সাধু ভাষা সাধারনত কোথায় অনুপযোগী?

কবিতা পঙক্তিতে

গানের কলিতে

গল্পের বর্ণনায়

নাটকের সংলাপে

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: সাধু ভাষা সাধারনত কোথায় অনুপযোগী?

ব্যাখ্যা:

বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ; এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত। সাধু ভাষা অনেকটা ধ্রুপদী বৈশিষ্ট্যের এবং চলিত ভাষা সর্বসাধারণের জীবন-ঘনিষ্ঠ। ভাষার এই দ্বিধারিক প্রপঞ্চকে বলা হয় দ্বি-ভাষারীতি।

সাধু ভাষার বাক্যরীতি অনেকটা সুনির্ধারিত। এ ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। এতে সর্বনাম, ক্রিয়াপদ প্রভৃতির রূপ মৌখিক ভাষার রূপ অপেক্ষা পূর্ণতর। চলিত ভাষা সর্বদাই নতুন নতুন ধ্বনি-পরিবর্তন করে। কিন্তু সাধু ভাষায় শব্দের রূপান্তর খুব বেশি দেখা যায় না। যেমন, চলিত ভাষায় স্বরসঙ্গতি ও অভিশ্রুতির প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়, কিন্তু সাধু ভাষায় তেমনটা দেখা যায় না। চলিত ভাষা অপেক্ষাকৃত চটুল এবং সাধু ভাষা গম্ভীর; তবে ব্যঙ্গরচনা বা রম্যরচনায় চলিত ভাষার মতো সাধু ভাষারও সফল ব্যবহার হতে পারে। অন্যদিকে সাধু ভাষায় আছে এক রকম স্বাভাবিক আভিজাত্য ও ঋজুতা।


Related Question

সঠিক বানান কোনটি?

মরীচিকা

মরীচিকা

মরিচীকা

মরিচিকা

Description (বিবরণ) :

পূর্ণ প্রতিফলনের জন্য উষ্ণ মরুভূমি এলাকায় আর শীতপ্রধান দেশের মেরু অঞ্চলে দূরের বস্তু সম্বন্ধে যে দৃষ্টিভ্রম তৈরি হয় তাকে বলে মরীচিকা। মরুভূমিতে দিনের বেলায় প্রচণ্ড সূর্যতাপে বালির কাছাকাছি থাকা বায়ুর স্তর সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যত উপরে ওঠা যায়, তাপ ততই কমে। উত্তপ্ত হাওয়ায় বায়ুর আয়তন বাড়ে আর ঘনত্ব কমে। একেবারে নিচে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে কম, যত উপরে ওঠা যায় ঘনত্ব তত বাড়ে। এতে বায়ুস্তরের প্রতিসরাঙ্ক উপর থেকে নিচের স্তরের দিকে ক্রমশ কমে আসে। এভাবে একসময় আলোকরশ্মি দর্শকের চোখে মনে হবে যেন বালিস্তরের নিচের কোন জায়গা থেকে আসছে, প্রতিবিম্বও উল্টো কাঁপা কাঁপা। গাছের উল্টো প্রতিবিম্ব দেখায় দর্শকদের মনে হবে গাছের সামনে কোনো জলাশয় রয়েছে। গাছের কাছে গেলে দেখা যাবে পুরো বিষয়টি দৃষ্টিভ্রম। এ অবস্থাকেই মরীকিচা বলা হয়।

মন্সামঙ্গল' কাব্যের একজন প্রধান রচয়িতা হলেন-

দ্বিজ মাধব

রামদাস আদক

ময়ুর ভট্ট

বিজয় গুপ্ত

Description (বিবরণ) :

মনসামঙ্গলের একজন সর্বাধিক প্রচারিত কবি হিসাবে বিজয়গুপ্ত-এর খ্যাতি। তার মনসামঙ্গল (বা পদ্মাপুরাণ) বাংলার জনপ্রিয় কাব্যগুলির মধ্য অন্যতম। গল্পরস সৃজনে, করুণরস ও হাস্যরসের প্রয়োগে, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক জীবনের পরিচয়ে, চরিত্র চিত্রণে এবং পাণ্ডিত্যের গুণে বিজয়গুপ্তের পদ্মাপুরাণ একটি জনপ্রিয় কাব্য। বিজয়গুপ্তের পূর্বে আমরা পাই আদি মঙ্গল কবি কানাহরি দত্ত ও বিপ্রদাস পিপলাইকে

' নকঈ কাঁথার মাঠ' কাব্যের নাকিয়ার নাম-

মধুমালা

রুপাই

সাজু

দুলী

Description (বিবরণ) :

