ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম ?

প্রমথ চৌধুরী

মোহিতলাল মজুমদার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রামমোহন

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম ?

ব্যাখ্যা:

বাংলা সাহিত্যে অনেক সাহিত্যিককে তাদের সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে  ছদ্মনাম ব্যবহার করতে দেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ‘ভানুসিংহ’। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’। মোহিত লাল মজুমদারের ছদ্মনাম কৃত্তিবাস ওঝা ও সত্যসুন্দর দাস। অন্যদিকে, সমাজ সংস্কারক রামমোহন রায় দিল্লির বাদশাহ কর্তৃক ‘রাজা’ উপাধি লাভ করেন।


Related Question

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধানত কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন ?

কবি

ঐতিহাসিক

সমাজ সংস্কারক

ভাষাতত্ত্ববিদ

Description (বিবরণ) :

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক, অনুবাদক,চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যারা অবদান রেখেছেন, তাদের মধ্যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অন্যতম। জন্ম : ১০ জুলাই ১৮৮৫, পশ্চিমবঙ্গের পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে।

বিহারীলাল চক্রবর্তীকে কে ভোরের পাখি বলেছেন?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাজী নজরুল ইসলাম

বিদ্যাসাগর

শরৎচন্দ্র

Description (বিবরণ) :

গীতি কবিতার ক্ষেত্রে বরীন্দ্রনাথের গুরু বিহারীলাল চক্রবর্তী প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করে বাংলা কবিতাকে নতুন এক প্রেরণা দান করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গীতি কবিতার স্রষ্টা। তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে ‘ ভোরের পাখি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

”কবর” নাটক কার রচনা?

হুমায়ুন আহমেদ

মুনীর চৌধুরী

মামুনুর রশিদ

আল মামুন

Description (বিবরণ) :

শিক্ষাবিদ, নাটকার, সমালোচক ও বাগ্মী চৌধুরী (১৯২৫-১৯৭১ খ্রি.) ‘কবর’ (১৯৬৬) নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচনা করেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক হলো-‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ (১৯৬২),‘চিঠি’ (১৯৬৬), ‘দপ্তকারণ্য’ (১৯৬৬) ইত্যাদি।

কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?

পদ্মবতী

মহাশ্মশান

শেষের কবিতা

রক্তাক্ত প্রান্তর

Description (বিবরণ) :

‘শেষের কবিতা’ (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস যেটি ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৮ সালে। অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ এই উপন্যাসের চরিত্র। উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদাা পেয়েছে। যেমন : ‘ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী’। ‘কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও’-এই কবিতা দিয়ে উপন্যাসটি শেষ হয়েছেন।

”অচলা” শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসের নায়িকা?

দত্তা

দেনা পাওনা

গৃহদাহ

চরিত্রহীন

Description (বিবরণ) :

অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘গৃহদাহ’। উপন্যাসটি ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। মহিম ও সুরেশের প্রতি অচলার আকর্ষণ - বিকর্ষণ এই উপন্যাসের মূল উপকরণ। বিবাহ - বহির্ভূত কথিত অসামাজিক প্রেমের কাহিনী এ উপন্যাস নিখুঁত ঘটনা সংস্থানে ও বর্ণনার মনস্তাত্ত্বিক সূক্ষ্নতার দ্বারা আলোচিত হয়ে উঠেছে।  

”চাচা কাহিনীর” লেখক কে?

সৈয়দ শামসুল হক

মুজতবা আলী

শওকত ওসমান

ফররুখ আহমেদ

Description (বিবরণ) :

ক. আধুনিক কবি -সাহিত্যিকদের মধ্যে সৈয়দ শামসুল হক অন্যতম। তার বিখ্যাত গ্রস্থ ‘নিষিদ্ধ লোবান’। গ. শওকত ওসমানের বিখ্যাত গ্রস্থ ‘ক্রীতদাসের হাসি’। খ. সরস, মাজিত, বৃদ্ধিদীপ্ত সাহিত্য ধারার প্রবর্তক ষৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ - রসকিতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। ‘চাচ কাহিনী’ (১৯৫৯) তার বিখ্যাত গ্রস্থ। ঘ. মুসলিম রেঁনেসার কবি ফররুখ আহমদ। তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রস্থ ‘সাত সাগেরের মাঝি’ (১৯৪৪)।  

বাংলা সাহিত্যের আদিগ্রন্থ কোনটি?

