একজন পুরুষ বা নারী হিসেবে আমাদের যে সামাজিক পরিচয়। রয়েছে তাকে জেন্ডার বলে।
শব্দ যখন সহনীয় মাত্রার চেয়ে তীব্র হয়ে শরীর ও মনের ক্ষতি করে এবং আমাদের মাঝে বিরক্তির সৃষ্টি করে, তখন তাকে শব্দ দূষণ বলে।
মানুষের জন্য শব্দের সহনীয় মাত্রা হচ্ছে ৫০-৭০ ডেসিবল। সাধারণত আবাসিক এলাকায় শব্দের অনুমোদিত মাত্রা হচ্ছে ৫০ ডেসিবেল এবং বাণিজ্যিক এলাকায় এর মাত্রা ৭০ ডেসিবেল। এর থেকে অতিরিক্ত মাত্রার শব্দই শব্দদূষণ।
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ বিষয়টি প্রযোজ্য হবে।
জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় হুমকি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বহুবিধ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে পারে। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও অন্যান্য গ্যাস জমে পৃথিবীর উপরিভাগ উত্তপ্ত হচ্ছে। যার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার কোনো কোনো এলাকায় বৃষ্টিপাতের তুলনায় বাষ্পীভবনের মাত্রা বেশি হলে সেখানে খরা দেখা দেয়। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সামুদ্রিক লোনা পানি দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে উপকূলীয় নদ-নদীর লবণাক্ততা বাড়িয়ে দেবে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে এবং বর্ষাকালে নদীনালাতে পানি প্রবাহ অধিক মাত্রায় বেড়ে যাবে, যার ফলে দেশে বার বার বন্যা হবে। অন্যদিকে বন্যার কারণে নদীভাঙনের সৃষ্টি হবে। নদীভাঙনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হবে। এছাড়াও অতিবর্ষণের সময় পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস হতে পারে।
উদ্দীপকের চিত্রে উল্লিখিত খরা, প্লাবন, সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ভূমিধস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও নদী ভাঙন প্রভৃতি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে ফুটিয়ে তুলছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে'?' চিহ্নিত স্থানে জলবায়ুর পরিবর্তন বিষয়টিই প্রযোজ্য হবে।
উদ্দীপকের প্রযোজ্য বিষয় তথা জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের দ্বারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ।
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বিপন্ন অবস্থায় আছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতাই এর মূল কারণ। আর এ কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশকে দিতে হয় চরম মূল্য। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রতিবছরই বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে, যায় মধ্যে রয়েছে প্লাবন, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, খরা, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন ও ভূমি গঠনের ভারসাম্যহীনতা। বন্যা বাংলাদেশের নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। বাংলাদেশের প্রতিবছর মে-জুন এবং অক্টোবর-নভেম্বর মাসে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় দেখা দেয়। সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, কুড়িগ্রাম ইত্যাদি এলাকা সবচেয়ে বেশি বন্যা পরবর্তী নদীভাঙনের শিকার হয়। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরিপে এ পর্যন্ত ১,২০০ কিলোমিটার নদী তীর ভেঙে গেছে এবং আরও ৫০০ কিলোমিটার ভাঙনের সম্মুখীন। অন্যদিকে, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে সামুদ্রিক লোনা পানি দেশের অভ্যন্তরে লবণাক্ততা বাড়িয়ে দিচ্ছে প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত ও পানির অভাবে দেশের উত্তর-পশ্চিমে বর্ষা মৌসুমে ফসল আবাদে অসুবিধা দেখা দেয় এবং ধানের ফলনও খুব কমে যায়। এছাড়া জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে ক্যাটারিনা, সিডর, আইলা, নারগিস ও মহাসেন নামের বেশ কয়েকটি ঘূর্ণিঝড় হয়েছে। ১৯৯৬ সালে টাঙ্গাইলে এবং ১৯৯৮ সালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার টর্নেডো ছিল সবচেয়ে মারাত্মক।
উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ বাংলাদেশের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হবে।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!