প্রজাতি হলো শ্রেণিবিন্যাসের একটি মৌলিক এবং সর্বনিম্ন একক, যা দ্বিপদ নামকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় খাদ্য তৈরি করে থাকে। এই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য সূর্যের আলোক শক্তি ও বায়ুমন্ডলে পর্যাপ্ত CO2 থাকা আবশ্যক। আর এই CO2 এর জন্য উদ্ভিদ পরোক্ষভাবে প্রাণিকুলের উপর নির্ভরশীল। পরিবেশ ও প্রাণিকুলের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় সবুজ উদ্ভিদকে সম্পূর্ণভাবে আত্ম-নির্ভরশীল বলা হয় না।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি হলো প্রস্বেদন। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে দেহের বাইরে করে দেয়।
উদ্ভিদ মূলরোমের মাধ্যমে মাটির কৈশিক পানি পরিশোষণ করে থাকে। প্রস্বেদনের ফলে পাতার কোষে ব্যাপন চাপ ঘাটতির সৃষ্টি হয় এবং তা কোষ থেকে কোষান্তরে পর্যায়ক্রমে মূলরোম পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে একটি চোষক শক্তির সৃষ্টি হয়। এ চোষক শক্তির টানে মাটির কৈশিক পানি মূলরোমে ঢুকে পড়ে। মাটি থেকে মূলরোমে অভিস্রবণ ও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় এ পানি প্রবেশ করে। একইভাবে পানি অন্তঃত্বক হয়ে পরিবহণ কলাগুচ্ছে পৌছে যায়। পানি একবার পরিবহন কলাগুচ্ছে পৌঁছে গেলে তা জাইলেম কলার মাধ্যমে উপরের দিকে ও পাশের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। এভাবে প্রস্বেদন প্রক্রিয়া উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রক্রিয়াটি হলো প্রস্বেদন। এ প্রক্রিয়ার উপরে সজীব উদ্ভিদ কোষের বিপাকীয় কার্যক্রম অনেকাংশে নির্ভরশীল।
প্রস্বেদনের ফলে "উদ্ভিদের জাইলেম বাহিকায় টান পড়ে। এই টানের ফলে উদ্ভিদের মূলরোম কর্তৃক শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতায় পরিবাহিত হয়। এ টানের ঘাটতি হলে পানি শোষণ কমে যায় এবং খাদ্য প্রস্তুতসহ অনেক বিপাকীয় কার্যক্রম শ্লথ হয়ে পড়ে। প্রস্বেদনের ফলে পাতার মেসোফিল টিস্যুতে ব্যাপন চাপ ঘাটতি সৃষ্টি হয় যা পানি শোষণে সাহায্য করে। উদ্ভিদ প্রস্বেদনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত পত্রফলক কর্তৃক শোষিত তাপশক্তি হ্রাস করে পাতার কোষগুলোর তাপমাত্রা সহনশীল পর্যায়ে রাখে। সুতরাং উদ্ভিদের জৈবনিক ক্রিয়া সচল রাখতে উদ্ভিদদেহে প্রস্বেদন সংঘটিত হয়।.
Related Question
View Allযে পর্দার ভিতর শুধু দ্রাবক প্রবেশ করতে পারে কিন্তু দ্রব প্রবেশ করতে পারে না তাই বৈষম্যভেদ্য পর্দা।
কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধাশুকনা পদার্থ কর্তৃক তরল পদার্থ শোষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়। এ ছাড়া অঙ্কুরোদগমের পূর্বে শুষ্ক বীজ ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়।
এখানে ১ উপাদানটি হলো সূর্যালোক। উদ্দীপকে যে প্রক্রিয়াটিকে দেখানো হয়েছে তা হলো সালোকসংশ্লেষণ। সালোকসংশ্লেষণের প্রধান উপকরণগুলো হলো- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। এর যেকোন একটির অনুপস্থিতিতেই উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারবে না এবং পরিবেশে ০₂ নির্গত হবে না। অক্সিজেন নির্গত না হাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। জীবজগতে দেখা দিবে খাদ্যভাব। কোন জীবই কর্মশক্তি পাবে না, কারণ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সৌরশক্তি খাদ্যের মধ্যে রাসায়নিক শক্তি রূপে জমা থাকে এবং জীব এ খাদ্য থেকেই তাদের কর্মশক্তি পেয়ে থাকে।
সুতরাং, উদ্দীপকের ১ উপাদানটির অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি ঘটবে না।
উদ্দীপকের X উপাদানটি হলো পানি এবং Y অঞ্চলটি হলো পাতা। উদ্ভিদ তার সবুজ পাতায় আলো ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এই সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় পানি উদ্ভিদ মাটি থেকে শোষণ করে এবং তা পাতায় পৌঁছায়। পানির অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ঘটবে না, ফলে উদ্ভিদে কোন খাদ্য তৈরি হবে না। খাদ্য তৈরি না হলে উদ্ভিদ খাদ্যাভাবে মারা যাবে। আবার, খাদ্য তৈরি না হলে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন ধরনের জৈবিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে। এর ফলে উদ্ভিদ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হবে এবং এক সময় উদ্ভিদের মৃত্যু ঘটবে।
আবার X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে প্রস্বেদন ঘটবে না। কারণ প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গই হলো পাতা। মাটি থেকে পানি পাতায় পৌঁছলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পত্ররন্দ্রের মাধ্যমেই প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বের হয়ে যায়। প্রস্বেদন উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এছাড়া পানি (X) উদ্ভিদের পাতায় (Y) না পৌঁছলে উদ্ভিদ দেহে খনিজ লবণও পৌঁছবে না। ফলে ঐ সকল খনিজ উপাদানের অভাবে উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের লক্ষণ দেখা দিবে এবং এক সময়ে তাঁদের মৃত্যু ঘটবে।
সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে উপরে বর্ণিত সমস্যাগুলো দেখা দিবে।
রক্ত এক ধরনের লালবর্ণের অস্বচ্ছ সজীব তরল যোজক কলা।
শ্বেতকণিকা প্রহরীর মতো দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্বেতকণিকা রোগজীবাণুকে ভক্ষণ করে এবং রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয় এন্টিবডি তৈরির মাধ্যমেও শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
