হতে পাই, মৌলটি হবে: (ক্রোমিয়াম)
নিচে এর বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো
ক্রোমিয়াম পারমাণবিক সংখ্যা 24 অর্থাৎ, মুক্তাবস্থায় এর ইলেকট্রন সংখ্যা = 24। পর্যায় সারণি হতে পাই, এর ইলেকট্রন চতুর্থ শক্তিস্তর পর্যন্ত বিস্তৃত।
আমরা জানি, প্রতিটি শক্তিস্তরে উপস্তরের সংখ্যা হবে ০ থেকে (n-1) পর্যন্ত।
অর্থাৎ, n = 1 (প্রথম শক্তিস্তর) এর জন্য উপশক্তিস্তর = ০ থেকে (n-1) এর মান
তাই, প্রথম শক্তিস্তরে ।টি উপশক্তিস্তর বিদ্যমান = 1s
একইভাবে n = 2 এর জন্য উপশক্তিস্তর = 0 থেকে (n-1) এর মান = 0 .1
তাই, ২য় শক্তিস্তরে ২টি উপশক্তিস্তর বিদ্যমান = 2s , 2p
n = 3 এর জন্য উপশক্তিস্তর = 0 থেকে (n-1) এর মান = 0, 1, 2
তাই, ৩য় শক্তিস্তরে 3টি উপশক্তিস্তর বিদ্যমান = 3s , 3p, 3d
n = 4 এর জন্য উপশক্তিস্তর = 0 থেকে (n-1) এর মান = 0, 1, 2, 3
তাই, ৪র্থ শক্তিস্তরে 4 টি উপশক্তিস্তর বিদ্যমান = 4s 4p, 4d, 4f
আবার, প্রত্যেকটি উপশক্তিস্তরে ২টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। আউফবাউ নীতি অনুসারে যে উপশক্তিস্তরের (n+l) এর মান কম হবে তার শক্তি কম হবে এবং ইলেকট্রন তাতে আগে প্রবেশ করবে (এখানে, । = উপশক্তিস্তর সংখ্যা)। (n+l) এর মান দুইটি ভিন্ন উপশক্তিস্তরের জন্য সমান হলে যার n এর মান কম তার শক্তি কম হবে এবং তাতে ইলেকট্রন আগে প্রবেশ করবে। সুতরাং, উপরোক্ত বর্ণনামতে 24Cr এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ:
১ম শক্তিস্তর ২য় শক্তিস্তর ৩য় শক্তিস্তর ৪র্থশক্তিস্তর

Cr এর ইলেকট্রন বিন্যাস
কিন্তু অর্ধপূর্ণ 3d5 অরবিটাল আংশিক পূর্ণ 3d' অপেক্ষা অধিক সুস্থিত হওয়ায় শেষ ইলেকট্রন 4s এ প্রবেশ না করে 3d4 তে প্রবেশ করে।
Related Question
View Allকোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।
এবং মৌল দুটির প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 29 ও 30 এবং ভরসংখ্যা যথাক্রমে 64 ও 64। অর্থাৎ নিউক্লিয়ন সংখ্যা একই। নিউক্লিয়ন সংখ্যা হলো প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল। আমরা জানি, নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা (A) – পারমাণবিক সংখ্যা (Z)
সুতরাং এর নিউট্রন সংখ্যা = 64-29 = 35
এর নিউট্রন সংখ্যা = 64 - 30 = 34
যেহেতু, মৌল দুটির পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাই পরমাণু দুটির নিউক্লিয়ন সংখ্যা সমান হলেও, নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হবে।
ফরিদের আঁকা মডেলটি রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে সমর্থন করে। মডেলটির স্বীকার্যসমূহ হলো-
i. পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে একটি ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট ভারী বস্তু বিদ্যমান। এই ভারী বস্তুকে পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস বলা হয়। পরমাণুর মোট আয়তনের তুলনায় নিউক্লিয়াসের 'আয়তন অতি নগণ্য। নিউক্লিয়াসে পরমাণুর সমস্ত ধনাত্মক চার্জ ও প্রায় সমস্ত ভর কেন্দ্রীভূত।
ii. পরমাণু বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ। অতএব নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন সংখ্যার সমান সংখ্যক ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে পরিবেষ্টিত করে রাখে।
iii. সৌরজগতের সূর্যের চারদিকে ঘূর্ণায়মান গ্রহসমূহের মতো পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারদিকে অবিরাম ঘুরছে। ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ও ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট ইলেকট্রনসমূহের পারস্পরিক স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণজনিত কেন্দ্রমুখী বল এবং ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের কেন্দ্র বহির্মুখী বল পরস্পর সমান।

চিত্র: রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল
উদ্দীপকে বিদ্যমান ফরিদের অঙ্কিত মডেল হল রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল। এটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইলেকট্রনগুলো সর্পিলাকারে ঘুরতে ঘুরতে নিউক্লিয়াসে পতিত হচ্ছে, তাই অঙ্কিত মডেলটি একটি অস্থায়ী পরমাণু মডেল।
ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্বানুসারে কোন চার্জযুক্ত কণা কোনো বৃত্তাকার পথে ঘুরতে থাকলে তা ক্রমাগত শক্তি বিকিরণ করবে এবং তার আবর্তন কক্ষপথের ব্যাসার্ধ ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। সুতরাং ইলেকট্রনসমূহ ক্রমশ শক্তি হারাতে হারাতে নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করবে। ফলে মডেলটি অর্থাৎ পরমাণুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।
অর্থাৎ, রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্ব অনুসারে পরমাণু স্থায়ী হবে না।
কোনো মৌলের পূর্ণ নামের সংক্ষিপ্ত প্রকাশকে ঐ মৌলের প্রতীক বলা হয়।
বর্ণালি হলো বিভিন্ন বর্ণের আলোর সমাবেশ। বোর পরমাণু মডেল অনুসারে পরমাণুর মধ্যে কোনো ইলেকট্রন যখন একটি নিম্নতর কক্ষপথ থেকে উচ্চতর কক্ষপথে স্থানান্তরিত হয় তখন নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ করে। আবার যখন উচ্চতর শক্তিস্তর থেকে নিম্নতর শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত হয় তখন নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি বিকিরণ করে। বিকিরিত শক্তি আলোক শক্তিরূপে আমাদের চোখে ধরা পড়ে। এ আলোক শক্তিকে বর্ণালি হিসাবে পাওয়া যায়। এভাবে পরমাণুতে বর্ণালির সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!