জনাব জাফর চৌধুরী একজন ব্যবসায়ী। তিনি পরিবারের সময় দিতে পারেন না বলে ছেলেমেয়েরা হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করে। জাফর সাহেব একদিন তার বন্ধু কামালের বাসায় স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে গেলেন। কামাল সাহেবের ছেলেমেয়েরা জাহিদ সাহেব ও তার স্ত্রীকে সালাম দিলেন এবং যত্নসহকারে আপ্যায়ন করালেন। কামাল সাহেবের ছেলেমেয়েদের ব্যবহারে জাফর সাহেব ও তার স্ত্রী মুগ্ধ হলেন। তারা উভয়ে অনুভব করলেন, পরিবার বিশ্ব প্রকৃতির শাশ্বত রূপ।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক জীবনকে দাম্পত্য জীবন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যপরায়ণতা বজায় থাকায় সেখানে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি পরিবার গড়ে উঠে। এ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহ, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা বজায় থাকে। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান এবং ভাইবোন প্রত্যেকেই নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কারণে ইসলামি পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কামাল সাহেবের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ইসলামি পরিবারের শিষ্টাচারের আদর্শ প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, কামাল সাহেবের ছেলেমেয়েরা জাফর সাহেব ও তার স্ত্রীকে সালাম জানিয়ে অভ্যর্থনা জানালেন। এটি ইসলামি পরিবারের অন্যতম আদর্শ। কেননা সালামের ব‍্যাপারে রাসুল (স) বলেন, اَلسَّلَامُ قَبْلَ الْكَلَامِ অর্থ: কথা বলার পূর্বে সালাম প্রদান করাই ইসলামি শিষ্টাচার।

এরপর তারা মেহমানদের যত্নসহকারে আপ্যায়ন করালেন। আর এটি ইসলামি রীতিনীতিপ্রসূত। ইসলামি পরিবারে ইসলামের যাবতীয় বিষয়গুলোর চমৎকার অনুশীলন হয়। যার কারণে কামাল সাহেবের ছেলেমেয়েরা জাফর সাহেব ও তার স্ত্রীর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনে সচেষ্ট থাকে।

অতএব, এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কামাল সাহেবের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ইসলামি পরিবারের শিক্ষা পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আলোচ্য উদ্দীপকে জাফর সাহেব ও তার স্ত্রীর অনুভূতি- পরিবার বিশ্ব প্রকৃতির শাশ্বত রূপ। তাদের এই অনুভূতি যথার্থ। পরিবারই শান্তি ও সুখের আসল ঠিকানা। নৈতিক ও মানবিক জীবন গঠনে পরিবার মুখ্য ভূমিকা পালন করে। পরিবার হচ্ছে মোটামুটিভাবে স্থায়ী একটি সংঘ। পরিবার বিশেষত ইসলামি পরিবারে প্রত্যেকেই প্রত্যেকের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকে। কুরআন ও সুন্নাহর নীতিমালা সতর্কতার সাথে অনুসরণ করা হয়। এখানে একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। পারস্পরিকভাবে মিলেমিশে, সুখে ও দুঃখে সবাই একসাথে বসবাস করে। বড়রা ছোটদের স্নেহ করে, ছোটরা বড়দের শ্রদ্ধা করে। এ বিষয়ে রাসুল (স) বলেন,

যে আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না, বড়দের শ্রদ্ধা করে না, সে আমার দলভুক্ত নয়।

সর্বোপরি সমৃদ্ধিশালী আদর্শ জাতি ও সমাজ বিনির্মাণে ইসলামি পরিবারের বিকল্প নেই। মুসলিম পারিবারিক জীবনই পবিত্র প্রেম- ভালোবাসা, স্নেহ-মমতা এবং পরম শান্তি ও স্বস্তির কেন্দ্রবিন্দু। তাই জাফর সাহেব ও তার স্ত্রীর অনুভূতি সুস্পষ্টভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
147

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যপরায়ণতা বজায় থাকায় সেখানে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি পরিবার গড়ে উঠে। এ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহ, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা বজায় থাকে। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান এবং ভাইবোন প্রত্যেকেই নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কারণে ইসলামি পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
768
উত্তরঃ

ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে পিতামাতার প্রতি কর্তব্য পালনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। ইসলামি পরিবারে মাতাপিতার প্রতি সন্তানকে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। মাতাপিতার জীবদ্দশায় তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যসমূহ হলো- তাদের সাথে সদাচরণ করা, তাদের অবাধ্য না হওয়া, অসুস্থ হলে তাদের সেবাযত্ন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য হলো তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, ওয়াসিয়ত পূর্ণ করা, ঋণ পরিশোধ করা এবং তাদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করা ইত্যাদি। ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে মাতাপিতার প্রতি এসব কর্তব্যে অবহেলার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষা অর্জন করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা ফরহাদ সাহেবের কোনো খোঁজখবর রাখে না। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ তাদেরকে জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা তাদের পিতার প্রতি সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করেনি। অথচ মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালন করতে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
308
উত্তরঃ

ইসলাম শিক্ষার অভাব ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের পিতামাতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী। পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যেমন- পিতামাতা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি মানুষের বিশেষ কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ও নিষ্ঠাবান করে তোলে। এসব কর্তব্য পালনে অবহেলার পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় প্রত্যেক ব্যক্তিকে - তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে - হবে। যারা ইসলামের সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তারা - নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে উদাসীন থাকে। ইসলাম শিক্ষার অভাবে তারা পিতামাতা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্বহীন হয়ে উঠে, যেমনটি ফরহাদ সাহেবের  সন্তানদের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা তাদের পিতার প্রতি কোনো কর্তব্য পালন করে না। ফরহাদ সাহেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ সন্তানদের জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে পিতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আর এর মূল কারণ হলো ইসলাম শিক্ষার অভাব। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামের সঠিক শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে তোলে। ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা ইসলাম শিক্ষার অভাবে তাদের পিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
282
উত্তরঃ

ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
530
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারব্যবস্থায় মোহরানার গুরুত্ব অপরিসীম। মোহরানা মুসলিম স্ত্রীর ন্যায়সংগত ও আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার। ইসলামি বিবাহরীতিতে স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো স্ত্রীর মোহরানা আদায় করা। স্বামী নিজের সামর্থ্য ও স্ত্রীর যোগ্যতা অনুযায়ী মোহরানা নির্ধারণ করবে এবং খুশি মনে তা পরিশোধ করবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন- 'তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীদের মোহরানা আদায় করো' (সুরা আন-নিসা: ৪)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
414
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews