Academy

শিশির একটি কারখানায় চাকরি করত। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার কারখানার অনেকেই যুদ্ধে যোগদান করে। তাদের দেখাদেখি একদিন সে বাড়ি থেকে পালিয়ে একটি বাহিনীর অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণকালে গুলির আঘাতে তার একটি পা হারায়। যুদ্ধ শেষে ফিরে এসে সে তার চাকরি এবং পরিবার কিছুই ফিরে পায়নি।

Created: 11 months ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago
Ans :

গেরিলা যুদ্ধ একটি বিশেষ রণকৌশল।
গেরিলা যুদ্ধের মূলকথা হচ্ছে বৃহৎ ও নিয়মিত শত্রুবাহিনীর ওপর, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণ, যার উদ্দেশ্য হলো বৃহত্তর বাহিনীকে হয়রানি, নাজেহাল এবং সম্ভব হলে নির্মূল করা। শক্তির পার্থক্যের কারণে গেরিলা যোদ্ধারা যথাসম্ভব সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে চলে। পেশাদার সেনাদের বদলে সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে গেরিলা বাহিনী গঠিত হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আক্রমণের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা পদ্ধতিকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন। গেরিলাদের মধ্যে ছাত্র ও কৃষকের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

11 months ago

পৌরনীতি ও নাগরিকতা

🏛️ পৌরনীতি ও নাগরিকতা – নবম-দশম শ্রেণি | এসএসসি | NCTB অনুমোদিত ২০২৫

আপনি কি খুঁজছেন “পৌরনীতি ও নাগরিকতা নবম-দশম শ্রেণি PDF”, অথবা বোর্ড ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা?

তাহলে স্বাগতম SATT Academy–তে — যেখানে শেখা হয় সহজে, সঠিকভাবে এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

এখানে আপনি পাবেন:

  • NCTB অনুমোদিত বইয়ের ভিত্তিতে সাজানো অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর
  • সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা ও উদাহরণ
  • লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার ও ব্যাখ্যাসহ কনটেন্ট
  • বইয়ের PDF ও ছবি ডাউনলোড সুবিধা

✅ এই পেইজে যা পাবেন:

  • অধ্যায়ভিত্তিক সৃজনশীল (CQ) ও বহুনির্বাচনী (MCQ) প্রশ্ন–উত্তর
  • সহজ ভাষায় অধ্যায় ব্যাখ্যা — যেমন “গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য”, “আইনের শাসন”
  • ভিডিও ক্লাস ও কুইজ
  • ছবি ও চিত্রসহ ব্যাখ্যা
  • PDF/ছবি ডাউনলোড সুবিধা
  • কমিউনিটি যাচাইকৃত কনটেন্ট — আরও নির্ভুল ও পরীক্ষাভিত্তিক

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 পৌরনীতি ও নাগরিকতা – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড
(সরকারি বই অনলাইনে পড়া ও ডাউনলোড করার জন্য এই লিংক ব্যবহার করুন)


👨‍👩‍👧‍👦 কাদের জন্য উপযোগী?

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: বোর্ড পরীক্ষার জন্য অধ্যায়ভিত্তিক অনুশীলন
  • শিক্ষকদের জন্য: শ্রেণি-নির্ভর প্রস্তুত ক্লাস কনটেন্ট
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের শেখায় সহায়তা
  • প্রাইভেট টিউটরদের জন্য: প্রশ্ন সেট, ব্যাখ্যা ও রিভিশনের জন্য

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় তালিকা থেকে যেকোনো অধ্যায় বেছে নিন
  • প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা পড়ুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিন – নিজেকে যাচাই করতে
  • PDF বা ছবি ডাউনলোড করুন – অফলাইনে পড়ার জন্য
  • নিজের মতামত বা ব্যাখ্যা যোগ করুন — শেখান ও শিখুন

✨ কেন পড়বেন SATT Academy থেকে?

✔️ ১০০% ফ্রি ও বিজ্ঞাপনমুক্ত শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম
✔️ NCTB বই অনুসারে সাজানো নির্ভুল কনটেন্ট
✔️ ভিডিও, কুইজ, ব্যাখ্যাসহ ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
✔️ মোবাইল ও ডেস্কটপ–ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
✔️ কমিউনিটি যাচাইকৃত ও নিয়মিত আপডেটকৃত তথ্য


🔍 সার্চ–সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • পৌরনীতি ও নাগরিকতা নবম-দশম শ্রেণি
  • Class 9-10 Civics and Citizenship PDF
  • SSC Civics Bangla Book
  • SATT Academy Civics Question Answer
  • NCTB পৌরনীতি প্রশ্ন PDF
  • Civics SSC MCQ Solution
  • পৌরনীতি ব্যাখ্যা ও উদাহরণ

🚀 আজই শুরু করুন!

SATT Academy–তে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর, ব্যাখ্যা, ভিডিও ও PDF সহ পৌরনীতি ও নাগরিকতা পড়ুন — বোর্ড পরীক্ষার জন্য নিখুঁত প্রস্তুতির সঙ্গে।

📘 SATT Academy – প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মুক্ত, আধুনিক ও গাইডলাইনভিত্তিক শিক্ষা।

Content added By

Related Question

View More

দ্বিজাতি তত্ত্ব ব্রিটিশ ভারতকে রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত করার একটি রাজনৈতিক মতবাদ। এর ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল।

ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমান অধিবাসীরা দুটি আলাদা জাতি- এটাই দ্বিজাতি তত্ত্বের মূল কথা। ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি বলেন, "ভারতের হিন্দু ও মুসলমানরা দুটি আলাদা জাতি। তাদের জীবন দর্শন, ধর্মীয় আদর্শ ও সামাজিক রীতিনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।” জিন্নাহ এ যুক্তি দিয়ে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবি করেন। তার এ যুক্তিই উপমহাদেশের ইতিহাসে 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' নামে পরিচিত।

উপরের ছবিটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত।
উপরের ছবিতে একটি মিছিলের একাংশ দেখা যাচ্ছে। ছাত্রজনতা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করছে। এ ছবির সাথে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের মিছিলের সাদৃশ্য রয়েছে। পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন অধিবাসীর মাতৃভাষা ছিল বাংলা। অথচ পশ্চিম পাকিস্তানকেন্দ্রিক শাসকগোষ্ঠী সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা যে আন্দোলন শুরু করে, তা-ই ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত।
পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে পূর্ব বাংলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর প্রতিবাদে পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বে, বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র নেতৃত্বের সমন্বয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। কয়েক বছর ধরে চলা এ আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভেঙে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল করে। পুলিশ মিছিলে গুলি চালালে সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন। অতঃপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়।

ছবির লোকগুলোর চেতনাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে- সক্ষম হয়- এ উক্তিটির পক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
ভাষা আন্দোলন তখনকার পূর্ব বাংলা অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে প্রথম অধিকার সচেতন করে তোলে। বাঙালি জাতি তার স্বতন্ত্র আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে নতুন করে সচেতন হয়ে ওঠে। ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর থেকেই বাঙালিরা বুঝতে পারে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এতে পূরণ হচ্ছে না। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মুসলিম লীগের ভরাডুবি এবং বিরোধী জোট যুক্তফ্রন্টের বিজয় পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক চেতনাকে আরও শানিত করে। পাকিস্তানি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মাতৃভাষাকেন্দ্রিক ভাষা আন্দোলনের ফলে পূর্ব বাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয়ের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটে।
ভাষা আন্দোলনের জের ধরেই ধীরে ধীরে পূর্ব বাংলার ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবী সবাই পাকিস্তানিদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালিদের মধ্যে যে জোরালো অধিকারবোধের সৃষ্টি হয় তা এ ভূখণ্ডের রাজনৈতিক বিবর্তনকে এগিয়ে নেয়। এর ধারাবাহিকতায়ই ধাপে ধাপে আসে পাকিস্তানি বৈষম্যের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও '৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল বিজয় পাওয়া আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

সুতরাং বলা যায়, ছবির লোকগুলোর চেতনা তথা ভাষা আন্দোলনের চেতনাই কালক্রমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে সক্ষম হয়।

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।

শিশির ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিফৌজ বা মুক্তিবাহিনীর সদস্য ছিল।
মুক্তিযুদ্ধের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অপরিকল্পিত ও অগোছালোভাবে প্রতিরোধের চেষ্টা চলে। ১৯৭১ সালে এপ্রিল মাসের শুরুতে মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর তাদের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিতভাবে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য কয়েকটি বাহিনী গড়ে তোলে। তৎকালীন ইপিআর (বিডিআর ও বর্তমানে বিজিবি) এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙালি সৈনিক ও অফিসারদের সমন্বয়ে নিয়মিত সেনা ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়। এ ব্যাটালিয়ন নিয়ে পরে তিন সেনা কর্মকর্তার নেতৃত্বে কে-ফোর্স, এস-ফোর্স ও জেড-ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড গঠিত হয়। সেনাসদস্য ও অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত বাহিনী মুক্তিবাহিনী বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিতি লাভ করে। দেশের সাধারণ ছাত্র, কৃষক, শ্রমিকসহ সব শ্রেণির যুবক- তরুণরাই ছিল মুক্তিবাহিনীর বড় অংশ। শিশির যেহেতু কারখানায় কাজ করত সেহেতু সে বেশিরভাগ মুক্তিযোদ্ধার মতো অনিয়মিত বাহিনীর সদস্য ছিল। তাই বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনী বা মুক্তিফৌজের সদস্য ছিল শিশির।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...