জনাব যামীম মানুষ হিসেবে মন্দ। সামান্য কারণেই অশ্লীল কথাবার্তা বলেন। তার আচার-আচরণও অশ্লীলতায় ভরপুর। এজন্য অনেকে তাকে এড়িয়ে চলে। তার পোশাক- আশাক, চাল-চলন কিছুই ইসলামসম্মত নয়। ইমাম সাহেব বললেন, ইসলাম শালীনতার ধর্ম। এখানে অশ্লীলতার কোনো সুযোগ নেই।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

রাবি অর্থ হলো রিওয়াত বা বর্ণনাকারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সনদ ও মতন হাদিসের অনিবার্য অংশ হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সনদ অর্থ নির্ভর করা, বিশ্বাস ও ভরসা করা এবং বর্ণনার যোগসূত্র। অর্থাৎ হাদিসের মূল বক্তব্যে পৌঁছার সূত্র বা ধারাবাহিকতা হলো সনদ। এককথায় রাবিদের নামের ধারাবাহিক তালিকাই সনদ, যা রাসুলুল্লাহ (স) পর্যন্ত পৌঁছেছে। অপরপক্ষে মতন অর্থ মজবুতি বা দৃঢ়তা। হাদিসে সনদের পরবর্তী অংশটুকুই হলো মতন। অর্থাৎ হাদিসের মূল বক্তব্যকে মতন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হাদিসের আলোকে বলা যায়, জনাব যামীম অসৎচরিত্রের অধিকারী এবং নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। অশ্লীলতা একটি মারাত্মক নৈতিক ত্রুটি। অশ্লীলতা ও অশোভন আচরণ নৈতিক জীবন ধ্বংস করে এবং মানুষকে পশুত্বের অসহনীয় জীবনে নিয়ে যায়। জনাব যামীমের মধ্যে এই অশ্লীল ও অশালীনতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

জনাব যামীম সামান্য কারণেই অশ্লীল কথাবার্তা বলেন। তার আচার-আচরণও অশ্লীলতার ভরপুর। তার পোশাক-আশাক চাল- চলন কিছুই ইসলামসম্মত নয়। এসব কাজের জন্য অনেকেই তাকে এড়িয়ে চলে। যামীমের এরূপ কর্মকান্ডের কোনো সমর্থন ইসলামে নেই। আল্লাহ তায়ালা সর্বোতভাবে অশ্লীলতা হারাম করেছেন। কুরআনে এসেছে- হে মুহাম্মদ! আপনি বলুন, 'নিশ্চয়ই আমার রব প্রকাশ্য ও গোপন অশ্লীলতা হারাম করেছেন' (সুরা আল আরাফ-৩৩)। যারা এ হারাম কাজের সাথে জড়িত তাদের সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, 'মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতম হচ্ছে সে ব্যক্তি যার অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তাকে পরিত্যাগ করে' (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)। জনাব যামীমের অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য তাকেও অনেকে পরিত্যাগ করেছে। তাই হাদিসের আলোকে তাকে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি বলেই আখ্যায়িত করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সংশ্লিষ্ট হাদিসের আলোকে বলা যায়, ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি যথার্থ। জনাব যামীম সামান্য কারণেই অশ্লীল কথাবার্তা বলে। তার আচার-আচরণও অশ্লীলতায় ভরপুর। তার পোশাক-আশাক, চাল- চলন কোনো কিছুই ইসলামসম্মত নয়। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ইমাম সাহেব বলেন, ইসলাম শালীনতার ধর্ম। এখানে অশ্লীলতার কোনো সুযোগ নেই। তার এ কথার সমর্থন রয়েছে হাদিসে।

ইসলাম একটি সর্বাঙ্গীন মার্জিত ও সুশীল জীবনব্যবস্থা। উন্নত নৈতিকতা ও চারিত্রিক মাধুর্যের ওপর এর নীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠিত। এর মধ্যে অশালীন, অশ্লীল ও অসভ্য কোনো কিছুর স্থান নেই। মুমিন হতে হলে অবশ্যই অশ্লীলতা পরিহার করা বাঞ্ছনীয়। রাসুল (স) অশ্লীলভাষীকে নিকৃষ্টতম বলেছেন। এ ধরনের লোকদের অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তাকে পরিত্যাগ করে। অশ্লীলতা একটি সামাজিক অবক্ষয়। এর ফলে সামাজিক সম্পর্কের সীমা লঙ্ঘিত হয়। কারণ একজন যদি কারো বাবাকে গালি দেয়, তবে অপরজন তার বাবা-মাসহ সবাইকে গালি দেবে। এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এছাড়া অশালীন ও অশ্লীলভাষী, অশ্লীল পোশাক পরিধানকারী এবং অশ্লীল আচরণকারীকে সবাই ঘৃণা করে। অশ্লীলতা ও অশালীনতা অন্য মানুষকে কষ্ট দেয়। মহানবি (স) বলেছেন, 'তুমি দুর্ব্যবহার এবং অশালীন আচরণ বা কথা বর্জন করবে।' তিনি আরও বলেছেন, প্রকৃত মুমিন সেই, যার কথা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে (বুখারি)।

ওপরের আলোচনা থেকে প্রমাণিত হয় ইসলামে অশালীনতা এবং অশ্লীলতার কোনো স্থান নেই। অর্থাৎ ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
104

Related Question

View All
উত্তরঃ

 'সিহাহ সিত্তাহ' হলো- বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
841
উত্তরঃ

