উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারব্যবস্থার মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থাটি 'বাংলাদেশে প্রযোজ্য।
প্রদত্ত ছকে দেখা যায়, গণতান্ত্রিক সরকারকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যার মধ্যে একটির সরকারপ্রধান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী, যাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে। অন্যটির সরকারপ্রধান হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, যাকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থার দিকে লক্ষ করলে আমরা দেখতে পাই, এখানে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত শাসনব্যবস্থা চালু থাকবে। এক্ষেত্রে প্রকৃত শাসনক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকবে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে একজন রাষ্ট্রপ্রধান থাকবেন।
সরকারপ্রধান বা নির্বাহী প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ থাকবে। এ ধরনের শাসনব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য বিদ্যমান থাকে। মন্ত্রিপরিষদ রাষ্ট্রের যেকোনো নির্বাহী কার্য সম্পাদনের জন্য আইনসভার নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।
তাই বলা যায়, বাংলাদেশে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
Related Question
View Allসরকার রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য এবং সকল কাজ সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ইঞ্জিন ছাড়া গাড়ি যেমন চলতে পারে না, তেমনি সরকার ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না। রাষ্ট্রের আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ভূমিকা অপরিসীম।
সরকারব্যবস্থার পরিবর্তন যুগে যুগে ঘটেছে। রাষ্ট্রের শুরু থেকেই সরকারের ধরন ও ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান যুগে সরকার বিভিন্ন নীতি ও কাঠামোর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এ কারণে সরকারের শ্রেণিবিভাগও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে।
সরকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্র। গণতন্ত্রে জনগণই ক্ষমতার উৎস এবং তারা ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে। অন্যদিকে, একনায়কতন্ত্রে এক ব্যক্তি বা দলের শাসন চলে এবং জনগণের মতামতের কোনো পুরুত্ব থাকে না।
গণতন্ত্র হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে। জনগণ তাদের পছন্দের রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকার গঠন করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে। এটি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে প্রচলিত।
একনায়কতন্ত্র হলো এক ব্যক্তির বা এক দলের শাসনব্যবস্থা। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের কোনো স্বীকৃতি থাকে না। শাসকের ইচ্ছাই আইন হিসেবে কার্যকর হয়। এটি গণতন্ত্রের বিপরীত একটি শাসনব্যবস্থা।
একনায়কতন্ত্রে, ক্ষমতা এক ব্যক্তির বা এক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের গুরুত্ব থাকে না। একনায়ক বা দল ইচ্ছামতো রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এই শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
