বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?

বেগম সুফিয়া কামাল

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

চন্দ্রাবতী

স্বর্ণকুমারী দেবী

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার পাতোয়ারি গ্রামে ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার রচিত কাব্যগুলোর নাম মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা, রামায়ণ প্রভৃতি।


Related Question

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি---

শাহ মুহম্মদ সগীর

কবি আলাওল

সাবিরিদ খান

দৌলত কাজী

Description (বিবরণ) : কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্ম আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ শতক। বিশেষজ্ঞদের মতে তিনি রাজকর্মচারী ছিলেন। তার 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্যটি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে রচিত । এটি একটি কাহিনী-কাব্য। এ দেশের মুসলমানদের ধর্মকথা শোনাবার উদ্দেশ্যে তিনি কাব্য রচনায় প্রয়াসী হলে ও তার কাব্য শিল্পমূল্যেও সমৃদ্ধ।

”পদ্মাবতী” কাব্য রচনা করেন---

ভারতচন্দ্র

আলাওল

সৈয়দ হামজা

আব্দুল হাকিম

Description (বিবরণ) : মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি আলাওল। আরাকান রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের উৎসাহে কাব্য রচনা করেন। তার রচিত কাব্যগ্রন্থ পদ্মাবতী ,সয়ফুমুলক বদিউজ্জামাল, হপ্ত পয়কর, সিকান্দরনামা ও তোহ্ফা বা তত্ত্বোপদেশ। এছাড়া কবি দৌলত কাজীর অসম্পূর্ণ কাব্য 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী'র উত্তরাংশ রচনা করেন। পদ্মাবতী হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের ভাবানুবাদ । দুই খণ্ডে রচিত এ কাব্যে পদ্মাবতী ও রত্নসেনের প্রণয় আলোচনা করা হয়েছে। হীরামণি পাখির দূরদর্শিতার কথা উল্লেখ আছে। পদ্মাবতীর সৌন্দার্যকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ ও পদ্মাবতীর সহমরণত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।

কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ নয়?

অগ্নিবীণা

দোলনচাঁপা

চক্রবাক

বলাকা

Description (বিবরণ) : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি ,ভাঙার গান, সাম্যবাদী, সর্বহারা , ফণি-মনসা, জিঞ্জির,সন্ধ্যা , প্রলয়শিখা ,দোলনচাঁপা , চক্রবাক প্রভৃতি।

”কেলিনু শৈবালে ভুলি কমল-কানন” -এখানে “কমল-কানন” শব্দের ব্যঞ্জনার্থ---

পদ্মবন

বাংলা ভাষা

বিদেশী ভাষা

ফুলের বাগান

বাংলা কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার জনক---

বরীন্দ্রনাথ

শরৎচন্দ্র

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত

মধুসূদন দত্ত

Description (বিবরণ) : কবি, নাট্যকার , বাংলা কাব্যসাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্রষ্টা এবং বাংলা কাব্য-সাহিত্যের আধুনিকতার জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মধ্যযুগের কাব্যে দেব-দেবীর মাহাত্ম্যসক মানবতাবোধ সৃষ্টিপূর্বক আধুনিকতার লক্ষণ ফুটানোতেই মধুসূদন দত্তের অতুলনীয় কীর্তি প্রকাশিত হয়।

”সমাচার দর্পণ” পত্রিকার প্রকাশকাল---

১৮০০ খ্রিস্টাব্দ

১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ

১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দ

১৮৫০ খ্রিস্টাব্দ

Description (বিবরণ) : হুগলির শ্রীরামপুর খ্রিষ্টান মিশনারি ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে 'সমাচার দর্পণ' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা বের করে। পত্রিকাটি ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চলে। এটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। সংবাদই এর প্রাণ ছিল। তবে ধর্ম বা তত্ত্ব ও আলোচনা হতো । এ পত্রিকাটির ভাষা ছিল সরল ও তথ্যবহুল ।