নকশী কাঁথার মাঠ ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য আখ্যানকাব্য। বাংলা ভাষায় রচিত এই আখ্যানকাব্যের লেখক বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীম উদ্দীন। বাংলা কবিতার জগতে যখন ইউরোপীয় ধাঁচের আধুনিকতার আন্দোলন চলছিল তখন প্রকাশিত এই কাব্যকাহিনী ঐতিহ্যগত ধারার শক্তিমত্তাকে পুনঃপ্রতিপন্ন করে। এটি জসীমউদদীনের একটি অমর সৃষ্টি হিসাবে বিবেচিত। কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে অনুবাদিত হয়ে বিশ্বপাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল। নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ যুবক-যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী। এই দুজনই ছিলেন বাস্তব চরিত্র।

'ষ্ণ; সংযুক্ত ব্যাঞ্জন বর্ণটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?

ষ + ঞ

ষ্ + ঞ

ষ + ণ

ষ + ম

Description (বিবরণ) :
  1. ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্ক
  2. ষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়
  3. ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট
  4. ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্য
  5. ষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্র
  6. ষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ
  7. ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূত
  8. ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণ
  9. ষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ
  10. ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজন

বাংলা গদ্য কোন যুগের ভাষার নিদর্শন?

আধুনিক যুগ

মধ্যযুগ

মধ্য বর্তমান যুগ

প্রাচীন যুগ

Description (বিবরণ) :

চিঠিপত্র লেখা এবং দলিল-দস্তাবেজ লেখার প্রয়োজনে বাংলা গদ্যের সূত্রপাত। দলিল-দস্তাবেজ ইত্যাদি সংস্কৃত ও পার্সি - এই দুই ভাষার প্রভাবে পরিকীর্ণ। আদি সাহিত্যিক গদ্যে কথ্যভাষার প্রতিফলন সুস্পষ্ট। পর্তুগীজ ধর্মপ্রচারক মানোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ-এর রচনা রীতি বাংলা গদ্যের অন্যতম আদি নিদর্শন।

'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অক্ষয় কুমার দত্ত

বুদ্ধদেব বসু

প্রমথ চৌধুরী

Description (বিবরণ) :

1.'সবুজপত্রপত্রিকার সম্পাদক - প্রমথ চৌধুরী

2. 'সবুজপত্রপত্রিকা প্রকাশিত হয় - ১৯১৪ সালে

3. প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবলী' রীতির প্রচার মাধ্যম হিসাবে যে  পত্রিকা ভূমিকা রাখে - সবুজপত্র

 4. বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলনে যে পত্রিকার অবদান বেশি -  সবুজপত্র ।

'লাঠালাঠি' এটি কোন সমাস?

প্রাদি

তৎপুরুষ

কর্মধারয়

ব্যাতিহার বহুব্রীহি

Description (বিবরণ) :

ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়। যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ= হাতাহাতি, কানে কানে যে কথা= কানাকানি। এরূপ- চুলাচুলি, কাড়াকাড়ি, গালাগালি, দেখাদেখি, কোলাকুলি, লাঠালাঠি, হাসাহাসি, গুঁতাগুঁতি, ঘুষাঘুষি ইত্যাদি।

‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্যপদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে ?

দ্বন্দ্ব

দ্বিগু

কর্মধারয়

বহুব্রীহি

Description (বিবরণ) :

সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।

তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধার‍য় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বৈয়াকরণ পাণিনি তাঁর 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণে দ্বিগু সমাসকে অর্থ ও পদ সন্নিবেশের ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। দ্বিগু সমাসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- i) তদ্বিতার্থক দ্বিগু ii) সমাহার দ্বিগু

‘প্রসূন’ এর প্রতিশব্দ ?

ভ্রমর

পক্ষী

পুষ্প

ফল

Description (বিবরণ) :

প্রসূন - [বিশেষ্য পদ] ফুল, মুকুল।

কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় 'কালাপাহাড়'--কে স্মরণ করেছেন কেন?

ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে

ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে

প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে

প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে

Description (বিবরণ) : 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'মানুষ' কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যারা পবিত্র উপাসনালয়ের দরজা বন্ধ করে , তাদের ধ্বংসের জন্য কালাপাহাড়কে স্বরণ করেছেন। তাইতো কাজী নজরুল লিখেছেন, মোল্লা পুরুত লাগয়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!' কোথা চেঙ্গিস' গজনি মামুদ, কোথায় কালাপাহাড় ? ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া দ্বার! 'কালাপাহাড়' ছিলেন বাংলা ও বিহারের সন্তান ছিলেন এবং নিয়মিত বিষ্ণু পূজা করতেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। ১৫৬৮ সালে পুরীর জগন্নাত দেবের মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও বিগ্রহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। আর তখন থেকেই তিনি 'কালাপাহাড়' নামে পরিচিত।