‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

জীবনানন্দ দাশ

কাজী নজরুল ইসলাম

কবি জসীমউদদীন

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?

ব্যাখ্যা:

সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য-সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে।


Related Question

বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মোহিতলাল মজুমদার

কাজী নজরুল ইসলাম

Description (বিবরণ) :

মাইকেল মধুসূদন  দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম। পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল। মা জাহ্নবী দেবীর তত্ত্বাবধানে মধুসূদনের শিক্ষারম্ভ হয়।

‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়

বুদ্ধদেব বসু

শহীদুল্লাহ কায়সার

Description (বিবরণ) :

গৃহদাহ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৯২০ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়। গৃহদাহ উপন্যাসে, তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছেঃ অচলা, মহিম ও সুরেশ।

‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

সরদার জয়েন উদ্দীন

আনিস চৌধুরী

শহীদুল্লাহ কায়সার

শওকত ওসমান

Description (বিবরণ) :

ক্রীতদাসের হাসি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি উপন্যাস। ১৯৬২ সালে তিনি এ উপন্যাসটি রচনা করেন। ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পাকিস্তানকে বর্বর স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে আবদ্ধ করলো। এ সময় সব ধরনের-বাক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। তৎকালীন পাকিস্থানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে এ উপন্যাস রচিত হয়। এ উপন্যাসের মূল চরিত্র তাতারী।

‘মানচিত্র’ নাটকটির রচয়িতা কে?

মীর মশাররফ হোসেন

শিশির ভাদুড়ী

নুরুল মোমেন

আনিস চৌধুরী

Description (বিবরণ) :

সমাসচেতন নাট্যকার আনিস চৌধুরী রচিত নাটক 'মানচিত্র'। মধ্যবিত্ত মানুষের দ্বন্দ্ব-সংঘাত, দুঃখ-দারিদ্র্য ও সংগ্রামী চেতনা সার্থক ভাবে ফুটে উঠেছে তার নাটকে

‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে?

নবীনচন্দ্র সেন

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

মনমোহন বসু

সৈয়দ শাসমুল হক

Description (বিবরণ) :

সৈয়দ হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ-অনুভূতি ও ভালো-মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণযুদ্ধ এবং যোদ্ধাঈর্ষাএখানে এখন-এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।

কোনটি শুদ্ধ বানান?

সর্বাঙ্গীণ

সবর্বাঙ্গীন

সর্বাঙ্গীন

সর্বঙ্গিণ

Description (বিবরণ) :

সর্বাঙ্গীণ, সর্বাঙ্গীন - [বিশেষণ পদ] সম্পূর্ণ, নিঁখুত; সর্বাঙ্গব্যাপী; পূর্ণাঙ্গ।

‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য?

সংযুক্ত বাক্য

যৌগিক বাক্য

সরল বাক্য

মিশ্র বাক্য

Description (বিবরণ) :

জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।
 
জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ-বাক্যের পরে কমা (,) বসে। যেমন-
যে পরিশ্রম করে,/ সে-ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য)
যত পড়বে,/ তত শিখবে,/ তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য)
 
জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে- সে, যত- তত, যারা- তারা, যাদের- তাদের, যখন- তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি- তবু, অথচ- তথাপি- এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়।তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।

‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস?

দ্বন্দ্ব সমাস

অব্যয়ীভাব সমাস

বহুব্রীহি সমাস

তৎপুরুষ সমাস

Description (বিবরণ) :

নঞ্ তৎপুরুষ সমাস[সম্পাদনা]

না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার= অনাচার, ন কাতর= অকাতর। এরূপ- অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি।

খাঁটি বাংলায় অ, আ, না কিংবা অনা হয়। যেমন: ন কাল= অকাল বা আকাল। এরূপ- আধোয়া, নামঞ্জুর, অকেজো, অজানা, অচেনা, আলুনি, নাছোড়, অনাবাদী, নাবালক ইত্যাদি।

না- বাচক অর্থ ছাড়াও বিশেষ বিশেষ অর্থে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হতে পারে। যেমন: ন বিশ্বাস= অবিশ্বাস (বিশ্বাসের অভাব), ন লৌকিক= অলৌকিক (ভিন্নতা), ন কেশা= অকেশা (অল্পতা), ন সুর= অসুর (বিরোধ), ন কাল= অকাল (অপ্রশস্ত), ন ঘাট= অঘাট (মন্দ)। এরূপ- অমানুষ, অসঙ্গত, অভদ্র, অনন্য, অগম্য ইত্যাদি।

‘বাতাস’ এর সমার্থক শব্দ নয়-

অনিল

প্রসুন

পবন

বায়ু

Description (বিবরণ) :

প্রসূন - [বিশেষ্য পদ] ফুল, মুকুল।

‘তিমির’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-

কালো

অন্ধকার

রাত্রি

আলো

Description (বিবরণ) :

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ:

তদীয়

মদীয়

তারুণ্য

বার্ধক্য

তীক্ষ্ণ

স্থূল

তন্ময়

মন্ময়

তিমির

আলোক

তীব্র

মৃদু

তস্কর

সাধু

তিরস্কার

পুরস্কার

তুষ্ট

রুষ্ট

তাপ

শৈত্য

তীর্যক

ঋজু

ত্বরিত

শ্লথ