উদ্দীপকের কাশেমের কাজের সাথে প্রজনন শিল্পের সাদৃশ্য রয়েছে। যে শিল্পের উৎপাদিত সামগ্রী পুনরায় উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয় তাকে প্রজনন শিল্প বলে। নার্সারিতে সৃষ্ট চারা পরবর্তীতে গাছ ও ফলমূল উৎপাদন করে, পোল্ট্রি ফার্মে ডিম বা বাচ্চা উৎপাতি হয়, হ্যাচারিতে মাছের পোনা উৎপাদিত হয় যার সব কিছুই পরবর্তী উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের ভোগের উপযোগী পণ্যের সৃষ্টি করে থাকে। অর্থাৎ প্রজনন শিল্পের মাধ্যমে গাছপালা ও প্রাণীর বংশ বৃদ্ধি করা যায়।
উদ্দীপকে কাশেম বি.কম পাস করার পর নিজস্ব জমিতে ধান চাষ শুরু করে আয়-উপার্জন শুরু করেন। ধান চাষে ভালো করায় তিনি ২টি পুকুরে মৎস্য চাষ শুরু করেন। এতে করে তার আয় বৃদ্ধি পেতে থাকে। তিনি তার খামারে গ্রামের অল্প শিক্ষিত বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অধিক পরিমান উৎপাদন করতে পারছেন। আর তার এসকল কর্মকান্ডগুলো ব্যবসায়ের প্রজনন শিল্প হিসেবে পরিচিত। তাই বলা যায়, কাশেমের মৎস্য চাষের কাজটি প্রজনন শিল্পের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে।
Related Question
View Allমুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন ও বন্টন সহ সকল, ঝুঁকিবহুল, ধারাবাহিক এবং বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসা বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশাজীবী গ্রাহকদের প্রয়োজন পূরণের সামর্থ্য কোন কাজ বা সুবিধা প্রদানকে প্রত্যক্ষ সেবা বলে।
সামাজিক ব্যবসায় হল নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত একশ্রেণীর অর্থনৈতিক প্রকল্প যার মূল লক্ষ্য মুনাফার পরিবর্তে মানবকল্যাণ। যে কোন সাধারণ ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠানের মতোই এই সকল প্রকল্প পরিচালিত হয় ; কেবল লক্ষ্য থাকে মানুষের কল্যাণ—বিশেষ করে দারিদ্র ও আয়বৈষম্য দূর করা। মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭০ দশক থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংকিং, টেলিকম, সৌরশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেক্সটাইল, তাঁত, বিপণন প্রভৃতি খাতে অনেকগুলো কোম্পানী স্থাপন করেছেন যেগুলোর মৌলিক উদ্দেশ্য মুনাফা ম্যাক্সিমাইজ করা নয় ; অন্যদিকে এগুলোর কোনটিই ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এই উদ্যোগগুলো কার্যত সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য স্থাপিত ব্যবসায়িক প্রকল্প। এ ধরনের ব্যবসায়িক পুজিঁলগ্নির কথা ঐতিহ্যগত অর্থশাস্ত্রে নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে "সামাজিক ব্যবসায়" ধারনাটি প্রবর্তন করেন।সামাজিক ব্যবসায়ের সঙ্গে সনাতন ব্যবসায়ের পার্থক্য কেবল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে: সনাতন ব্যবসায় মুনাফামুখী এবং সামাজিক ব্যবসায় কোম্পানি মুনাফা করবে নিশ্চয়ই, কিন্তু মালিক মুনাফা নেবে না, মালিক কেবল মূলধন ফেরত নিতে পারবে।
যে ব্যবসায় গঠন করতে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী মূলধন সরবরাহ করেন কিন্তু তার প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধন করা তাকে সামাজিক ব্যবসায় বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!