উদ্দীপকে উল্লিখিত Q এবং R দ্বারা যথাক্রমে প্লান্টি এবং অ্যানিমেলিয়া রাজ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে রাজ্য দুটির মধ্যেকার পার্থক্যগুলো দেওয়া হলো-
প্লান্টি রাজ্যের সদস্যদের কোষে কোষপ্রাচীর বিদ্যমান। অপরদিকে, অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের সদস্যদের কোষে কোষপ্রাচীর অনুপস্থিত। প্লানটি রাজ্যের জীবদের কোষে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিড থাকে। ক্লোরোফিলের সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এরা নিজেদের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করে অর্থাৎ স্বভোজী। এদের কোষে সেন্ট্রিওল থাকে না। এরা চলনে অক্ষম। অপরদিকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবকোষে সেন্ট্রিওল থাকে। এরা হেটারোট্রপিক বা পরভোজী এবং গলাধঃকরণ পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে। এরা চলনে সক্ষম। প্লানটি রাজ্যের জীবদের দেহকাঠামো সেলুলোজ দ্বারা গঠিত। এদের দেহে উন্নত টিস্যু বিদ্যমান। অপরদিকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবকোষে দেহকাঠামো সাধারণত অস্থি দ্বারা গঠিত। এদের দেহে জটিল টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। প্লানটি রাজ্যের জীবদের পরিবহন কলার মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন স্থানে পানি, খনিজ লবণ, প্রস্তুতকৃত খাদ্য, ইত্যাদি পরিবাহিত হয়। অপরদিকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবকোষে রক্তসংবহন তন্ত্রের রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, খাদ্য উপাদান, ইত্যাদি পরিবাহিত হয়। প্লানটি রাজ্যের জীবদের যৌন বা অযৌন জনন দ্বারা বংশবিস্তার ঘটে। অপরদিকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের প্রাণীরা উৎপন্ন হয় কিন্তু ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি হয় না। এরা সপুষ্পক উদ্ভিদ। এরা যৌন জননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। এদের ভ্রূণ তৈরি হয় এবং ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি হয়।
Related Question
View Allজীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিটি ধাপই শ্রেণিবিন্যাসের একক।
বংশগতিবিদ্যায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো জীববিজ্ঞানের ভৌত শাখার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
এ কারণেই বংশগতিবিদ্যাকে জীববিজ্ঞানের ভৌত শাখা বলা হয়।
চিত্র-২ এর উদ্ভিদটির নামকরণের ক্ষেত্রে যেভাবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো-
i.উদ্ভিদটির নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন শব্দ ব্যবহার করব।
ii. বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ। প্রথমটি হবে গণের এবং দ্বিতীয়টি হবে প্রজাতির।
iii.উদ্ভিদটির নামকরণে বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষরটি বড় অক্ষরে, এবং বাকি অক্ষরগুলো ছোট অক্ষরে লিখবো আর দ্বিতীয় অংশটির নাম ছোট অক্ষর দিয়ে লিখবো।
iv. উদ্ভিদটির নাম মুদ্রণের সময় অবশ্যই ইটালিক অক্ষরে লিখবো।
V.উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতি নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিবো।
vi. যিনি উদ্ভিদটির নাম সর্বপ্রথম দিয়েছিলেন তাঁর নামের সংক্ষিপ্তরূপ বৈজ্ঞানিক নামের শেষে যোগ করবো। যেমন- লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো- L ।
চিত্র-১ হলো মাশরুম এবং চিত্র-২ হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। উদ্দীপকের জীব দুটির মধ্যে চিত্র-২ এর জীবটি বা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ অধিক উন্নত। নিচে এর কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
i. মাশরুম অপুষ্পক, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি সপুষ্পক। সপুষ্পক উদ্ভিদ সর্বদাই অপুষ্পক উদ্ভিদ অপেক্ষা উন্নত।
ii. মাশরুম নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
iii. মাশরুম স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায়। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায় যা উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য।
iv. মাশরুমকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটিকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।
V.পরিবহণ কলাগুচ্ছ উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। এই পরিবহণ কলাগুচ্ছ মাশরুমে অনুপস্থিত, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে উপস্থিত।
vi. মাশরুমের দেহ নরম, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদদেহ বেশ শক্ত। শক্ত উদ্ভিদদেহ উন্নত উদ্ভিদেরই বৈশিষ্ট্য বহন করে।
পৃথিবীর বিশাল ও বৈচিত্র্যময় জীবজগৎকে সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে ও অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানার উদ্দেশ্যে সুষ্ঠুভাবে বিন্যাস করার জন্য জীববিজ্ঞানের স্বতন্ত্র শাখাই হলো শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
অঙ্গসংস্থান ভৌত জীববিজ্ঞানের একটি শাখা। এর উদ্দেশ্য হলো জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা করা। জীবদেহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উভয়ই বর্ণনা করে অঙ্গসংস্থান। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃঅঙ্গসংস্থান এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান বলে। জীবের দৈহিক গঠনের বর্ণনা জেনে ঐ জীবকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!