কোনো মৌলের একাধিক যোজনী থাকলে সেই মৌলের যোজনীকে পরিবর্তনশীল যোজনী বলে।
কোনো পদার্থের অণুকে প্রতীকের সাহায্যে রাসায়নিক বন্ধন দেখিয়ে যে সংকেত তৈরি করা হয় তাকে গাঠনিক সংকেত বলে। অর্থাৎ, যে সংকেত দ্বারা কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের অণুতে তার বিভিন্ন পরমাণু সমূহ পরস্পরের সাথে কীভাবে যুক্ত আছে তা প্রতীক ও চিহ্নের মাধ্যমে দেখানো হয় তাকেই গাঠনিক সংকেত বলে। যেমন-মিথেন এর গাঠনিক সংকেত:

প্রদত্ত উদ্দীপকের A, B, C ও D এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 6, 9, 16 ও 35।
মৌলগুলোর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নোক্তভাবে দেখানো যায়-
| মৌল | ইলেকট্রন বিন্যাস | সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা |
| 6A | 4 | |
| 9B | 7 | |
| 16C | 6 | |
| 35D | 7 |
উপরিউক্ত ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, B ও D উভয় মৌলের সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা 7। আমরা জানি কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যাই হলো ঐ মৌলের যোজ্যতা ইলেকট্রন।
সুতরাং, প্রদত্ত উদ্দীপকের B ও D মৌলের যোজ্যতা ইলেকট্রন একই।
উদ্দীপকের A ও C মৌল দুইটি পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে। A ও C মৌলদ্বয়ের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 6 ও 16 হওয়ায় মৌলদুটি যথাক্রমে কার্বন (C) ও সালফার (S)।
কোনো মৌলের সর্ববহিঃস্থ স্তরের অযুগ্ম ইলেকট্রন সংখ্যাই ঐ মৌলের যোজ্যতা নির্দেশ করে।
6C এর ইলেকট্রন বিন্যাস →
এখানে C এর সর্ববহিঃস্থ স্তরে ২টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। তাই এখানে কার্বনের যোজনী 2 ।
উত্তেজিত অবস্থায় কার্বনের ইলেকট্রন বিন্যাস-
এখানে 4 হওয়ায় কার্বনের যোজনী 4। সাধারণ অবস্থায় ১ এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
এখানে এর যোজনী 2 । উত্তেজিত অবস্থায় ১ এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
উল্লিখিত দুটি ইলেকট্রন বিন্যাসে ৪ এর সর্ববহিঃস্থ স্তরের অযুগ্ম ইলেকট্রন সংখ্যা 4 ও 6 হওয়ায় এখানে S এর যোজনী 4 ও 6
অতএব, A ও C উভয়ই পরিবর্তনশীল যোজনী প্রদর্শন করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!