”আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে” কার রচনা?

কানাহরিদত্ত

ভারত চন্দ্র

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাজী নজরুল ইসলাম

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: ”আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে” কার রচনা?

ব্যাখ্যা:

মধুযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মঙ্গল কাব্যধারার শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি বিখ্যাত উক্তি এটি। উক্তিটি করেছিল ঈশ্বরী পাটনী।


Related Question

কোনটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা?

নৌকা ডুবি

গোরা

ঘরে বাইরে

বিষবৃক্ষ

Description (বিবরণ) :

বস্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস ‘বিষবৃক্ষ (১৮৭৩)। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় সমস্যার সঙ্গে বিধবা বিবাহ, পুরুষের একাধিক বিবাহ, তাদের রূপতৃষ্ণা ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মাল ও অধিকারবোধ প্রভূতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বাংলা উপন্যাসে বিষবৃক্ষের প্রভাব অত্যন্ত গভীর । চরিত্রায়নে, ঘটনা সংস্থানে এবং জীবনের কঠিন সমস্যার রূপায়নে ‘বিষবৃক্ষ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু দিবস কোনটি?

২২ শ্রাবণ

২৩ শ্রাবণ

২৪ শ্রাবণ

২৫ শ্রাবণ

Description (বিবরণ) :

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বংলা সাহিতোর সর্বশ্রেষ্ঠ কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, প্রবন্ধকার, শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ, নাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, ছিলেন । ৭ মে ১৮৬১ (২৫ বৈশাখ, ১২৬৮) কলকাতার এবং সারদা দেবী । তার কবিপ্রতিভা বিশ্বন্বীকৃতি অজর্ন করে ১৯১৩ সালে নোবেল প্ররক্কার পুরস্কার মাধ্যমে তিনি ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮) মৃত্যুবরণ করেনা ।

”বীরবল” কার ছদ্ম নাম?

কাজী নজরুল ইসলাম

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রমথ চৌধুরী

ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

Description (বিবরণ) :

প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' নামে পরিচিত । তিনি 'সবুজপত্র' (১৯১৪) পত্রিকার সম্পাদক বাংলা গদ্যে নব্য রীতির প্রবর্তন করেন। প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে চালিত রীতির প্রবর্তন। তিনি নিজস্ব ধারায় সনেট লিখেছেন । ৭ আগস্ট ১৮৬৮ যশোরে তার জনা তিনি বাংলা কাব্যসাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক হিসেবে খ্যাত । কাব্যগ্রস্থ : সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩), পদচারণ (১৯১৯) । গল্পগ্রস্থ : চার ইয়ারি কথা (১৯১৬), আহুতি (১৯১৯), নীললোহিত ও গল্পসংগহ (১৯৪১)। স্বশিক্ষিত' এবং 'ব্যাধিই সংক্রামক স্বাস্থ্য নয়’। ২ সেপ্টেছর ১৯৪৬ (১৬ ভাদ্র ১৩৫৩) শান্তিনিকেতনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রভাবে রচিত উপন্যাস কোনটি ?

যোগাযোগ

নন্দিত নরকে

আগুনের পরশমনি

ব্যাথার দান

Description (বিবরণ) :

ঢাকায় গেরিলা অপারেশনের দুঃসাহাসিক বর্ণনা, গেরিলাদের গোপন তৎপরতা, স্বাধীনতা সমর্থনকারী ও  বিরোধিতাকারী কিছু চরিত্র উপস্থাপন করে ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ রচনা করেন মুক্তিযুদ্ধভিতিক উপন্যাস ‘আগনের পরশমণি'। অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেন মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই উপন্যাসটির কাহিনী শুরু হয়েছে। বদিউলের সঙ্গে ঐ ভদ্রলোকের কন্যার মানবিক দুর্বলতা প্রকাশিত হয় যুদ্ধকালীীন পরিবেশেই।

”স্বাধীনতা তুমি, রবি ঠাকুরের অজর কবিতা” - কথাটি করা রচনা ?

রফিক আজাদ

প্রেমেন্দ্র মিত্র

কামিনীরায়

শামসুর রাহমান

Description (বিবরণ) :

কৰি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৪ অক্টোবর মাহুত্টুলী, ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন । তার ডাক নাম বাচ্চু। তার পৈতৃক নিবাস বতর্মান নরসিংদী জেলার রায়পুরার পাড়াতলি গ্রামে । মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি লিখতেন 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে । তার রচিত বিখ্যাত দুটি কাবিতার নাম 'স্বাধীনতা তুমি'ও ‘তিমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা।

বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ কতটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে?

তিন

চার

পাঁচ

ছয়

Description (বিবরণ) :

উচ্চারণ স্থান অনুসারে বাংলা ভাষার ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে ৫টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে । যথা: ক. কণ্ঠ বা জিহবামূলীয়: খ. তালব্য বা অগ্রতালুজাত; গ  ‍মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্ডমূলীয়; ঘ. দত্ত বা অগ্রদন্তমূলীয়; ঙ, ওষ্ঠ্য বর্ণ ।

নিচের কোনট তৎসম শব্দ নয়?

হারাম

চন্দ্র

নক্ষত্র

সূর্য

Description (বিবরণ) :

যেসব শষ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনোরূপ পরিবর্তন ছাড়াই সরাসারি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। এখানে চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র প্রতেকে তৎসম শব্দ । অন্যাদিকে ‘হারামৎ আরবি শব্দ ।

”মনীষা” শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

মন+ইষা

মনস+ঈষা

মন+ঈষা

মনস+ইষা

Description (বিবরণ) :

কিছু সন্ধি আছে যাদেরকে কোনো নিয়মে ফেলা যায় না। সেসব সন্ধিকে বলা হয় নিপাতনে সিন্ধ সন্ধি। ‘মনীষা’ নিপাতনে সিন্ধ সন্ধি। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘মনস+ঈষা’। এরূপ আরও কিছু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো: কুলটা + কুল + অটা, গবাক্ষ = গো + অক্ষ, সীমান্ত = সীমা +- অন্ত।

বাংলা ভাষায় তৎসম উপসর্গ কতটি?

আঠার

উনিশ

বিশ

একুশ

Description (বিবরণ) :

যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত অপ, সম্, নি, অনু, অব, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।

সঠিক বাক্য সংকোচন “বাচাল” এর পুরো বাক্য কোনটি?

যেখানে বেশি বলা হয়েছে

যে বেশি কথা বলে

বেশি গল্প বলে

যেখানে বেশি লোক আছেন

Description (বিবরণ) :

একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বলে। বাক্য  তথা ভাষাকে সুন্দর, সাবলীল ও ভাষার অর্থ প্রকাশের দীগুকে সমুজ্জ্বল করার জন্য বাক্য সংকোচন অতীব গুরুত্বপূর্ণ।