রোহিণী- বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?

বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন

কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবি

দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ

কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: রোহিণী- বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?

ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চোখের বালি'র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী' শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত ' চরিত্রহীন' এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী কিরণময়ী ও দিবাকর।


Related Question

' আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এ প্রার্থনাটি করেছে -----

ভাঁডুদত্ত

চাঁদ সওদাগর

ঈশ্বরী পাটনী

নলকুবের

Description (বিবরণ) : অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (আনুমানিক ১৭০৭-১৭৬০ খ্রি.) রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী, হীরা মালিনী প্রভৃতি চরিত্র একান্ত বাস্তব হয়ে ফুটে উঠেছে। আলোচ্য উক্তিটির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের অমর চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী অন্নদা (চণ্ডী) দেবীর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।

'হ্ম' ---এর বিশ্লিষ্ট রূপ -----

ক + ঘ

ক + ষ + ণ

ক + ষ + ম

হ্‌ + ম

Description (বিবরণ) : দুই বা তার চেয়ে বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে সে ব্যঞ্জনধ্বনি দুটি বা ধ্বনি কয়টি একত্রে উচ্চারিত হয় । এরুপ যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির দ্যোতনার জন্য দুটি বা অধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রিত হয়ে সংযুক্ত বর্ণ (Ligature ) গঠিত হয়। 'হ্ম' এখানে এরুপ একটি সংযুক্ত বর্ণ । কারণ, হ+ম =হ্ম । উল্লেখ্য, ক+ষ =ক্ষ , ক+ষ+ণ=ক্ষ্ণ এবং ক+ ষ+ম=ক্ষ্ম।

নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে -----

কল্যাণীয়াষু

সুচরিতেষু

শ্রদ্ধাস্পদাসু

প্রীতিভাজনেষু

Description (বিবরণ) : পত্রের উপরাংশে বাম পাশে যাকে পত্র লেখা হয় তাকে যে সম্বোধন করে পত্রের মূল বক্তব্য আরম্ভ করা হয় তাকে সম্ভাষণ বলে। পত্র প্রাপকের শ্রেণীভেদে সম্ভাষণ বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণত সম্বোধনে পুরুষের ক্ষেত্রে, দোয়াবরেষু, দোয়াবর, কল্যাণরেষু, কল্যাণীবরেষু, পরম কল্যাণীয়াষু, বন্ধু-বান্ধবদের ক্ষেত্রে সুহৃদবরেষু, প্রিয় , প্রিয়বরেষু, প্রিয়বন্ধুবরেষু, প্রীতিভাজনেষু, সুচরিতেষু , সুচরিতাষু ইত্যাদি এবং গুরুজনদের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধাভাজনেষু, শ্রদ্ধাস্পদেষু (পং), শ্রদ্ধাস্পদাষু (স্ত্রী) ইত্যাদি।

' পেয়ারা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

হিন্দি

উর্দু

পর্তুগীজ

গ্রিক

Description (বিবরণ) : প্রশ্নে উল্লিখিত 'পেয়ারা ' শব্দটি এভাবেই পর্তুগীজ ভাষা থেকে এসেছে। পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত এরুপ আরো কিছু শব্দ হলো আনারস ,আলপিন , আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি ,বালতি।

সমার্থক শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন----

দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী

শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ

গাঙ, তটিনী, অর্ণব

স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু

Description (বিবরণ) : কোনো শব্দের সম অর্থপূর্ণ অন্য শব্দই হলো প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ। এরুপ 'নদী'র সমার্থক শব্দ স্রোতস্বিনী, তটিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিনী শৈবলিনী, কল্লোলিনী, গাঙ।

শুদ্ধ বানানের শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন----

ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষ্মা

যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা

স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক

ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত

Description (বিবরণ) : উপরিল্লিখিত অশুদ্ধ শব্দগুলোর শুদ্ধ বানান হলো - ভবিষ্যত- ভবিষ্যৎ , ভৌগলিক- যক্ষ্মা-যক্ষা, আভ্যন্তর-অভ্যন্তর , ঐক্যতান- ঐকতান , কেবলমাত্র-কেবল, উপরোক্ত- উপর্যুক্ত। উল্লেখ্য, অন্য শব্দগুলো শুদ্ধ এবং 'জন্মবার্ষিক' শব্দের শব্দরুপ নেই।

'প্রাতরাশ' --এর সন্ধি ----

প্রাত + রাশ

প্রাতঃ + রাশ

প্রাতঃ + আশ

প্রাত + আশ

Description (বিবরণ) : 'প্রাতরাশ' শব্দটির অর্থ প্রাতর্ভোজন বা সকালের নাশতা। সংস্কৃত 'প্রাতঃ(=র) '-এর সাথে 'আশ' যুক্ত হয়ে প্রাতরাশ শব্দটি গঠিত।

যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বোঝায়, তাকে বলা হয় -----

ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য

ক্রিয়াবিশেষণ

ক্রিয়াবিশেষ্যজাত বিশেষণ

ক্রিয়াবিভক্তি

Description (বিবরণ) : ক্রিয়ার স্থান ,কাল ও কারণাদির বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতিগত অবস্থা যেসব শব্দ দ্বারা প্রকাশিত হয় তাদের ক্রিয়া-বিশেষণ বলে। যেমন -ধীরে যাও, সুন্দর গায় ইত্যাদি। যে বিশেষ্য ক্রিয়ার কোনো নাম বোঝায় তাকে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন- খাওয়া, যাওয়া, গমন ইত্যাদি।

' রামগরুড়ের ছানা ' কথাটির অর্থ -----

কাল্পনিক জন্তু

গোমড়ামুখো লোক

মুরগি

পুরাণোক্ত পাখি

Description (বিবরণ) :

➀ রামগরুড়ের ছানা কথাটির অর্থ 
→গোমড়ামুখো লোক
-
➁ 'আটকপাল' এর অর্থ 
→হতভাগ্য
-
➂ 'কেউ কাটা' অর্থ 
→সামন্য
-
➃ 'গোবর গণেশ' অর্থ
→মূর্খ
-
➄ 'পুটি মাছের প্রাণ' বলতে বুঝায়
→ক্ষুদ্রপ্রাণ ব্যক্তি

নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?

ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১

২৬ মার্চ, ১৯৭১

ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২

পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত

Description (বিবরণ) : বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে বিভিন্ন বিরাম বা যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন হলো 'কমা' বা 'পাদচ্ছেদ' (,) । বাক্যে 'কমা' বসানোর বিভিন্ন নিয়মের মধ্যে একটি নিয়ম হলো মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর 'কমা' বসাতে হয়। সুতরাং (গ) উত্তরটিতেই যথাযথ বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়নি।