ইউরোপের ককপিট বলা হয় কোন দেশকে?

বেলজিয়াম

ফ্রান্স

জার্মানী

ফিনল্যান্ড

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: ইউরোপের ককপিট বলা হয় কোন দেশকে?

ব্যাখ্যা: প্রায়ই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এরুপ স্থানকে ককপিট বলা হয়। বেলজিয়ামকে ইউরোপের ককপিট বা ইউরোপের সমরক্ষেত্র বা রণক্ষেত্র বলা হয়, কারণ এখানে অডেন আর্দে , রামিল্লিস, ফন্টেনোই ফ্লেউরাস, জেম্মাপেস, লিগনি কোয়াটেরে ব্রাস এবং বিখ্যাত ওয়াটুর লু যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ফিনল্যান্ডকে বলা হয় হাজার দ্বীপের দেশ বা হাজার হ্রদের দেশ।


Related Question

বিশ্বের কোন দেশের সাক্ষরতার হার ১০০%?

পোল্যান্ড

ফিনল্যান্ড

কাজাকিস্তান

স্লোভাকিয়া

Description (বিবরণ) : UNDP প্রকাশিত মানব উন্নয়ন রিপোর্ট ২০১৪ অনুসারে সাক্ষরতার হার ১০০% -এর দেশ (২৫+ বছর বয়সী) কানাডা, অস্ট্রিয়া, লুক্সেমবার্গ , এস্তােনিয়া ও ফিনল্যান্ড।)

রেফ্রিজারেটরে কমপ্রেসরের কাজ কি?

ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা

ফ্রেয়নকে বাষ্পে পরিণত করা

ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো

ফ্রেয়নকে ঠাণ্ডা করা

Description (বিবরণ) : রেফ্রিজারেটরের মধ্যে একটি শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থাকে, যাকে ঘিরে থাকে ফাঁপা নলের তৈরি বাষ্পীভবন কুণ্ডলী। এই কুণ্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন থাকে এবং এক একটি সংকোচন পাম্প বা কমপ্রেসর চালু করা হলে নলের ভিতরের চাপ কমে যাওয়ায় ফ্রেয়ন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়। ফ্রেয়ন বাষ্পীভূত হওয়ার সময় বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থেকে নেয় বলে এখানে শীতলীকরণ ঘটে। পরবর্তীকালে বাষ্পীভূত ফ্রেয়নকে গনীভূবন কুণ্ডলীর মধ্যে এনে কমপ্রেসরের সাহায্যে সঙ্কুচিত বা ঘনীভূত করে পুনরায় তরলে পরিণত করা এবং ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা এই উভয় কাজই কমপ্রেসর করে থাকে। তবে কমপ্রেসরের প্রধান কাজ হলো ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা।

এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি হতে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে কত তাপের প্রয়োজন?

১০ ক্যালরি

২ ক্যালরি

৩ ক্যালরি

৪ ক্যালরি

Description (বিবরণ) : আমরা জানি, কোনো বস্তুর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ = বস্তুর ভর গুন আপেক্ষিক তা গুন তাপমাত্রার পার্থক্য । এখানে, পানির ভর =১ গ্রাম, আপেক্ষিক তাপ =১ ক্যালরি /গ্রাম /ডিগ্রী সেলসিয়াস = ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস । .'. প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ = ১ গুন ১ গুন ১০ ক্যালরি = ১০ ক্যালরি । কাজেই প্রদত্ত উত্তরগুলোর মধ্যে কোনোটিই সঠিক নয়।

কোন শব্দ শোনার পরে কত সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে?

১ সেকেন্ড

০.১ সেকেন্ড

০.০১ সেকেন্ড

০.০০১ সেকেন্ড

Description (বিবরণ) : কোনো শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। কোনো শব্দ শোনার পর যদি ০.১ সেকেন্ডের মধ্যে আরেকটি শব্দ আমাদের কানে এস পৌঁছায় তবে আমাদের মস্তিষ্ক দুটি শব্দ আলাদাভাবে শনাক্ত করতে বা বুঝতে পারে না।

টেপ রেকর্ডার এবং কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় কি ধরনের চুম্বক ব্যবহৃত হয়?