আলোচ্য হাদিসের অর্থ হলো- 'লজ্জাশীলতা ইমানের একটি বিশেষ অঙ্গ'। উল্লেখিত হাদিসটি সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরিফে সংকলিত হয়েছে। এ হাদিসে রাসুল (স) লজ্জাশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। একজন মুমিন তার আচার-আচরণ, কথাবার্তা, কাজকর্মে অবশ্যই লজ্জাশীল হবেন। কারণ লজ্জাশীলতা ইমানের অপরিহার্য একটি দিক। তাই মান-সম্মান রক্ষা করার জন্য ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেক মুমিনের লজ্জাশীল হওয়া প্রয়োজন। আলোচ্য হাদিসে ইমানের সাথে লজ্জার সম্পর্কের দিকটিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
673
উত্তরঃ

হাবিবের বক্তব্যে ওহিয়ে মাতলু তথা পবিত্র কুরআনের পরিচয় ফুটে উঠেছে। কুরআন মাজিদ আল্লাহর বাণী। এটি সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব যা সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল। উদ্দীপকের হাবিব ওহির বিভিন্ন প্রকার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রথমোক্ত ওহির মাধ্যমে পবিত্র কুরআনকে বুঝিয়েছে। উদ্দীপকের তিন বন্ধু ইসলামি শরিয়ার উৎস সম্বন্ধে আলোচনা করছিল। হাবিব এ সময় বলে, কিছু ওহির ভাব ও ভাষা সরাসরি আল্লাহর, যা পাঠ করা ইবাদত এবং নামাজেও এর তিলাওয়াত আবশ্যক। এর মাধ্যমে হাবিব পবিত্র কুরআনকে বুঝিয়েছে। ওহি দুই প্রকার। যথা- ওহিয়ে মাতলু ও ওহিয়ে গায়রে মাতলু। ওহিয়ে মাতলু বা পঠিত ওহি হলো কুরআন মাজিদ। এটি লাওহে মাহফুজ থেকে জিবরাইল (আ)-এর মাধ্যমে নবুওয়তের দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে মহানবি (স)-এর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে। 

কুরআন সন্দেহাতীতভাবে অদ্যাবধি অবিকল ও অবিকৃত অবস্থায় সুরক্ষিত হয়ে আসছে। এর শব্দ, অর্থ, মর্ম উপস্থাপনা, বিন্যাস সবই আল্লাহ তায়ালার নিজস্ব। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ছাড়া নামাজ আদায় হয় না। নামাজে কুরআন থেকে তিলাওয়াত করা ফরজ। সুতরাং উদ্দীপকের হাবিব প্রথমোক্ত ওহির মাধ্যমে কুরআন মাজিদের দিকেই ইঙ্গিত করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
401
উত্তরঃ

হাসানের উল্লেখিত বিষয়টি ওহিয়ে গায়রে মাতলু তথা হাদিস; যার সাথে হাদিসে কুদসির কতিপয় সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ওহি দুই প্রকার- যার মধ্যে একটি 'ওহি গায়রে মাতলু' অর্থাৎ অপঠিত ওহি বা হাদিস। মহানবি (স)-এর কথা, কাজ এবং মৌন সম্মতি তথা রাসুল (স)-এর বাস্তব জীবনের প্রতিটি কাজ ও সমর্থনই হাদিস। হাসানের বক্তব্যে হাদিসের কথাই প্রকাশ পেয়েছে।

উদ্দীপকের হাসান ইসলামি শরিয়ার দ্বিতীয় উৎস হাদিসের প্রসঙ্গে কথা বলছিল। সে বলে, হাদিস নামাজে তিলাওয়াত করতে হয় না এবং অপবিত্র অবস্থায়ও এটি স্পর্শ করা যায়। হাসানের উল্লেখিত ওহি গায়রে মাতলু বা হাদিসের বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে হাদিসে কুদসি অন্যতম। হাদিসে কুদসি অন্যান্য হাদিসের মতই, তবে এ প্রকার হাদিসের ভাব স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এবং ভাষা রাসুল (স)-এর নিজের। অপরদিকে সাধারণ হাদিসের ভাব ও ভাষা উভয়টিই রাসুল (স)-এর নিজস্ব। তাছাড়া হাদিসে কুদসিও অপবিত্র অবস্থায় স্পর্শ করা যায়। 'রাসুল (স) বলেছেন', একথা অন্যান্য হাদিসের প্রারম্ভে থাকে। কিন্তু হাদিসে কুদসি শুরু হয় 'আল্লাহ বলেছেন' এ কথা দিয়ে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, হাসানের উল্লিখিত বিষয়টি হচ্ছে রাসুলের (স) বাণী বা কাজ তথা হাদিস। আর হাদিসে কুদসি এরই একটি ধরন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
255
উত্তরঃ

সম্পূর্ণ কুরআন সর্বপ্রথম সংরক্ষিত হয় লাওহে মাহফুজে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
495
উত্তরঃ

কুরআনকে বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করে কুরআন পাঠের অভিন্ন রীতি চালু করায় হযরত উসমান (রা) কে জামিউল কুরআন বলা হয়। হযরত উসমান (রা) এর সময় ভিন্ন ভিন্ন রীতিতে কুরআন পাঠের ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য কুরআনের প্রথম পাণ্ডুলিপিটি থেকে সাতটি কপি তৈরি করা হয়। এবং সেগুলো বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয় যাতে সবাই একই রীতিতে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.9k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews