যৌগে সালফারের শতকরা সংযুতি 32.65% l
যৌগে অক্সিজেনের শতকরা সংযুতি 45.28% l
একটি অণুতে বিভিন্ন পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত বোঝাতে স্থূল সংকেত প্রবর্তন করা হয়েছে l
একটি অণুতে বিভিন্ন পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত বোঝাতে স্থূল সংকেত প্রবর্তন করা হয়েছে l
একটি অণুতে বিভিন্ন পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত বোঝাতে স্থূল সংকেত প্রবর্তন করা হয়েছে l
NaOH এ OH যৌগমূলকের শতকরা সংযুতি 42.50% l
NaOH অণুতে অক্সিজেনের শতকরা সংযুতি 40.00% l
বেনজিনের স্থূল সংকেত CH l
বেনজিনের আণবিক ভর 78 l
বেনজিনের স্থূল সংকেতের ভর 13 l
গ্লুকোজ, পানি, বেনজিন যৌগগুলোর মধ্যে পানি স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত একই l
গ্লুকোজের স্থূল সংকেত l
মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেন পরমাণুর অনুপাত. 1: 4 l
CH বেনজিন ও ইথাইন দুটি যৌগের স্থূল সংকেত l
যৌগের আণবিক সংকেত তার স্থূল সংকেতের- সরল গুণিতক l
কোনো যৌগের স্থূল সংকেত CH ও আণবিক ভর 78 হলে আণবিক সংকেত l
এর আপেক্ষিক আণবিক ভর 98 l
একটি যৌগের স্থূল সংকেত CH এবং আণবিক ভর 26 হলে আণবিক সংকেত l
সালফিউরিক এসিডের স্থূল সংকেত l
কোনো যৌগে কার্বনের সংযুতি 92.31% এবং হাইড্রোজেনের 7.69% হলে যৌগটির স্থূল সংকেত CH ।
ইথিনের স্থূল সংকেত l
ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডে অক্সিজেনের শতকরা সংযুক্তি 40.0%l
অ্যামোনিয়ার স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত (অভিন্ন l
রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে l
রাসায়নিক সমীকরণ রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সংক্ষেপে উপস্থাপন l
যে সকল পদার্থ নিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করা হয় তাকে বিক্রিয়ক বলে l
বিক্রিয়ার ফলে নতুন ধর্মবিশিষ্ট যে পদার্থ উৎপন্ন হয় তাকে উৎপাদ বলে l
রাসায়নিক সমীকরণে বিক্রিয়ক বা উৎপাদের কঠিন অবস্থা প্রকাশ করতে (s )চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
কোনো পদার্থের জলীয় দ্রবণ বোঝাতে (aq)চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
রাসায়নিক সমীকরণে উৎপাদ ও বিক্রিয়কের মাঝখানে ব্যবহৃত হয় (=) বা (→) চিহ্ন l
কঠিন কার্বন, অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়ায় কার্বনের অবস্থা বোঝাতে (s) চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া তাপ প্রয়োগে সংঘটিত হলে সেক্ষেত্রে তীরের উপর চিহ্ন ব্যবহৃত হয় l
রাসায়নিক বিক্রিয়াকে রাসায়নিক সমীকরণের সাহায্যে সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয় l
ম্যাগনেসিয়াম ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়l
সোডিয়াম কার্বনেট ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়ায় সমতাকৃত সমীকরণ লিখ l
রসায়নের স্টয়কিওমিতি শাখায় বিক্রিয়কের এবং উৎপাদের পরিমাণ হিসাব করা হয়l
5 g Mg ধাতু 3.33 g গ্রাম অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে MgO তৈরি করেl
3g Mg ধাতুর সাথে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করলে 5 g গ্রাম MgO উৎপন্ন হয় l
4 টি অণু থেকে 4 টি অণু উৎপন্ন হবে l
বিক্রিয়ায় টি হাইড্রোজেন অণু অংশগ্রহণ করেl
