সজিব ও নাসিমের চিন্তাভাবনা কীসের ইঙ্গিত বহন করে? ব্যাখ্যা করো। (প্রয়োগ)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সজিব ও নাসিমের ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য কাজ করার চিন্তা-ভাবনা ইসলামি দাওয়াহর ইঙ্গিত বহন করে। শরিয়তের পরিভাষায়, মানুষকে ইসলাম গ্রহণ ও পালনের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতিতে ডাকা বা আহ্বান করাকে ইসলামি দাওয়াহ বা দাওয়াত বলে। দাওয়াতের মাধ্যমে পথভ্রষ্ট মানুষকে সঠিক পথে আনা যায়। এ দাওয়াতের কাজ করার জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে পৃথিবীতে অসংখ্য নবি ও রাসুল প্রেরণ করেছেন। তারা পথহারা মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন। ইসলামের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠার একটা বড় অংশ হয়েছে দাওয়াতের মাধ্যমেই। সজিব ও নাসিমের চিন্তা-ভাবনা ও কাজে এ দাওয়াতের বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, সজিব ও নাসিম এসএসসি পরীক্ষার পর অবসর সময়ে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য কাজ করতে চায়। তাদের এ কাজটি ইসলামি দাওয়াহর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ইসলাম প্রচার ও প্রসারে দাওয়াহর ভূমিকা অপরিসীম। দাওয়াত ও তাবলিগ ইসলামের প্রসারে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত নবি-রাসুল এসেছেন তারা সবাই এ দাওয়াতের কাজ করেছেন। সুতরাং বলা যায়, সজিব ও নাসিম অবসরে ইসলামের প্রচার-প্রসারে কাজ করতে চাওয়ার মাধ্যমে ইসলামি দাওয়াহর কাজেই আত্মনিয়োগ করতে চেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
97

Related Question

View All
উত্তরঃ

 উখওয়াত অর্থ ভ্রাতৃত্ব, হৃদ্যতা, সৌহার্দ্য ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
372
উত্তরঃ

'আমার বিল মারুফ' অর্থ সৎকাজের আদেশ অর্থাৎ কোনো মানুষকে আল্লাহর নির্দেশিত পথে জীবন পরিচালনার জন্য যে আহ্বান করা হয় তাকে সৎকাজের আদেশ বলে। 'নাহি আনিল মুনকার' অর্থ অসৎকাজে নিষেধ অর্থাৎ মানুষকে আল্লাহ যা করতে অথবা যে পথে চলতে নিষেধ করেছেন, সেই দিক নিদের্শনা দেওয়াকে অসৎকাজে নিষেধ বলে। প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য হলো সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজে বাধা দেওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.2k
উত্তরঃ

সাকিবের কাজটির জন্য তাকে দাঈ বা ধর্ম প্রচারক বলা হবে। সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজে বাধা দেওয়া নামাজ-রোজার মতোই একটি ফরজ ইবাদত। আর যারা এ ধরনের কাজ করে থাকেন তাদেরকে দাঈ বলা হয়। অর্থাৎ ইসলামি আদর্শের প্রতি মানুষকে আহ্বানকারীকে দাঈ বলা হয়। সমাজে সৎকাজের আদেশদান ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করার জন্য সবসময়ই কিছু সংখ্যক লোক বিদ্যমান থাকতে হয়। অন্যথায় সমাজ অন্যায়- অত্যাচার, সন্ত্রাস প্রভৃতি খারাপ কাজে ছেয়ে যায়। তাই মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা এবং সৎকাজে অনুপ্রাণিত করা মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিগণিত এবং এ ধরনের মুমিনকে দাঈ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

উদ্দীপকের সাকিব শিক্ষকের কাছ থেকে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধের গুরুত্ব বুঝতে পেরে ঠিক করল যে, সে প্রতিদিন তার সময় ও সুযোগ বুঝে মানুষকে আল্লাহ ও রাসুলের পথে কাজ করার আহ্বান করবে এবং নিজেও সেই মোতাবেক চলবে। আর এক্ষেত্রে সে সর্বপ্রথম টার্গেট বা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তার বন্ধু-বান্ধব ও নিকট আত্মীয়দের মধ্যেই সে প্রথম দাওয়াতি কাজ করবে। এক্ষেত্রে সে দাওয়াতি কাজটি একাই করবে না বরং তার বন্ধু-বান্ধবদেরকেও করতে উৎসাহিত করবে যাতে এটি প্রসারতা লাভ করে। সাকিবের এই কাজটি মানুষকে ইসলামের পথে আহ্বান জানানোর সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় তাকে দাঈ হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
272
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শিক্ষকের বক্তব্যের আলোকে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজে নিষেধ একটি ফরজ কাজ। যার নির্দেশনা আল্লাহ তায়ালা অসংখ্য আয়াতের মাধ্যমে দিয়েছেন। আর এটাই আল্লাহর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (স)-এর মিশন ছিল। তার দাওয়াতি কাজই ছিল মানুষকে সৎপথে তথা কল্যাণের পথে আহ্বান করা আর অসৎপথে বাধা দেওয়া। শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী- যে ব্যক্তি মানুষকে সৎকাজের আদেশ দিবে না এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে না সে একজন পূর্ণাঙ্গ মুমিন হতে পারবে না।

শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়ার জন্য আল্লাহর প্রতিটি আদেশ ও নিষেধ মানা আবশ্যক। আর এর মধ্যে সৎকাজের আদেশ প্রদান ও অসৎকাজে বাধা প্রদান অন্যতম। এর গুরুত্ব সম্বন্ধে আল্লাহ তায়ালা বলেন- 'তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমাদের আবির্ভাব। তোমরা সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ইমান তথা বিশ্বাস রাখবে (সুরা আলে ইমরান-১১০)'।

উল্লিখিত আয়াতের দিকে লক্ষ করলে এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, আমর বিল মারুফ অর্থাৎ সৎকাজের আদেশ আর নাহি আনিল মুনকার তথা অসৎকাজে নিষেধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা, পারিবারিক ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এটির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী প্রত্যেকে তার সাধ্যমতো মানুষকে সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখবে। আর এটি একজন মুমিন ব্যক্তির জন্য অবশ্য কর্তব্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
284
উত্তরঃ

ইসলামি আদর্শ, বিশ্বাস ও ইসলামের অনুশীলনের ফলে মুসলিমদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ব গড়ে ওঠে তাকে ইসলামি ভ্রাতৃত্ব বলে। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীগণ পরস্পর ভাই ভাই। মহান আল্লাহর তাওহিদ এবং মহানবি (স) এর রিসালাত মুসলমানদের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের যোগসূত্র। অর্থাৎ ইসলামের সুমহান আদর্শের ভিত্তিতে বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ব গড়ে ওঠে, তা-ই ইসলামি ভ্রাতৃত্ব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews