উদ্দীপকের গ্রামের যুবকদের কাশেমকে অনুসরণ করা যৌক্তিক তা বিদ্যমান।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে উৎপাদন ও বন্টনসহ সকল বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে ব্যবসায় বলে। ব্যবসায় তথা শিল্প-বাণিজ্যের অগ্রগতির ফলে দেশে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ ঘটে। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে এক বা একাধিক লোক উদ্যোগ গ্রহণ করে বিধায় দেশে নতুন নতুন উদ্যোক্তার সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে কাশেম বি.কম পাস করার পর প্রাথমিক অবস্থায় নিজ জমিতে ধান চাষ করে আয় শুরু করেন। পরবর্তীতে তার আয় আরও বৃদ্ধি করার জন্য ২টি পুকুওে মৎস্য চাষ শুরু করেন। তিনি তার গ্রামের বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তার খামারে নিয়োজিত করেন। এতে তার খামারের সাফল্য উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। তার এই সাফল্য দেখে গ্রামের বেকার যুবকরা কাশেমকে অনুসরণ করা শুরু করেন।
কাশেম গ্রামের বেকার যুবকদের আত্মত্মকর্মসংস্থানের পথ দেখিয়েছেন। আত্মকর্মসংস্থান বলতে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এতে গ্রামের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দেশের বেকার সমস্যার সমাধান হবে। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি হবে এবং ব্যবসায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে পণ্য দ্রব্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকের গ্রামের যুবকদের কাশেমকে অনুসরণ করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
Related Question
View Allমুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন ও বন্টন সহ সকল, ঝুঁকিবহুল, ধারাবাহিক এবং বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসা বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশাজীবী গ্রাহকদের প্রয়োজন পূরণের সামর্থ্য কোন কাজ বা সুবিধা প্রদানকে প্রত্যক্ষ সেবা বলে।
সামাজিক ব্যবসায় হল নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত একশ্রেণীর অর্থনৈতিক প্রকল্প যার মূল লক্ষ্য মুনাফার পরিবর্তে মানবকল্যাণ। যে কোন সাধারণ ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠানের মতোই এই সকল প্রকল্প পরিচালিত হয় ; কেবল লক্ষ্য থাকে মানুষের কল্যাণ—বিশেষ করে দারিদ্র ও আয়বৈষম্য দূর করা। মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭০ দশক থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংকিং, টেলিকম, সৌরশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেক্সটাইল, তাঁত, বিপণন প্রভৃতি খাতে অনেকগুলো কোম্পানী স্থাপন করেছেন যেগুলোর মৌলিক উদ্দেশ্য মুনাফা ম্যাক্সিমাইজ করা নয় ; অন্যদিকে এগুলোর কোনটিই ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এই উদ্যোগগুলো কার্যত সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য স্থাপিত ব্যবসায়িক প্রকল্প। এ ধরনের ব্যবসায়িক পুজিঁলগ্নির কথা ঐতিহ্যগত অর্থশাস্ত্রে নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে "সামাজিক ব্যবসায়" ধারনাটি প্রবর্তন করেন।সামাজিক ব্যবসায়ের সঙ্গে সনাতন ব্যবসায়ের পার্থক্য কেবল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে: সনাতন ব্যবসায় মুনাফামুখী এবং সামাজিক ব্যবসায় কোম্পানি মুনাফা করবে নিশ্চয়ই, কিন্তু মালিক মুনাফা নেবে না, মালিক কেবল মূলধন ফেরত নিতে পারবে।
যে ব্যবসায় গঠন করতে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী মূলধন সরবরাহ করেন কিন্তু তার প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধন করা তাকে সামাজিক ব্যবসায় বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!