প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
- কম্পাস-এর সাহায্যে আঁকার সময় সঠিকভাবে ধরতে হবে যেন নড়ে না যায় ।
- ড্রয়িং শিট যেন পরিচ্ছন্ন থাকে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
৪.৩.১ চিত্র: একটি কোণ দেয়া থাকলে ত্রিভুজটি অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
৪.৩.২ চিত্রঃ দুটি কোণ ও একটি বাহু দেয়া থাকলে ত্রিভুজটি অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
৪.৪.১ চিত্র একটি কোণ ও বাহুসমূহ দেয়া থাকলে চতুৰ্ভুজটি অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
৪.৪.২ চিত্র: কর্ণদ্বয় ও বাহুসমূহ দেয়া থাকলে চতুর্ভুজটি অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
চিত্র-৪.৪.৩: একটি বাহু দেয়া থাকলে বর্গক্ষেত্রটি অঙ্কন
চিত্র-৪.৪.৪: দুটি বাহু দেয়া থাকলে আয়তক্ষেত্রটি অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
চিত্র-৪.৫.১: নির্দিষ্ট সরলরেখাকে ভূমিরূপে সুষম পঞ্চভুজ অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
চিত্র-৪.৫.২: নির্দিষ্ট সরলরেখাকে ভূমিরূপে সুষম ষড়ভুজ অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ
- একটি বাহুকে ব্যাসার্ধরূপে বৃত্ত অঙ্কনের জন্য বাহুটি সমান ব্যাসার্ধ নিয়ে কম্পাসের সাহায্যে বৃত্তটি আঁকতে হবে।
- একটি ত্রিভুজের বাহুসমূহকে স্পর্শ করিয়ে ভিতরে বৃত্ত অঙ্কনের জন্য ত্রিভুজটির যে কোন দুটি কাণকে সমদ্বিখণ্ডিত করে দ্বিখন্ডকদ্বয়ের জেল বিন্দু থেকে যে কোনো বাহুর উপর লম্ব আঁকতে হবে। এবার লম্ব সমান ব্যাসার্ধ নিয়ে কম্পাসের সাহায্যে বৃত্তটি আঁকতে হবে।
- একটি চতুর্ভূজের বাহুসমুহকে স্পর্শ করিয়ে ভিতরে বৃত্ত অঙ্কনের জন্য চতুর্ভূজের কর্ণ দুটিকে যোগ করে ছেদ বিন্দু থেকে যে কোনো বাহুর উপর লম্ব আঁকতে হবে। এবার লম্ব সমান ব্যাসার্ধ নিয়ে কম্পাসের সাহায্যে বৃত্তটি আঁকতে হবে।
- ষড়ভূজের শীর্ষ বিন্দুসমূহকে স্পর্শ করিয়ে বাইরে বৃত্ত অঙ্কনের জন্য বিপরীত দিকের দুটি বাহুকে কোণাকুণি যোগ করে ছেদ বিন্দু থেকে যে কোনো শীর্ষ বিন্দু পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ নিয়ে কম্পাসের সাহায্যে বৃত্তটি আঁকতে হবে।
একটি বাহুকে ব্যাসার্ধরূপে বৃত্ত অঙ্কন একটি ত্রিভুজের বাহুসমূহকে স্পর্শ করিয়ে বৃত্ত অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
পরাক্ষ ও উপাক্ষের দৈর্ঘ্য দেয়া থাকলে এক কেন্দ্রীয় প্রণালিতে উপবৃত্ত অঙ্কনপ্রণালি (ধারাবাহিক পর্যায়)
চিত্র: এক কেন্দ্রীয় প্রণালিতে উপবৃত্তটি অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ অঙ্কন প্রণালি বইটির তাত্ত্বিক অংশে বর্ণিত আছে।
চিত্র-৪.৭.২.১ পরাক্ষ ও উপাক্ষের দৈর্ঘ্য দেয়া থাকলে সামান্তরিক প্রণালিতে উপবৃত্ত অঙ্কনপ্রণালি (১ম পর্যায়)
চিত্র-৪.৭.২.২: সামারিক প্রণালিতে উপবৃত্তটি অঙ্কন (চূড়ান্ত পর্যায়)
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ
- AB নিয়ামক রেখা, OC অঙ্ক, ও নাভিবিন্দু F দেয়া আছে। OF কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। D বিন্দু চিহ্নিত করতে হবে যা অধিবৃত্তের ভারটেক্স (Vertex) হল।
- DC রেখার লম্ব করেটি ছেদ রেখা টেনে ছেদবিন্দুকে 1, 2, 3, ইত্যাদি চিহ্নিত করতে হবে।
- এবার O-1, 0-2, 0-3 ইত্যাদি ব্যাসার্ধ নিয়ে F বিন্দুকে কেন্দ্র করে OC এর উপরে ও নিচে বৃত্তচাপ আঁকতে হবে।
- বৃত্তচাপসমূহের ছেদবিন্দুসমূহ বক্ররেখা দিয়ে যোগ করতে হবে। এটিই নির্ণেয় অধিবৃত্ত ।
চিত্রঃ ৪.৮ নিয়ামক রেখা ও নাতিবিন্দু দেওয়া থাকলে অধিবৃত্ত অঙ্কন
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মালামাল: পেনসিল, ইরেজার, স্কচটেপ, সেটস্কয়ার, প্যারালাল বার বা টী স্কয়ার, ড্রয়িং শিট, ডাস্টার, স্কেল, ড্রয়িং বোর্ড।
অঙ্কন প্রণালীঃ
- AB অক্ষ, এর বর্ষিত রেখা, CD ও দুটি নাভিবিন্দুর দূরত্ব FF দেয়া থাকলে পরাবৃত্তটি অঙ্কন করতে হবে।
- FC ও FD এর উপরে যথাক্রমে সমান দূরত্ব নিয়ে কিছুবিষ্ণু 1,2,3, . .. . . . 1',2',3', .. ইত্যাদি চিহ্নিত করতে হবে।
- এবার A-1 কে ব্যাসার্ধ নিয়ে F বিন্দুকে কেন্দ্র করে এবং এবার B-1 কে ব্যাসার্ধ নিয়ে F' বিন্দুকে কেন্দ্র করে CD এর উপরে নিচে বৃত্তচাপ আঁকতে হবে।
- এবার বৃত্তচাপসমূহের ছেদবিন্দুসমূহ বক্ররেখা দিয়ে যোগ করতে হবে। এটিই নির্ণেয় পরাবৃত্ত।
চিত্র-৪.৮: অক্ষ দুটি নির্দিষ্ট নাতিবিন্দুর দূরত্ব দেয়া থাকলে পরাবৃত্ত অঙ্কন
Read more