স্থায়ী চুম্বক

অস্থায়ী চুম্বক

সংকর চুম্বক

প্রাকৃতিক চুম্বক

Description (বিবরণ) : টেপ রেকর্ডার এবং কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক ব্যবহৃত হয় । এই সিরামিক চুম্বক হচ্ছে এক ধরনের স্থায়ী চুম্বক বা আয়রন অক্সাইড ও বেরিয়াম অক্সাইডের মিশ্রণে তৈরি ফেরাইট (Ferrite ) নামক যৌগিক পদার্থ দ্বারা গঠিত।

টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্যে কয়টি মৌলিক রং- এর ছবি ব্যবহার করা হয়?

১ টি

২ টি

৩ টি

৪ টি

Description (বিবরণ) : আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত যে অসংখ্য রঙের বস্তু দেখতে পাই , সেই রঙগুলোর প্রতিটিই তিনটি মূল বা মৌলিক রঙ দ্বারা সৃষ্ট। এ রঙ তিনটি হচ্ছে: লাল, সবুজ ও নীল এবং এ তিনটি রঙকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান সকল রঙই তৈরি করা সম্ভব। এজন্যই টেলিভিশনে বিভিন্ন রঙের রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহার করা হয়।

যে যন্ত্রের সাহায্যে পরবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা হয় তার নাম কি?

ট্রান্সফর্মার

মোটর

জেনারেটর

ডায়নামো

Description (বিবরণ) : যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার (Transformer) বা রুপান্তর বলে। আবার যে যন্ত্রের সাহায্যে বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তর করা যায়, তাকে বৈদ্যুতিক মটর বলে। অপরদিকে , যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তর করা যায়, তাকে জেনারেটর (Generator ) বা ডায়নামো (Dynamo) বলে।

বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়?

ওয়াট আওয়ারে

ওয়াটে

ভোল্টে

কিলোওয়াট ঘণ্টায়

Description (বিবরণ) : প্রতি সেকেন্ড এক কিলোওয়াট হারে এক ঘণ্টায় যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রুপান্তরিত হয় বা ব্যয় হয় তাকে এক কিলোওয়াট ঘণ্টা বলা হয়। তড়িৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ বিলের হিসাব করে কিলোওয়াট ঘণ্টা এককে। বাণিজ্যিকভাবে এক 'বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট ' (B.O.T Unit) বা সংক্ষেপে শুধু 'ইউনিট ' বলা হয় থাকে।

কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হত না?

গ্লিসারিন

ফিটকিরি

সোডিয়াম ক্লোরাইড

ক্যালসিয়াম কার্বনেট

Description (বিবরণ) : রসায়ন বিদ্যা থেকে আমরা জানি যে, ক্ষার ধাতু ব্যতীত অন্যান্য ধাতুসমূহের কার্বনেট লবণ পানিতে অদ্রবণীয়। ক্যালসিয়াম (Ca) ক্ষার ধাতু নয়, এটি একটি মৃৎক্ষার ধাতু। সুতরাং ক্যালসিয়ামের কার্বনেট লবণ বা ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় অর্থাৎ পানিতে দ্রবীভূত হয় না। অপরদিকে গ্লিসারিন ,ফিটকিরি ও সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) বা খাবার লবণ এদের প্রত্যেকেই পানিতে দ্রবণীয়।

পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?

সোডিয়াম

পটাসিয়াম

ম্যাগনেসিয়াম

কোনোটিই নয়

Description (বিবরণ) : পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে ক্ষার ধাতু ব্যবহার করা হয়। কারণ ক্ষার ধাতুসমূহের তাপ পরিবাহকতা ও তাপ স্থানান্তর করার ক্ষমতা বেশি। এছাড়াও ক্ষার ধাতুসমূহ নিম্ন গলনাঙ্ক ও অতি উচ্চাতপ স্থানান্তর সহগ বিশিষ্ট। সোডিয়াম একটি ক্ষার ধাতু যা পারমাণবিক চুল্লির জন্য অতি উপযোগী তাপ স্থানান্তরকারী বা তাপ পরিবাহক পদার্থ । তাই পারমাণবিক চুল্লিতে উৎপাদিত তাপকে প্রশিমিত করার জন্য সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।