Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

কৃষিবন হলো এক ধরনের ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি যার মাধ্যমে একই জমিতে একই সাথে পর্যায়ক্রমিকভাবে বৃক্ষ, খাদ্য বা পশুখাদ্যের চাষাবাদের মাধ্যমে জমির সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে মেলায় বনজ সম্পদ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বৃক্ষের চারা উৎপাদন, বৃক্ষরোপণ, সংরক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবহারের আগ্রহ সৃষ্টির প্রয়াস চালানো হয় তাকে বৃক্ষমেলা বলে। দেশের বনজসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা, চারা রোপণ কলাকৌশল, বৃক্ষরোপণ বিষয়ক তথ্য-উপাত্ত সম্বলিত পোস্টার সর্বসাধারণের মাঝে প্রদর্শন ও বিক্রি করার জন্য উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষ মেলার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তাদের অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করা, জনগণের মধ্যে সুলভ মূল্যে চারা সরবরাহ ও বনায়ন করার কলা- কৌশল হস্তান্তর করা এবং বৃক্ষ সম্পদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সর্বসাধারণের অংশগ্রহণ করানো ও দেশকে স্বনির্ভর করার জন্য বৃক্ষ মেলার আয়োজন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদর্শিত C হচ্ছে বনের জীববৈচিত্র্যগত গুরুত্ব। জীববৈচিত্র্য হলো বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীবের সক্রিয় উপস্থিতি, বিস্তৃতি ও পারস্পরিক প্রাকৃতিক সুষম সহাবস্থান। জীব অর্থাৎ উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীবের মধ্যে প্রচুর বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর এ জীববৈচিত্র্য মানবজাতির এক অমূল্য সম্পদ। নিচে বনের জীববৈচিত্র্যগত গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো-

১. প্রাণীর খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষাকল্পে বন্য জীবজন্তুসমূহ ও পোকামাকড়, পাখি, গাছপালা প্রাকৃতিক চক্রের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে বিধায় এগুলো রক্ষা করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। 

২. পৃথিবীর প্রতিটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর কোনো না কোনো উপকারী ভূমিকা রয়েছে। এদের মধ্যে অনেক প্রজাতি রয়েছে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানুষের উপকারে আসছে। 

৩. বনাঞ্চল বন্য জীবজন্তু, পশুপাখি ও গাছপালা বিলুপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে। 

৪. প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা বনভূমি পশুপাখি, পোকামাকড় ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। 

৫. জৈবিক উৎপাদনশীলতা রক্ষা ও প্রাণিকুলের প্রজনন, সংক্রান্ত গবেষণা কাজে উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের প্রয়োজনে গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য বহুল জার্মপ্লাজম বনাঞ্চল হতে সংগ্রহ করতে হয়। 

৬. ভেষজ ঔষধের জন্য বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখনো অনেক প্রাণী, লতাগুল্ম, উদ্ভিদ শনাক্ত করা সম্ভব হয় নি, যা মানব কল্যাণের জন্য ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বহন করতে পারে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উল্লিখিত ছকে বনের জীববৈচিত্র্যগত গুরুত্ব উদ্ভিদ ও প্রাণীর অস্তিত্ব রক্ষা করে।

আমাদের চারপাশের পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের জীবের উপস্থিতিই হল জীব বৈচিত্র্য। বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্যের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত। এ দেশে প্রায় ৭,০০০ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৭১০ প্রজাতির পাখি, ১৩০ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫৬ প্রজাতির উভচর প্রাণী এবং প্রায় ৬৩৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য হুমকীর সম্মুখীন। বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী এখন বিলুপ্তির পথে এবং অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বুনো গরু, এক শিংওয়ালা গন্ডার, বুনো মহিষ ইত্যাদি এখন বিলুপ্ত প্রজাতি। এক সময় সুন্দরবনে অনেক বাঘ পাওয়া যেত যার সংখ্যা এখন খুবই কম। বন হল উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিচরণ স্থান। উদ্ভিদ ও প্রাণী খাদ্যশৃঙ্খল বজায় রাখার মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে যেমন- ফড়িং ঘাস খায়, ব্যাঙ ফড়িং খায়, সাপ ব্যাঙ খায় এবং শেষে বাজপাখি সাপ খায়। এই শৃঙ্খলের যেকোন এক প্রজাতি বিলুপ্ত হলে এর প্রভাব সমগ্র পরিবেশের উপর পড়বে। আর এই খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষায় বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন হলো কীটপতঙ্গের আশ্রয়স্থল। বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর গবেষণার স্থান হলো বন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
71

Related Question

View All
উত্তরঃ

বন বলতে সাধারণভাবে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বৃহদাকার গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত স্থানকে বোঝায়, যেখানে বন্য পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীব প্রাকৃতিকভাবে বসবাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
670
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীবের সক্রিয় উপস্থিতি, বিস্তৃতি ও পারস্পরিক প্রাকৃতিক সুষম সহাবস্থাকে জীববৈচিত্র্য বলে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গাছ ও প্রাণীর জন্মস্থান, বাসস্থান ও বংশ বিস্তারের স্থান হলো বন। বন জীবের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষা করে। খাদ্যশৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাবে। আবার বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে বন্যপ্রাণী আবাস এলাকায় চলে আসবে। ভবিষ্যতের জৈবিক উৎপাদনশীলতা রক্ষার্থে বন্য জীবের গুরুত্ব অনেক বেশি। বন আছে বলেই বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, পশুপাখি, কীট-পতঙ্গ ও অণুজীব রয়েছে। বন না থাকলে এসব জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যেত।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

