Summary
পৃথিবীর উপরিভাগ প্লেট দ্বারা গঠিত, যার সঞ্চালন ভূমিকম্প সৃষ্টি করে। অগ্ন্যুৎপাতও কারণে ভূকম্পন ঘটতে পারে।
অপ্রধান কারণসমূহ:
- শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে শিলাচ্যুতি বা ভাঁজ হলে ভূমিকম্প ঘটে, যেমন ১৯৩৫ সালে বিহার এবং ১৯৫০ সালে আসামে।
- তাপ বিকিরণ: ভূত্বক যখন তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হয়, তখন ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়।
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প: অতিরিক্ত তাপের কারণে সৃষ্টি হওয়া বাষ্প ভূত্বকের নিচে চাপ সৃষ্টি করে।
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: চাপের হঠাৎ পরিবর্তন ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে।
- হিমবাহের প্রভাব: হিমবাহের পতনের ফলে ভূপৃষ্ঠে কম্পন ঘটে।
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতকগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে ।
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকম্পন সৃষ্টি হয় ।
অপ্রধান কারণ:
১। শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি : কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি ঘটলে বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়। ১৯৩৫ সালে বিহারে এবং ১৯৫০ সালে আসামে এ কারণেই ভূমিকম্প হয় ।
২। তাপ বিকিরণ : ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়।
৩। ভূগর্ভস্থ বাষ্প : পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচণ্ড ভূকম্পন অনুভূত হয় ।
৪। ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস : অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয়।
৫। হিমবাহের প্রভাব : হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়।
Read more