শ্রীকৃষ্ণ বিজয়

শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন

শুন্য পূরাণ‘

চর্যাপদ

Description (বিবরণ) :

বাংলা সাহি্ত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ। সে হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম গ্রস্থ। ‘চর্যাপদ’ হলো গানের সংকলন, যা রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রস্থশালা থেকে ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে ‘চর্যাপদ’ আবিস্কার করনে। ‘শূন্যপুরাণ’ রামাইপগিুত রচিত মধ্যযুগের প্রথম দিককার বৌদ্ধ ধর্মীয় গ্রস্থ।

বাংলা কবিতার ছন্দ প্রধানত কত প্রকার?

এক

দুই

তিন

চার

Description (বিবরণ) :

বাক্য পরস্পরায় ভাষাগত ধ্বনি প্রবাহের সুসামঞ্জস্য, সঙ্গীত-মধুর ও তরঙ্গ-ঝম্কুত ভঙ্গি রচনা করা হয় যে পরিমিত পদবিন্যাস রীতিতে তাকেই বলে ছন্দ। বাংলা ছন্দকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়- মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (Moric Metre), স্বরবৃত্ত ছন্দ (Stressed Metre) এবং অক্ষয়বৃত্ত ছন্দ (Mixed or Composite Metre) মাত্রাবৃত্ত ছন্দ হলো ধ্বনি প্রধান, ধ্বনিমাত্রিক, বিস্তার-প্রধান বা দুর্বল ভঙ্গির ছন্দ। স্বরবৃত্ত ছন্দ হলো বলবৃত্ত, বলপ্রধান, স্বরাঘাতপ্রধান, শ্বাসাঘাদপ্রধান , ছড়ার ছন্দ. লৌকিক ছন্দ বা প্রবল ভঙ্গির ছন্দ। আবার অক্ষরবৃত্ত ছন্দ হলো তানপ্রধান, অক্ষরমাত্রিক, মিশ্র প্রকৃতির, সস্কোচ প্রধান বা সাধারণ ভঙ্গির ছন্দ।

”জয়গুন” কোন উপন্যাসের চরিত্র?

সূর্যদীঘল বাড়ি

সারেং বউ

মৃত্যু ক্ষুধা

চাঁদের আমবস্যা

Description (বিবরণ) :

১৯৫৫ সালে সৃর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের গ্রামজীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রস্থটি । বিশেষত গ্রামীণ মুসলমান জীবনের বিশ্বস্ত এবং আন্তরিক পরিচয় সমকালীন বাংলা সাহিত্যে বিরল । প্রকাশের অব্যবহিত পর থেকে বাস্তব চিত্রন, চরিত্রোয়নের স্বাভাবিকতা ও প্রকাশ ভঙ্গিরি ঋজুতার জন্য উপন্যাসটি সমালোচক ও পাঠকসমাজে সমাদৃত হয়েছে । জয়গুনদের বাড়িটিতে রাতে কথিত ভূতের ঢিল পড়ে। বাড়িটিতে নিভর্য়ে থাকা যায় না। তাই সূর্য-দীঘল বাড়ি অমঙ্গলের প্রতীকে পরিণত হয়। উপন্যাসে গ্রামের মানুষের দারিদ্র্য,  কুসংক্কার, মোড়ল ও মোল্লাদের দৌরাত্ম্য, হৃদয়হীনা তুলে ধরা হয়েছে, যে কারণে এটি হয়ে উঠেছে গ্রামীণ জীবনের যথার্থ উপস্থাপনা । উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র : জয়গুন, তার ছেলে হাসু, মেয়ে মায়মুন, শফি, ডা. রমেশ চক্রবতী: মোড়ল গদু প্রধান ।

”মহুয়া পালা” কে রচনা করেছেন?

দ্বিজকানাই

মনসুর বয়াতী

গরীবউল্লাহ

নয়ন চাঁদ ঘোষ

Description (বিবরণ) :

নমশূররদের ব্রাহ্মণ কবি দ্বিজ কানাই ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে মহুয়া পালা রচনা করেন বলে অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সেনের ধারণা । এই পালা কাহিনীর সঙ্গে কবির ব্যক্তিগত প্রেমবঞ্চনার বেদনার সাদৃশ্য রয়েছে। ভবঘুরে বেদে দল বামনকান্দা গ্রামে এসে উপস্থিত হয়। ঐ গ্রামের জমিদার নদের চাঁদ মহুয়ার রূপে মুগ্ধ হয়ে বেদে দলকে গ্রামে থাকার জায়গা ও চাষের জমি দেন। এক সময় মহুয়া ও  হুমরা বেদে এ সম্পর্কের কথা জানতে পেরে এ সম্পর্ক অস্বীকার করেন ।