উদ্দীপকের লীনা 'বহিপীর' নাটকের তাহেরা চরিত্রের পুরোপুরি প্রতিনিধিত্ব করে না। মন্তব্যটি যথার্থ।
জীবনবাদী চেতনার ধারক হলে নিজের জীবনের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব। আমাদের সমাজে নারীরা আগে অসহায় ও শোষিত থাকলেও বর্তমানে তারা স্বাবলম্বী ও অধিকার সচেতন। নিজের ওপর চাপানো কোনো সিদ্ধান্তকে তারা মেনে নেয় না। তারা নিজেরাই নিজেদের ভাগ্যনিয়ন্তা হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করেছে।
উদ্দীপকের নীলা এক প্রতিবাদী নারীসভা। পিতার অন্যায় সিদ্ধান্ত সে প্রথমে মেনে নিতে পারেনি। বাবাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় সে কিছুতেই একজন বয়স্ক লোককে বিয়ে করবে না। কিন্তু শেষপর্যন্ত সে রহাই পায়নি। অপরদিকে 'বহিপীর' নাটকের তাহেরাও তার পিতার সিদ্ধান্তকে মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে পালায়। তবে নীলা রেহাই না পেলেও তাহেরা ঠিকই বিপদ থেকে রেহাই পায়।
'বহিপীর' নাটকের তাহেরা এক প্রতিবাদী ও অনমনীয় মেয়ে। সে পিতার সিন্ধান্তে বহিপীরকে মেনে না নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে জমিদার হাতেম আলির বজরায় আশ্রয় পায়। সেখানেও ঘটনাক্রমে বহিপীর হাজির হয়। কিন্তু তাহেরা কোনোভাবেই তার সাথে যেতে রাজি হয় না। অবশেষে হাশেমের সহায়তায় সে নতুন জীবনের পথে বেরিয়ে পড়ে। তাহেরা এখানে জীবনযুদ্ধে জয়ী হলেও উদ্দীপকের লীনা জয়ী হতে পারেনি। তাছাড়া তাহেরা চরিত্রের অন্যান্য গুণও লীনার মধ্যে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকের লীনা পিতার সিন্ধান্তে একজন বয়স্ক লোককে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় যা তাহেরার প্রতিবাদী চেতনার সাথে। সাদৃশ্যপূর্ণ। কিন্তু তাহেরা চরিত্রের অন্যানা বৈশিষ্ট্য এবং পরিণতির সাথে লীনার সাদৃশ্য নেই। তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allবহিপীর নাটকের কেন্দ্রীয় ও নাম চরিত্র। তার বাড়ি উত্তরের সুনামগঞ্জ। সাধারণের ভাষা তার কাছে অপবিত্র মনে হওয়ায় তিনি বহি বা বইয়ের ভাষায় কথা বলেন। এ কারণেই তার নাম বহিপীর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!