'হ' এর সঙ্গে 'ঋ-কার' যুক্ত হলে যে মহা প্রান ধ্বনি টি হয়-

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: 'হ' এর সঙ্গে 'ঋ-কার' যুক্ত হলে যে মহা প্রান ধ্বনি টি হয়-

ব্যাখ্যা: ‘হ’ এর সঙ্গে ‘র্‍’ (ঋ)-কার, ‘্য’ (র)-ফলা কিংবা ‘র্’ রেফ সংযুক্ত হলে ‘হ’ নয় ‘র’-ই মহাপ্রাণ হয়ে উঠে।


Related Question

বাক্যের মধ্যে প্রথম বন্ধনী চিহ্ন ব্যবহিত হয়-

বাক্য অসমাপ্ত থাকলে

অতিরিক্ত বক্তব্য থাকলে

সমাসবদ্ধ শব্দ হলে

সমার্থক দুটি শব্দের মধ্যে

Description (বিবরণ) : প্রথম বন্ধনীটি বিশেষ ব্যাখ্যামূলক বা অতিরিক্ত কোনো বক্তব্য সংযোজনের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন ত্রিপুরায় (বর্তমানে কুমিল্লা) তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেনের ব্যবহার হয়। একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোলন ব্যবহৃত হয়। সমার্থক দুটি শব্দের মধ্যে কমা বসে।

রবীন্দনাথ রচিত নিচের যে গল্পটির সমাপ্তি বেদনাবিদুর নয়-

অতিথি

পোস্টমাষ্টার

কঙ্কাল

ছুটি

Description (বিবরণ) :
“গল্পটা কেমন লাগিল।”
আমি বলিলাম, “গল্পটি বেশ প্রফুল্লকর।”
এমন সময় প্রথম কাক ডাকিল। জিজ্ঞাসা করিলাম, 
“এখানে আছে কি।” কোনো উত্তর পাইলাম না। ঘরের মধ্যে ভোরের আলো প্রবেশ করিল।
এই হলো ‘কঙ্কাল’ গল্পের শেষ কয়টি লাইন, ‘গল্পটি বেশ প্রফুল্লকর।” এ থেকে বোঝায় যায় গল্পের, শেষ পরিণতি বেদনাবিধুর নয়। অতিথি, পোস্টমাস্টার, ছুটি এর পরিণতি বেদনাবিধুর। এই বেদনা যথাক্রমে চারুশশী ও তারাপদের মাতা ও ভ্রাতাগণ, পোস্টমাস্টার গল্পে ভৃত্যা ও মনিব পোস্টমাস্টারের আর ছুটি গল্পে ফটিকের মায়ের।


'রক্তাশোক' যে সমাসের উদাহরণ-

কর্মধারয়

তৎপুরুষ

বহুব্রীহি

দ্বন্দ

Description (বিবরণ) : যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেস্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়। তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন- রক্তিম যে শোক = রক্তশোক। নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম। শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।

মনীষা শব্দের শঙ্গে বেমানান -

প্রতিভা

বিচক্ষন

এষন

প্রজ্ঞা

Description (বিবরণ) : মনীষা অর্থ প্রজ্ঞা, প্রতিভা, তীক্ষ্নধী, বিচক্ষণ। অন্যদিকে এষণা অর্থ অন্বেষণ, অনুসন্ধান, কামনা, বাসনা, ইচ্ছা।

বিদেশি উপসর্গের দৃষ্টান্ত হলো-

অব

না

ডন

অনা

Description (বিবরণ) : না, ফারসি উপসর্গ। যেমন- নাচার, নারাজ, নামঞ্জুর, নাখোশ, নালায়েক। অব ও অনা যথাক্রম সংস্কৃত ও বাংলা উপসর্গ।

'জাগরিত' শব্দের গঠন হলো-

√জাগ+রিত

√জাগৃ+ ত

√জাগৃ +ইত

√জাগৃ+ত

Description (বিবরণ) : জাগরিত শব্দটি সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়জাত বিশেষণ পদ। এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো- √জাগৃ + ত। অর্থ ১. ঘুম থেকে জেগেছে এমন। ২. জাগ্রত। ৩. চেতনাপ্রাপ্ত।

জীবনানন্দ দাশের কবিতায় ব্যবহিত 'শঙ্খমালা' হলো-

রুপকথার চরিত্র

রোমান্টিক কবি কল্পনা

পূর্বপরিচিতা নারী

কবি জীবন দেবতা

Description (বিবরণ) :
জীবনানন্দ দাশ এর ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে’ নামক কবিতায় কবি ‘শঙ্খমালা’ নামক নারী চরিত্রটি ব্যবহার করেছেন। যেমন- সেখানে হলুদ শাড়ি লেগে থাকে রুপসীর শরীরের পরে-
শঙ্খমালা নাম তার : এ বিশাল পৃথিবীর কোনো নদী ঘাসে
তারে আর খুঁজে তুমি পাবে নাকো-বিশালাক্ষী দিয়েছিল বর, 
তাই-সে-জন্মেছে নীল বাংলার ঘাস আর ধানের ভিতর।


নিচের যে বাক্য সংকোচনটি অশুদ্ধ -

আকাশ ও পৃথীবি= ক্রন্দাসী

অপূর্ব সৃষ্টিশিল ক্ষমতা= প্রতিভা

অতি উচ্চ ক্রূর হাসি= দৃপ্তহাসি

পা থেকে মাথা পর্যন্ত= আপাদমস্তক

'আসমান' শব্দের স এর উচ্চারন হলো-

ওষ্ঠ

দন্তমূলীয়

দন্ত্য

দন্তোষ্ঠ

Description (বিবরণ) : ‘আসমান’ শব্দে ‘স’ এর উচ্চারণ হলো অগ্রদন্তমূল বা দন্ত বর্ণ। দন্ত্য বর্ণ গুলো হলো : ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স। দন্তমূলীয় বর্ণ হলো : ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, র, ড়, ঢ়। ওষ্ঠ্যবর্ণ হলো : প, ফ, ব, ভ, ম।

নিচের যেটি ক্রমবাচক শব্দ-

আটই

চতুর্থ

সতেরো

বাইশে

Description (বিবরণ) : একই সারি, দল বা শ্রেণিতে অবস্থিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সংক্যার ক্রম বা পর‌্যায় বোঝাতে ক্রম বা পূরণবাচক সংখ্যা ব্যবহৃত হয়। যেমন- দ্বিতীয় লোকটিকে ডাক। এরূপ প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ। অনদিকে, ১, ২, ৩ ইত্যাদি অঙ্ক বা সংখ্যাবাচক। এক, দুই, তিন ইত্যাদি গণনাবাচক বা পরিমাণবাচক। পহেলা, দোসরা, তেসরা ইত্যাদি তারিখ বাচক।