কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?

বাক্‌ + দান = বাগদান

উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ

পর + পর = পরস্পর

সম + সার = সংসার

Description (বিবরণ) : কোনো নিয়ম অনুসরণ না করে যখন সন্ধি সাধিত হয় তখন তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে। উপরিউক্ত সন্ধিগুলোর মধ্যে 'পর + পর= পরস্পর 'ছাড়া অন্য সন্ধিগুলো ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে।

Related Question

বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় কোন নাট্যকারের হাতে?

মধুসূদন দত্ত

দীনবন্ধু মিত্র

জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুর

রামনারায়ণ তর্করত্ন

Description (বিবরণ) : উনিশ শতকের গোড়ার দিকে সংস্কৃত নাটকের অনুবাদ শুরু হলেও তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' (১৮৫২) ও রামনারায়ণ তর্করত্নের 'কুলীনকুল সর্বস্ব' (১৮৫৪) নাটক থেকে প্রকৃত পক্ষে বাংলা মৌলিক নাট্যসাহিত্যের সূত্রপাত হয়।

প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয়-----।

উপমিত

উপমান

উপমেয়

রূপক

Description (বিবরণ) : 'উপমান' শব্দের অর্থ 'তুলনীয় বস্তু'। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে অন্য কোনো পরোক্ষ বস্তুর তুলনা করা হলে ঐ প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে 'উপমেয়' বলা হয়। পক্ষান্তরে , যার সাথে উপমা দেয়া হয় বা তুলনা করা হয় তাকে 'উপমান' বেল। যেমন - 'পদ্মআঁখি' শব্দটিতে পদ্মের সাথে আখিঁর উপমা দেয়া হয়েছে। সুতরাং 'পদ্ম' উপমান এবং আঁখি' উপমেয়। 'উপমান' ও 'উপমেয়' পদের সমাস হলে যদি উপমেয়ের অর্থ প্রধান রুপে প্রতীয়মান হয় তাকে উপমিত সমাস হলে। যেমন - পুরুষ সিংহের ন্যায়= পুরুষসিংহ এবং যে স্থলে উপমান ও উপমেয় সমাস হয়েছে এবং উভয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে তাকে রুপক সমাস বলে। যেমন- ফুল রুপ কুমারী = ফুলকুমারী।

' পাখি সব করে রব রাত্রি পহাইল' পঙ্‌ক্তির রচয়িতা -----।

রামনারায়ণ তর্করত্ন

বিহারী লাল

কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

মদনমোহন তর্কালংকার

Description (বিবরণ) : পংক্তিটির রচিয়িতা মদনমোহন তর্কালঙ্কার (১৮১৭-১৮৫৮) ।'শিুশু শিক্ষা' (১ম ও ২য় ভাগ -১৮৪৯ এবং ৩য় ভাগ-১৮৫০) নামক শিশুতোষ গ্রন্থ রচনা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। 'পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল, পংক্তিটি এ গ্রন্থের প্রথমভাগের একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা।

' আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' ---এর রচয়িতা কে?

সিকান্‌দার আবু জাফর

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

ফররুখ আহমদ

আহসান হাবীব

Description (বিবরণ) : 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি'- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এ লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে 'সাতনরী হার' কখনও রং কখনও সুর' কমলের চোখ' সহিষ্ণু প্রতিক্ষা' 'প্রেমের কবিতা' নির্বাচিত কবিতা' ইত্যাদি।

' জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি' সহ্য করতে পারতেন না -----

বঙ্কিমচন্দ্র

সৈয়দ মুজতবা আলী

প্রমথ চৌধুরী

প্রমথনাথ বিশী

Description (বিবরণ) : 'জ্যাঠামি ' শব্দের অর্থ বাচালতা, পাকামি, অকালপক্বতা ইত্যাদি আর 'ন্যাকামি শব্দের অর্থ -সারল্য বা সাধুলতা ভানকারী ,অজ্ঞতার ভবন ইত্যাদি । বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী ছিলেন মার্জিত নাগরিক রুচি, প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও অপূর্ব বাক -চাতুর্যের অধিকারী। সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তার মত হলো- 'সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা , কার ও মনোরঞ্জন নয়। সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়।

' এ মাটি সোনার বাড়া' ---- এ উদ্ধৃতিতে 'সোনা' কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে?

বিশেষণের অতিশায়ন

রূপবাচক বিশেষণ

উপাদান বাচক বিশেষণ

বিধেয় বিশেষণ

Description (বিবরণ) : বিশেষণ পদ যখন দুই বা ততোধিক বিশেষ্য পদের মধ্যে গুণ, অবস্থা ,পরিমাণ প্রভৃতি বিষয়ে তুলনায় একের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ বুঝিয়ে থাকে তাকে 'বিশেষণের অতিশায়ন' বলে। এ মাটি সোনার বাড়া' শব্দটি খাঁটি বাংলা শব্দের অতিশায়ন। এখানে মাটিকে সোনার চেয়ে বড় বা মূল্যবান মনে করা হয়েছে।