নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদের সংখ্যা ৪৯৫টি।

উত্তরঃ

ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ওপর ভিত্তি করে গণতান্ত্রিক সরকারকে যে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার একটি। যে সরকারব্যবস্থায় সাংবিধানিক্লাবে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয় তাই যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থায় কেন্দ্র ও প্রদেশে সাংবিধানিকভাবে স্বাধীন থাকে এবং প্রদেশের কার্যক্রম কেন্দ্রীয় সরকার হস্তক্ষেপ করে না। সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশের দায়িত্ব ও ক্ষমতা নির্ধারণ করে দেয়া হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারব্যবস্থার মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থাটি 'বাংলাদেশে প্রযোজ্য।

প্রদত্ত ছকে দেখা যায়, গণতান্ত্রিক সরকারকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যার মধ্যে একটির সরকারপ্রধান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী, যাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে। অন্যটির সরকারপ্রধান হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, যাকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থার দিকে লক্ষ করলে আমরা দেখতে পাই, এখানে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত শাসনব্যবস্থা চালু থাকবে। এক্ষেত্রে প্রকৃত শাসনক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকবে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে একজন রাষ্ট্রপ্রধান থাকবেন।
সরকারপ্রধান বা নির্বাহী প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ থাকবে। এ ধরনের শাসনব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য বিদ্যমান থাকে। মন্ত্রিপরিষদ রাষ্ট্রের যেকোনো নির্বাহী কার্য সম্পাদনের জন্য আইনসভার নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।

তাই বলা যায়, বাংলাদেশে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সরকার দুটি হলো সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার। আর এ দুই ধরনের সরকারব্যবস্থার মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

উক্ত সরকারব্যবস্থা দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের শাসন বিভাগ আইন বিভাগের উপর নির্ভরশীল ও তার নিকট দায়ী থাকে। যে শাসনব্যবস্থায় শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য সংসদ বা আইনসভার নিকট দায়ী থাকে, তাকে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে। এ ধরনের সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে গ্রেটব্রিটেন, কানাডা, ভারত, বাংলাদেশসহ প্রভৃতি দেশে। এ সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং তিনিই প্রকৃতপক্ষে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। পক্ষান্তরে, যেসব রাষ্ট্রের শাসন পরিচালনার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত থাকে এবং তিনি সাধারণত আইনসভার নিকট দায়ী থাকেন না তখন তাকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলে। এ ধরনের সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি। এখানে রাষ্ট্রপতি নিজে তাঁর মন্ত্রিসভা নিয়ে সরাসরি দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। এ সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন।

31

রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান । সরকার রাষ্ট্র গঠনের একটি উপাদান। পৃথিবীর প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নিজস্ব সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। আবার প্রতিটি সরকারের রয়েছে কিছু অঙ্গ । এগুলোর মাধ্যমে রাষ্ট্র নানামুখী কাজ করে থাকে। রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সংবিধানে উল্লিখিত নীতিমালার ভিত্তিতে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়। এতে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার বিবরণ রয়েছে। 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

• সরকার পদ্ধতির ধরন সংক্ষেপে বর্ণনা করতে পারব;

• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণনা করতে পারব;

• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করব ;  সংক্ষিপ্ত রূপরেখা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব;

• বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামো ও কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব;

• বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের সুশাসনের জন্য গৃহীতসুশাসনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে

• কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সরকার রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য এবং সকল কাজ সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ইঞ্জিন ছাড়া গাড়ি যেমন চলতে পারে না, তেমনি সরকার ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না। রাষ্ট্রের আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ভূমিকা অপরিসীম।

223
উত্তরঃ

সরকারব্যবস্থার পরিবর্তন যুগে যুগে ঘটেছে। রাষ্ট্রের শুরু থেকেই সরকারের ধরন ও ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান যুগে সরকার বিভিন্ন নীতি ও কাঠামোর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এ কারণে সরকারের শ্রেণিবিভাগও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে।

134
উত্তরঃ

সরকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্র। গণতন্ত্রে জনগণই ক্ষমতার উৎস এবং তারা ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে। অন্যদিকে, একনায়কতন্ত্রে এক ব্যক্তি বা দলের শাসন চলে এবং জনগণের মতামতের কোনো পুরুত্ব থাকে না।

192
উত্তরঃ

গণতন্ত্র হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে। জনগণ তাদের পছন্দের রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকার গঠন করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে। এটি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে প্রচলিত।

425
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্র হলো এক ব্যক্তির বা এক দলের শাসনব্যবস্থা। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের কোনো স্বীকৃতি থাকে না। শাসকের ইচ্ছাই আইন হিসেবে কার্যকর হয়। এটি গণতন্ত্রের বিপরীত একটি শাসনব্যবস্থা।

207
উত্তরঃ

একনায়কতন্ত্রে, ক্ষমতা এক ব্যক্তির বা এক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। এতে জনগণের অধিকার ও মতামতের গুরুত্ব থাকে না। একনায়ক বা দল ইচ্ছামতো রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এই শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে না।

279
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews