"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মানুষ' কবিতা ও উদ্দীপকের মূলভাব একই।"- মন্তব্য যথার্থ।
পৃথিবীজুড়ে মানুষের মধ্যে যে বিভেদ-বৈষম্য দেখা যায় সেগুলো মূলত স্বার্থের কারণে তৈরি। সামনে ধর্ম, বর্ণ, জাতির বিষয় থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তা নয়। লোভী ও স্বার্থপর ব্যক্তিরা তাদের হীন বাসনা চরিতার্থ করার জন্যই এসব ধর্ম-বর্ণের আশ্রয় গ্রহণ করে। এসব স্বার্থপর ব্যক্তি সব কালেই চরম অমানবিকতার পরিচয় দেয়।
উদ্দীপকে ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার দেওয়ার কথা বলে ডেকে এনে, তা না দিয়ে কুকুর লেলিয়ে দিয়ে বিদায় করার কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকের হুজুর এখানে অত্যন্ত হীন মানসিকতা ও অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও এ বিষয়টি 'মানুষ' কবিতায় ক্ষুধার্ত মুসাফিরকে খাবার না দিয়ে ভর্ৎসনা করে বিদায় করে দেওয়ার মতো অমানবিকতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। মোল্লা-পুরুত তাদের নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অনুরূপ কাজ করেছে।
'মানুষ' কবিতায় সাত দিনের অনাহারী ভূখারি মসজিদে-মন্দিরে খাবার চাইতে গিয়ে যে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছে তার প্রতিফলন উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়। এখানে হুজুর ক্ষুধার্তদের খাবার দেওয়ার কথা বলে দাওয়াত করে এনে ঘরের দরজা বন্ধ করে জানালা দিয়ে তাদের ক্ষুধায় কাতরানো উপভোগ করেছে। এ দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!