খোকনের দেখা প্রথমোক্ত বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন বা উপকূলীয় বন। এ বনের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

i. ম্যানগ্রোভ বনের নিম্নভূমি জোয়ার-ভাটা দ্বারা দৈনিক দুইবার প্লাবিত হয়। 

ii. এ বনাঞ্চলে বৃক্ষসমূহের জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয় এবং শ্বাসমূল থাকে। 

iii. এ বনাঞ্চল নদ-নদী, খাল-বিল দ্বারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকে। 

iv. ম্যানগ্রোভ বনের মাটি সর্বদা লোনা পানিতে ভেজা থাকে বলে বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ। 

V. এ বনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরি, যার জন্য এ বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

vi. ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান কাষ্ঠল বৃক্ষ হলো- সুন্দরি, গেওয়া, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, ওড়া ইত্যাদি। 

vii. এ বনের অকাষ্ঠল বৃক্ষের মধ্যে গোলপাতা, হোগলা, হেতাল, কেয়া, হারগোজা, বেত, শন ইত্যাদি প্রধান। 

viii. ম্যানগ্রোভ বনের প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বানর, কুমির, হাঙ্গর, অজগর ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। 

ix. এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রা হরিণ এবং গোলপাতা।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
460
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খোকনের দেখা প্রথম বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন ও পরের বনটি হলো পাহাড়ি বন।

সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার লোনা মাটিতে যে বন গড়ে উঠেছে তাকে ম্যানগ্রোভ বন বলে। অপরদিকে পাহাড়ি উঁচু এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো বনকে পাহাড়ি বন বলে। ভৌগোলিক অবস্থান ও জলাবায়ুভেদে বন দুটির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। যেমন-

১. পাহাড়ি বনের ভূমি উঁচু ও মাঝারি হয় কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের ভূমি নিচু হয়। 

২. পাহাড়ি বনের মাটি অম্লীয় (pH = ৫-৬) কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের মাটি ক্ষারীয় (pH = ৭.৫-৮.৫) প্রকৃতির হয়। 

৩. পাহাড়ি বনে বন্যার পানি প্রবেশ করতে পারে না, অপরদিকে ম্যানগ্রোভ বনে জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে বন্যার পানি প্রবেশ করে এবং বেশিরভাগ এলাকা পানির নিচে ডুবে থাকে। 

৪. ম্যানগ্রোভ বনের উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের শ্বাসমূল থাকে, জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয়, যা পাহাড়ি বনের উদ্ভিদে অনুপস্থিত। পাহাড়ি বনে আবহাওয়া উষ্ণ ও শুষ্ক হওয়ার ফলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী জাতীয় বৃক্ষ জন্মে। 

৫. পাহাড়ি বনের প্রধান বৃক্ষ চাপালিশ, সেগুন, কড়ই, শাল ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি, গেওয়া, বাইন, গরান, কেওড়া, পশুর ইত্যাদি। 

৬. পাহাড়ি বনের প্রধান পশু হলো হাতি, চিতাবাঘ, নেকড়ে, বন্য শূকর, কাঠবিড়ালি, বানর, সাপ, গিরগিটি ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পশু হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রাহরিণ, কুমির, অজগর ইত্যাদি। 

৭. পাহাড়ি বনের প্রধান পাখি হলো বনমোরগ, ময়না, টুনটুনি, কাঠঠোকরা, ধনেশ ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পাখি হলো মাছরাঙা, মদনটাক, সবুজ বক, শিকরা, সিঁদুরে সহেলী, লালপা, কানি বক ইত্যাদি।

পরিশেষে বলা যায়, পাহাড়ি ও ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দু'প্রকার বনই আমাদের দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
737
উত্তরঃ

কৃষি বন হলো একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি যার মাধ্যমে একই জমিতে একই সাথে পর্যায়ক্রমিকভাবে বৃক্ষ, খাদ্য বা পশুখাদ্যের চাষাবাদের মাধ্যমে জমির সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
উত্তরঃ

ট্রেনিং ও প্রুনিং উভয় ক্ষেত্রেই গাছের অংশবিশেষ ছাঁটাই করা হয়। প্রুনিং-এ গাছের শাখা, পাতা, কাণ্ড, ফুল, ফল-মূল ইত্যাদি কেটে অপসারণ করা হয়।' অন্যদিকে গাছকে নির্দিষ্ট উচ্চতা, আকার-আকৃতি, সুন্দর সুগঠিত ও শক্ত কাঠামো দেওয়ার জন্য ট্রেনিং করা হয়। ট্রেনিং-এ গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করা হয় যা এক প্রকার প্রুনিং। প্রুনিং গাছের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে ফুল ও ফল ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, রোগ ও পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং গাছে বেশি আলো-বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা করে। ট্রেনিংয়ের ফলে ব্যবহারযোগ্য কাঠের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, সকল ট্রেনিং হলো প্রুনিং কিন্তু সকল প্রুনিং ট্রেনিং নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews