Summary
পদার্থবিজ্ঞান হচ্ছে বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার একটি প্রাচীনতম এবং মৌলিক শাখা। এর ওপর ভিত্তি করে রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং অন্যান্য বিজ্ঞানগুলো গড়ে উঠেছে।
পদার্থবিজ্ঞান মূলত পদার্থ ও শক্তির মধ্যে অন্তঃক্রিয়া বোঝার চেষ্টা করে। এখানে পদার্থ শব্দটির মধ্যে শুধুমাত্র দৃশ্যমান পদার্থই নয়, বরং অণু, পরমাণু, ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন, কোয়ার্ক এবং স্ট্রিং অন্তর্ভুক্ত। শক্তির মধ্যে স্থিতিশক্তি, গতিশক্তি, মাধ্যাকর্ষণ ও বিদ্যুৎ চৌম্বক শক্তি, এমনকি নিউক্লিয়ার শক্তিও ধারণা করা হয়।
পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানের একটা শাখা এবং বলা যেতে পারে এটা হচ্ছে প্রাচীনতম শাখা। তার কারণ অন্য বিজ্ঞানগুলো দানা বাঁধার অনেক আগেই বিজ্ঞানীরা পদার্থবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ শাখা জ্যোতির্বিদ্যা চর্চা করতে শুরু করেছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানকে একদিকে যেমন প্রাচীনতম শাখা, ঠিক সেভাবে বলা যেতে পারে এটা সবচেয়ে মৌলিক (fundamental) শাখা। এর ওপর ভিত্তি করে রসায়ন দাঁড়িয়েছে, রসায়নের ওপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞান দাঁড়িয়েছে, আবার জীববিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে অন্য অনেক বিষয় দাঁড়িয়ে আছে।
সাধারণভাবে আমরা বলতে পারি বিজ্ঞানের যে শাখা পদার্থ আর শক্তি এবং এ দুইয়ের মাঝে যে অন্তঃক্রিয়া (interaction) তাকে বোঝার চেষ্টা করে সেটা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞান। তোমরা নিশ্চয়ই অনুমান করতে পেরেছ এখানে পদার্থ বলতে শুধু আমাদের চারপাশের দৃশ্যমান পদার্থ নয়, পদার্থ যা দিয়ে গঠিত হয়েছে, অর্থাৎ অণু-পরমাণু থেকে শুরু করে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন, কোয়ার্ক বা স্ট্রিং পর্যন্ত হতে পারে। আবার শক্তি বলতে আমাদের পরিচিত স্থিতিশক্তি, গতিশক্তি, মাধ্যাকর্ষণ বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় শক্তি ছাড়াও সবল কিংবা দুর্বল নিউক্লিয়ার শক্তিও হতে পারে!
Read more