ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ' ভ্রান্তিবিলাস' কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ?

মার্চেন্ট অব ভেনিস

কমেডি অব এররস

অ্যা মিডসামার নাইটস ড্রিম

টেমিং অব দ্য শ্রু

Description (বিবরণ) : ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪-১৬১৬ খ্রি.) অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) 'ভ্রান্তিবিলাস' রচনা করেন। ১৮৬৯ সালে তিনি শেক্সপিয়রের এ নাটকটির বঙ্গানুবাদ করেন।


Related Question

কখনো উপন্যাস লেখেননি ----

কাজী নজরুল ইসলাম

জীবনানন্দ দাশ

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

বুদ্ধদেব বসু

Description (বিবরণ) : সুধীন্দ্রনাথ দত্ত(১৯০১-১৯৬০ খ্রি.) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি। তিনি অনেক কবিতা ও গদ্য রচনা করলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বাঁধনহহারা (১৯২৭) , মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১) । পল্লীকবি জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বোবা কাহিনী (১৯৬৪) । কবি ও কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো সাড়া (১৯৩০) সানন্দা (১৯৩৩) ,নির্জন স্বাক্ষর (১৯৫১), তিথিডোর (১৯৫২), নীলাঞ্জনের খাতা (১৯৬০) ইত্যাদি।

' দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা -----

শওকত ওসমান

জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

হাসান আজিজুল হক

Description (বিবরণ) : 'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭ খ্রি). কর্তৃক রচিত। ১৯৮৫ সালে এটি প্রকাশিত হয় । তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭), খোয়াবনামা (১৯৯৬) ইত্যাদি।

রোহিণী- বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?

বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন

কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবি

দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ

কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন

Description (বিবরণ) : বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চোখের বালি'র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী' শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত ' চরিত্রহীন' এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী কিরণময়ী ও দিবাকর।

' আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এ প্রার্থনাটি করেছে -----

ভাঁডুদত্ত

চাঁদ সওদাগর

ঈশ্বরী পাটনী

নলকুবের

Description (বিবরণ) : অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (আনুমানিক ১৭০৭-১৭৬০ খ্রি.) রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী, হীরা মালিনী প্রভৃতি চরিত্র একান্ত বাস্তব হয়ে ফুটে উঠেছে। আলোচ্য উক্তিটির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের অমর চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী অন্নদা (চণ্ডী) দেবীর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।

'হ্ম' ---এর বিশ্লিষ্ট রূপ -----

ক + ঘ

ক + ষ + ণ

ক + ষ + ম

হ্‌ + ম

Description (বিবরণ) : দুই বা তার চেয়ে বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে সে ব্যঞ্জনধ্বনি দুটি বা ধ্বনি কয়টি একত্রে উচ্চারিত হয় । এরুপ যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির দ্যোতনার জন্য দুটি বা অধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রিত হয়ে সংযুক্ত বর্ণ (Ligature ) গঠিত হয়। 'হ্ম' এখানে এরুপ একটি সংযুক্ত বর্ণ । কারণ, হ+ম =হ্ম । উল্লেখ্য, ক+ষ =ক্ষ , ক+ষ+ণ=ক্ষ্ণ এবং ক+ ষ+ম=ক্ষ্ম।

নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে -----

কল্যাণীয়াষু

সুচরিতেষু

শ্রদ্ধাস্পদাসু

প্রীতিভাজনেষু

Description (বিবরণ) : পত্রের উপরাংশে বাম পাশে যাকে পত্র লেখা হয় তাকে যে সম্বোধন করে পত্রের মূল বক্তব্য আরম্ভ করা হয় তাকে সম্ভাষণ বলে। পত্র প্রাপকের শ্রেণীভেদে সম্ভাষণ বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণত সম্বোধনে পুরুষের ক্ষেত্রে, দোয়াবরেষু, দোয়াবর, কল্যাণরেষু, কল্যাণীবরেষু, পরম কল্যাণীয়াষু, বন্ধু-বান্ধবদের ক্ষেত্রে সুহৃদবরেষু, প্রিয় , প্রিয়বরেষু, প্রিয়বন্ধুবরেষু, প্রীতিভাজনেষু, সুচরিতেষু , সুচরিতাষু ইত্যাদি এবং গুরুজনদের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধাভাজনেষু, শ্রদ্ধাস্পদেষু (পং), শ্রদ্ধাস্পদাষু (স্ত্রী) ইত্যাদি।