সৌদি আরবে ধর্মসংস্কার আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন মুহম্মদ বিন আব্দুল ওহাব। মুসলিম সমাজে পিরপূজা, কবরপূজা, কোনো উদ্দেশ্য পূর্ণ করবার জন্য মানত প্রভৃতি কুসংস্কার সমাজে প্রচলিত ছিল। তিনি এগুলোর তীব্র নিন্দা করেন। পিরপূজা, দরবেশদের পূজা, কবর দর্শন প্রভৃতি তিনি নিষিদ্ধ করেন। তার পরিচালিত এই আন্দোলন "ওহাবি আন্দোলন" নামে পরিচিতি ছিল। তার এই আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন আরব সমাজকে নানা কুসংস্কার থেকে মুক্ত করেন এবং জনগণকে ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য।
দেওয়ানি লাভের ফলে কোম্পানি আইনত ও কার্যত বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার পূর্ণ কর্তৃত্বের অধিকারী হয়। দেওয়ানি লাভের মধ্য দিয়েই কোম্পানি বাংলায় দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করার সুযোগ লাভ করে। ফলে বাংলার অর্থনীতি বিপর্যন্ত হয়ে পড়ে। এ দেওয়ানি শাসনের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পর্যায়ে প্রথমে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যায় এবং পরে সমগ্র ভারতে কোম্পানির রাজনৈতিক কর্তৃত্বের বিস্তার ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সমাজ সংস্কারকের সাথে আমার পঠিত সমাজ সংস্কারক হাজী শরীয়তুল্লাহর মিল লক্ষ করা যায়।

ভারতীয় উপমহাদেশে যেসব ধর্মীয় নেতা সমাজ সংস্কারক ছিলেন তার মধ্যে হাজি শরীয়তুল্লাহ অন্যতম। তৎকালীন মুসলমান সমাজে প্রচলিত কবরপূজা, পিরপূজা, উরস ও মানতের মতো নানা ধর্মীয় কুসংস্কার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে তিনি উদ্বিগ্ন হন এবং এগুলোর তীব্র নিন্দা করেন। তিনি কালীপূজা, লক্ষ্মীপূজা, কবরপূজা, নৃত্যগীত ইত্যাদি শিরক ও অনৈসলামিক কর্ম থেকে বিরত থাকার জন্য মুসলমানদের উপদেশ দেন। পূর্ব বাংলায় অধঃপতিত মুসলিম সমাজে বিদ্যমান নানাবিধ কুসংস্কার দূরীকরণ ও ইসলাম ধর্মের আদি অবস্থায় ফিরে যাওয়ার মানসিকতা নিয়ে আল্লাহ মনোনীত সকল ফরজ কাজ সম্পাদনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তার এ আন্দোলন ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

উদ্দীপকেও দেখা যায়, সৌদি আরবে ধর্মসংস্কার আন্দোলনের সূচনাকারী মুহম্মদ বিন আব্দুল ওহাব মুসলিম সমাজে পিরপূজা, কবরপূজা, কোনো উদ্দেশ্য পূর্ণ করার জন্য মানত প্রভৃতি কর্মকাণ্ডকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তার পরিচালিত এ আন্দোলন ওহাবি আন্দোলন নামে পরিচিত। তিনি এ আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন আরব সমাজকে নানা কুসংস্কার থেকে মুক্ত করেন এবং জনগণকে ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলেন। ঠিক এভাবেই হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মুসলিম সমাজে ধর্মীয় জাগরণের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করেছিলেন। সুতরাং বোঝা যায়, উদ্দীপকের সমাজ সংস্কারের সাথে হাজী শরীয়তুল্লাহর সমাজ সংস্কার সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকের সংস্কারকের সংস্কার আন্দোলন এবং হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রবর্তিত আন্দোলনের গতি-প্রকৃতি এক ও অভিন্ন বলে আমি মনে করি।

ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনগুলোর মধ্যে হালী শরীয়তুল্লাহ প্রবর্তিত ফরায়েজি আন্দোলন অন্যতম। তার এ আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল একদিকে মুসলমানদেরকে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে সচেতন করে তোলা এবং অন্যদিকে ব্রিটিশদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করা। তৎকালীন মুসলিম সমাজকে কবরপূজা, পিরপূজা, মানত করা প্রভৃতি ধর্মীয় কুসংস্কার প্রচলিত ছিল। ইসলামের মূলনীতি অর্থাৎ ফরজের দিকে মুসলমানদের পরিচালিত করাই হাজী শরীয়তুল্লাহর এ আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। একইভাবে উদ্দীপকের সমাজ সংস্কারকও তার ওহাবি আন্দোলনের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে পিরপূজা, কবরপূজা, মানত, পির-দরবেশদের প্রতি অনুরক্ত থাকা প্রভৃতি নানাবিধ কুসংস্কার থেকে মুক্ত করে ইসলামের মূলনীতি তথা প্রকৃত ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা চালান। এছাড়া তিনি তৎকালীন আরব সমাজকে নানা কুসংস্কার থেকে মুক্ত করার পাশাপাশি ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলেন। হাজি শরীয়তুল্লাহও তার ফরায়েজি আন্দোলনের মাধ্যমে মুসলিম জাগরণের পাশাপাশি অত্যাচারী ব্রিটিশ নীলকর ও হিন্দু জমিদারদের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণকে প্রতিবাদী করে তুলতে সক্ষম হন। তিনি তার অনুসারীদেরকে জমিদারদের। অত্যাচার থেকে রক্ষা করার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের পরামর্শ দেন। এভাবে সাধারণ জনগণ রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে ওঠে।
উপর্যুক্ত আলোচনায় দেখা যায়, উদ্দীপকের সংস্কারকের আন্দোলনের ন্যায় হাজি শরীয়তুল্লাহর সংস্কার আন্দোলনও একই উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
29

