথবা ফাঁকি

আটজন অপ্সরী

Description (বিবরণ) : 'অষ্টরম্ভা' শব্দটি বিশেষ্য। যার অর্থ কিছুই না , শূন্য ফাঁকি।

”জালি লাউয়ের ডগার মতোন বাহু দু’খান সরু”- কার সম্বন্ধে বলা হয়েছে?

সাজু

রূপাই

দুখী

সোজন

Description (বিবরণ) : উদ্বৃত লাইনটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাহিনীকাব্য 'নকসীকাথার মাঠ' থেকে সংগৃহীত। কাব্যটি নায়ক কিশোর রুপাই চাষার ছেলে , গায়ের রং কালো হলে ও কালো রুপে সে সমস্ত গ্রামটি আলো করে রেখেছে। নায়িকা সাজু রুপসী কিশোরী। সে চিত্র আঁকতে জানে, ফুল তুলতে জানে ,গান গাইতে জানে। লক্ষ্মী মেয়ে। রুপাই সম্বন্ধে কাব্যে আরো বলা হয়েছে- "এই গায়ের এক চাষার ছেলে লম্বা মাথার চুল। কালো মুখেই কালো ভ্রমর, কিসের রঙিন ফুল । কাঁচা ধানের পাতার মত কচি মুখের মায়া, ----- "।

”রৈবতক”, ”কুরুক্ষেত্র”, ”প্রভাস” - এ ত্রয়ী মহাকাব্যের রচয়িতা--

মধুসূদন দত্ত

হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়

নবীনচন্দ্র সেন

কাজেম আল কোরেশী

Description (বিবরণ) : মাইকেল মধুসূদন দত্তের আদর্শ সামনে রেখে নবীনচন্দ্র সেন মহাকাব্য রচনায় আত্মনিয়োগ করলেও কাহিনী নির্বাচনে স্বকীয় বৈশিষ্ট্য দেখিয়েছেন। প্রশ্নে উল্লেখিত মহাকাব্য ত্রয়ী নবীনচন্দ্র সেন মহাভারত , ভাগবত বিষ্ণুপুরাণ প্রভৃতি কৃষ্ণলীলাবিষয়ক গ্রন্থ থেকে উপকরণ নিয়ে তৎকালীন ভারতের সমাজ ও ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে কৃষ্ণচরিত্র অবলম্বনে চৌদ্দ বছরে এ মহাকাব্য রচনা করেন। কাহিনীগত তাৎপর্যে এ কাব্যসমূহ ঊনবিংশ শতাব্দীর মহাভারত নামে অভিহিত । এ কাব্যে রয়েছে কবির ধর্মবোধ ও স্বজাতবোধ। এ কাব্যের মূল বক্তব্য নিষ্কাম কর্ম ও নিষ্কাম প্রেমের ডোরে আর্য অনার্যদের রাখিবন্ধন এবং অখণ্ড হিন্দু সংস্কৃতির পত্তন।

দুটি প্রাচীন নদীর নাম--

সুরমা, কর্ণফুলী

রেবা, বেত্রবতী

পদ্মা, মেঘনা

বুড়িগঙ্গা, মহানন্দা

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?

বেগম সুফিয়া কামাল

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

চন্দ্রাবতী

স্বর্ণকুমারী দেবী

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার পাতোয়ারি গ্রামে ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার রচিত কাব্যগুলোর নাম মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা, রামায়ণ প্রভৃতি।