ভূমিকম্পের প্রধান কারণ (Main causes of earthquakes)

নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) - ভূগোল ও পরিবেশ - পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক গঠন | NCTB BOOK
3.7k
Summary

পৃথিবীর উপরিভাগ প্লেট দ্বারা গঠিত, যার সঞ্চালন ভূমিকম্প সৃষ্টি করে। অগ্ন্যুৎপাতও কারণে ভূকম্পন ঘটতে পারে।

অপ্রধান কারণসমূহ:

  • শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে শিলাচ্যুতি বা ভাঁজ হলে ভূমিকম্প ঘটে, যেমন ১৯৩৫ সালে বিহার এবং ১৯৫০ সালে আসামে।
  • তাপ বিকিরণ: ভূত্বক যখন তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হয়, তখন ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়।
  • ভূগর্ভস্থ বাষ্প: অতিরিক্ত তাপের কারণে সৃষ্টি হওয়া বাষ্প ভূত্বকের নিচে চাপ সৃষ্টি করে।
  • ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: চাপের হঠাৎ পরিবর্তন ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে।
  • হিমবাহের প্রভাব: হিমবাহের পতনের ফলে ভূপৃষ্ঠে কম্পন ঘটে।
  • পৃথিবীর উপরিভাগ কতকগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে ।
  •  অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকম্পন সৃষ্টি হয় ।

অপ্রধান কারণ:

১। শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি : কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি ঘটলে বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়। ১৯৩৫ সালে বিহারে এবং ১৯৫০ সালে আসামে এ কারণেই ভূমিকম্প হয় ।

২। তাপ বিকিরণ : ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়।

৩। ভূগর্ভস্থ বাষ্প : পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচণ্ড ভূকম্পন অনুভূত হয় ।

৪। ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস : অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয়।

৫। হিমবাহের প্রভাব : হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়।

 

Content updated By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...