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর লর্ড ক্লাইভ বাংলা প্রদেশকে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করে, তা-ই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।
দ্বৈত শাসন হলো দুইজনের শাসন। এ ব্যবস্থায় বাংলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ফৌজদারি বিচার, শান্তিরক্ষা, দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নবাবের ওপর। অন্যদিকে বাংলার রাজস্ব আদায়, দেওয়ানি সংক্রান্ত বিচার, জমি-জমার বিবাদ সম্পর্কিত বিচার কোম্পানির ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পান ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। লর্ড ক্লাইভের বাংলা শাসনের এ অভিনব নীতিই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
160
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকে উল্লিখিত ব্রিটিশ শাসনামলের ঐতিহাসিক ঘটনা বঙ্গভঙ্গের মিল রয়েছে।

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ঔপনিবেশিক শাসনামলে ব্রিটিশ শাসকদের 'ভাগ কর শাসন কর' নীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো বক্তাভঙ্গ। ভারতে নিযুক্ত তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা চিন্তা করে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তদানীন্তন বা প্রেসিডেন্সিকে দুটি ভাগে ভাগ করেন। উদ্দীপকে বর্ণিত সুদানের জনগণকে দুটি শিবিরে বিভক্ত করার মধ্যে তার এ কর্মকান্ডেরই সুস্পষ্ট প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।
দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক শাসনে থাকা সুদানকে শাসন করার জন্য এক সময় ঔপনিবেশিক শাসকেরা এ অঞ্চলের জনগণকে দুটি শিবিরে বিভক্ত করে। একইভাবে লর্ড কার্জন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় হয়ে এসে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। কারণ বাংলা প্রদেশ ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রদেশসমূহের মধ্যে সর্ববৃহৎ। এর আয়তন ছিল ১ লক্ষ ৮৯ হাজার বর্গমাইল এবং লোকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ কোটি। ফলে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিত। এছাড়া পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় আর্থ-সামাজিক সুবিধাটি নিশ্চিত করা এবং ব্রিটিশদের Divide and Rule Policy-এর বাস্তবায়ন করার জন্য এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য লর্ড কার্জন বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে দুটি প্রদেশে রূপান্তরিত করেন, যা বজাভা হিসেবেই সমধিক পরিচিত। এ পরিকল্পনা অনুসারে বাংলাকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগ (দার্জিলিং বাদে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ জেলাসহ) এবং আসাম নিয়ে 'পূর্ব-বাংলা ও আসাম' নামে একটি নতুন প্রদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ঢাকাকে নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় এবং এর শাসনভার অর্পণ করা হয় স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারের ওপর। কলকাতাকে রাজধানী করে অবিভক্ত বাংলার অন্যান্য অংশ নিয়ে 'বজল প্রদেশ' প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাই দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকে বর্ণিত সুদানের জনগণকে দুটি শিবিরে ভাগ করার সাথে ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গভঙ্গের ঘটনা সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
81
উত্তরঃ

বঙ্গভঙ্গের ফলে ভারতীয় হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। পূর্ব বাংলার জনগণের নিকট বঙ্গভঙ্গ ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বঙ্গভঙ্গের ফলে মুসলমানরা সামাজিক মর্যাদা ফিরে পায় এবং তাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম তথা সার্বিক দিকে প্রগতি নিশ্চিত করার শুভ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে, যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

ব্রিটিশ ভারতে বাঙ্গ প্রদেশকে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবরা এই দুই অঞ্চলে বিভন্ত করা হলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। মুসলমান সম্প্রদায় ব্যাপকভাবে সমর্থন জানালেও কলকাতাকেন্দ্রিক উচ্চ ও মধ্যবিত্ত হিন্দু সমাজ বকাভকোর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকে। কারণ বক্তাভলোর ফলে তাদের অর্থনৈতিক ও পেশাগত স্বার্থ ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাছাড়া কলকাতার বৃদ্ধিজীবী মহল থেকে প্রচার করা হয় যে, বঙ্গভঙ্গের অর্থ হলো 'মাতৃভূমিকে বিভক্ত করা'। তাই বজ্ঞাভজোর প্রতিবাদস্বরূপ তারা ব্রিটিশ পণ্য বর্জনে স্বদেশি আন্দোলন ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে থাকে। বঙ্গভজ্ঞজাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস ও হিন্দুদের প্রচণ্ড বিরোধিতায় ব্রিটিশ সরকার নতি স্বীকার করে। দিল্লির রাজদরবারে ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা বজাভঙ্গ রদ ঘোষণা করে দুই বাংলাকে আবার একত্র করে।
সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বঙ্গভজোর ফলে মুসলমানরা কিছুটা লাভবান হলেও হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ফাটল ধরে। উভয়ের মধ্যে সন্দেহ, রেষারেষি মারাত্মক পর্যায়ে রূপ নেয়। এ বৈরী সম্পর্কের রেশ ধরেই এক সময় তারা আলাদা হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
75
উত্তরঃ

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর লর্ড ক্লাইভ বাংলা প্রদেশকে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করে, তা-ই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত। দ্বৈত শাসন হলো দুইজনের শাসন। এ ব্যবস্থায় বাংলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ফৌজদারি বিচার, শান্তিরক্ষা, দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নবাবের ওপর। অন্যদিকে বাংলার রাজস্ব আদায়, দেওয়ানি সংক্রান্ত বিচার, জমি-জমার বিবাদ সম্পর্কিত বিচার কোম্পানির ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পান ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। লর্ড ক্লাইভের বাংলা শাসনের এ অভিনব নীতিই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
132
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews