Summary
একটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে তা পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়। পদার্থবিজ্ঞান শুধুমাত্র তার বিকিরণ সম্ভাবনা নির্ধারণ করতে পারে। এর জন্য ব্যবহৃত হয় "অর্ধায়ু" (Half Life) ধারণা।
অর্ধায়ু হচ্ছে সেই সময়কাল, যেখানে অর্ধেক নিউক্লিয়াস বিকিরিত হয়। নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয়া যত বেশি হয়, তার অর্ধায়ু তত কম। স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস, যার তেজস্ক্রিয়তা নেই, তার অর্ধায়ু "অসীম" ধরা হয়।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তেজস্ক্রিয়তা নিউক্লিয়াসের ঘটনা, যেখানে একটি নিউক্লিয়াস বিকিরণের মাধ্যমে অন্য নিউক্লিয়াসে রূপান্তরিত হয়। নতুন নিউক্লিয়াস সহজেই এক বা দুইটি ইলেকট্রন তার পরিবেশ থেকে নিতে পারে অথবা ছেড়ে দিতে পারে, কারণ নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয়ার শক্তি পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তির তুলনায় অনেক বেশি।
একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে সেটি বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। সে কারণে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য “অর্ধায়ু” (Half Life) এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। যে পরিমাপ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে অধার্থ। কাজেই যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিতা যত বেশি তার অর্ধায়ু তত কম। স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস, যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ুকে আমরা "অসীম" বলে বিবেচনা করতে পারি ।
এখানে একটি বিষয় জেনে রাখা দরকার, তেজস্ক্রিয়তা নিউক্লিয়াসের ঘটনা, তাই তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে একটি নিউক্লিয়াস অন্য নিউক্লিয়াসে পরিবর্তিত হয়। ভিন্ন নিউক্লিয়াস চাহীন পরমাণু হওয়ার জন্য খুব সহজেই এক দুইটি বাড়তি ইলেকট্রন তার কাছাকাছি পরিবেশ থেকে নিতে পারে কিংবা ছেড়ে দিতে পারে। তার কারণ নিউক্লিয়াসের ভেতরকার নিউক্লিয়ার শক্তি অনেক বেশি হলেও পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তি সে তুলনায় খুবই কম।
Read more