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে সকল পদার্থ অংশগ্রহণ করে তাদেরকে বিক্রিয়ক বলে l
বিক্রিয়ার সময় একাধিক বিক্রিয়কের মধ্যে যে বিক্রিয়ক অবশিষ্ট থাকে না তাকে লিমিটিং বিক্রিয়ক বলে l
, উৎপাদের জন্য 30 এবং 6 gসরবরাহ করা হলে লিমিটিং বিক্রিয়ক l
রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়কের পরিমাণ বিক্রিয়কটি লিমিটিং বিক্রিয়ক হবে তা কীসের উপর নির্ভর করে l
4g Mg পরমাণুর মধ্যে 4 টি অণু মিশ্রিত করা হলে ম্যাগনেসিয়াম (Mg) লিমিটিং বিক্রিয়কl
অ্যানালার পদার্থের বিশুদ্ধতার সর্বোচ্চ হার 99% l
যে বিক্রিয়ক সবচেয়ে বেশি বিশুদ্ধ তাকে অ্যানালার গ্রেড বলে l
2g ম্যাগনেসিয়াম ধাতু প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে 3.25 g MgO উৎপন্ন করে। উৎপাদের শতকরা পরিমাণ 97.6% l
2g ম্যাগনেসিয়াম থেকে 3.33 g পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন হয় l
প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ ধরনের পদার্থ l
250 mL আয়তনিক ফ্লাস্কে 0.1 মোলার সোডিয়াম কার্বনেটের দ্রবণ তৈরি করতে 2.65 gপরিমাণ দ্রব প্রয়োজন l
এর বাণিজ্যিক নাম তুঁতে l
তুঁতের। অণুতে যুক্ত পানির আণবিক ভর 90 g l
এ কেলাস পানির শতকরা সংযুক্তি 36.07% l
পানিবিহীন এর বর্ণ সাদা l
আর্দ্র তুঁতের বর্ণ নীল l
নীল বর্ণের কপার সালফেটকে উত্তপ্ত করলে তা সাদা বর্ণ ধারণ করার কারণ পানি বাষ্পীভূত হয় l
তুঁতের রাসায়নিক নাম পেন্টাহাইড্রেট কপার সালফেট l
তুঁতের 1 অণুতে অক্সিজেনের সংযুতি 57.72% l
তুঁতের আণবিক ভর 249.5 l
HCI অণুতে ক্লোরিনের সংযুক্তি 97.26% l
তুঁতেতে 5 অণু অণু পানি থাকে l
। তুঁতেতে কেলাস পানির শতকরা সংযুতি 36.07%
Related Question
View Allমোল হলো রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক। কোনো পদার্থের যে পরিমাণের মধ্যে টি পরমাণু, অণু বা আয়ন থাকে সেই পরিমাণকে ঐ পদার্থের মোল বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, টি = 1 মোল
অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা মূলত কোনো পদার্থের এক মোলে কতগুলো পরমাণু, অণু বা আয়ন থাকে, সেই সংখ্যাকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ, যদি আমরা কোনো পদার্থের এক মোল নিই, তাহলে সেখানে প্রায় টি কণা থাকবে। এই সংখ্যাকেই অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা বলে। উদাহরণস্বরূপ, এক মোল কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসে টি অণু থাকবে।
রাসায়নিক পদার্থের (পরমাণুর ক্ষেত্রে) পারমাণবিক ভর অথবা (অণুর ক্ষেত্রে) আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তাকে ঐ পদার্থের এক মোল বলা হয়। যেমন কার্বনের পারমাণবিক ভর 12। অতএব 12 গ্রাম C পরমাণু । মোল C পরমাণু। অর্থাৎ 12 গ্রাম কার্বনে টি পরমাণু থাকবে।
কোনো রাসায়নিক পদার্থের যে পরিমাণে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে তাকে পদার্থের এক মোল বলে। একে গ্রাম আণবিক ভরও বলা হয়। এক মোল বলতে বুঝায় এতে এর টি অণু বিদ্যমান। আবার এক মোল বলতে কেও বুঝানো হয়।
তে একটি ১ এবং দুইটি ০ পরমাণু আছে।
সুতরাং এর আণবিক ভর
= ( এর পারমাণবিক ভর) + ( এর পারমাণবিক ভর)
"সুতরাং, এর আণবিক ভর
এর আণবিক ভর
28 g নাইট্রোজেনের গ্যাসে অণুর সংখ্যা টি
‘’ ‘’ ‘’ ‘’
টি
নাইট্রোজেন গ্যাসে টি অণু আছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!