Academy

দুই প্রতিবেশীর সম্পদ ও শক্তির সমতা থাকার জন্য বিভিন্ন বিষয়। নিয়ে পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকলেও তারা সরাসরি সংঘর্ষে জড়ায়
না। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক বিরাজমান।

Created: 3 days ago | Updated: 3 days ago
Updated: 3 days ago
Ans :

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সূচনা হয় যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে।

3 days ago

ইতিহাস

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

গ্লাসনস্ত নীতির প্রবক্তা সোভিয়েত রাষ্ট্রপ্রধান মিখাইল গর্বাচেভ

2 বার্লিন অবরোধ কী? (অনুধাবন)

Created: 3 days ago | Updated: 3 days ago
Updated: 3 days ago

মার্শাল পরিকল্পনা ও ট্রুম্যান তত্ত্বের বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের পদক্ষেপ হলো বার্লিন অবরোধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর রাজধানী বার্লিনকে ৪ ভাগে ভাগ করে শাসন শুরু হয়।আমেরিকা, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড তাদের অধিকৃত পশ্চিম বার্লিনে সংযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ নিলে রাশিয়ার স্ট্যালিন ক্ষুব্ধ হয়ে পশ্চিমের সাথে পূর্বের সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়। এ অবরোধ প্রায় ১১ মাস ধরে চলার পর স্ট্যালিন প্রত্যাহার করে নেয়।

উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থানটি আমার পাঠ্যবইয়ের ন্যাটো এবং ওয়ারশ জোট গঠনের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে।

স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে শক্তির মহড়া দিতে এবং পুঁজিবাদী ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রসারের মাধ্যমে সমাজতন্ত্রকে প্রতিহত করতে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো গঠিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সে সময় ১২টি দেশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ন্যাটো সামরিক জোট। এ জোটের সব দেশ ছিল পুঁজিবাদের সমর্থক এবং সমাজতন্ত্রের বিরোধী। সামরিক দিক থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে চাপে রাখা এর মূল উদ্দেশ্য ছিল।

অপরদিকে, সামরিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে ন্যাটোর বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ওয়ারশ কোট গঠন
করে। প্রকৃতপক্ষে, ন্যাটোর কার্যাবলি চ্যালেঞ্জ করার জন্য ওয়ারশ জোট গঠিত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রসমূহের আত্মরক্ষামূলক প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করার জন্য ১৯৫৫ সালে এ জোট গঠিত হয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের যমুনা নদীর তীরবর্তী সালেমপুর ও মকসুদপুর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই গ্রামের সাথে পাঠ্যবইয়ের ন্যাটো ও ওয়ারশ জোটের সাদৃশ্য রয়েছে।

উক্ত অবস্থাটি অর্থাৎ স্নায়ুযুদ্ধ বিশ্বকে দুটি মেরুতে বিভক্ত করেছিল বলে আমি মনে করি।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৭ সালে বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা পায়। এরপর লেনিন ও স্ট্যালিনের দক্ষ নেতৃত্বে সাম্যবাদ শুধু রাশিয়ায় নয়, বিশ্বের অনেক দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। এজন্য সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে। অল্প সময়ে পার্শ্ববর্তী ১৫টি রাষ্ট্র নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়। এর পরিধি ক্রমেই বাড়তে থাকে। অপরদিকে, পুঁজিবাদী রাষ্ট্রসমূহ নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই সাম্যবাদের গতিরোধ করতে গিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের জন্ম দেয়। স্নায়ুযুদ্ধ ধীরে ধীরে প্রকট আকার ধারণ করতে শুরু করে। এর ফলে Bipolar System প্রতিষ্ঠিত হয়। যার মূল ধারণা ছিল দ্বিমেরুকরণ। বৈশ্বিক রাজনীতিতে এ দ্বিমেরুকরণের প্রভাব বহু বছর ধরে বিদ্যমান থাকে।
সুতরাং বলা যায়, উক্ত বিষয়টি অর্থাৎ- স্নায়ুযুদ্ধ বিশ্বকে দুটি মেরুতে বিভক্ত করেছিল।

5 গ্লাসনস্ত' বলতে কী বোঝ? (অনুধাবন)

Created: 3 days ago | Updated: 3 days ago
Updated: 3 days ago

গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ মুক্তাবস্থা বা Open Air. ১৯৯০ সালে সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তিস্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য যে মুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন, ইতিহাসে তাই গ্লাসনস্ত নামে পরিচিত। বিদ্যমান সোভিয়েত ইউনিয়ন থাকবে কিনা বা এর পতনের পক্ষে-বিপক্ষে মুক্ত আলোচনার লক্ষ্যে ঐতিহাসিক এ পদক্ষেপটি গৃহীত হয়।

উদ্দীপকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের স্নায়ুযুদ্ধের ঘটনার মিল রয়েছে।
স্নায়ুযুদ্ধ হলো এমন একটি ঘটনা যেখানে পুঁজিবাদ বনাম সমাজতান্ত্রিক দুই ভিন্ন আদর্শিক বিশ্বব্যবস্থার পারস্পরিক স্নায়বিক সংঘর্ষের সরব উপস্থিতি লক্ষণীয়। উভয় মেরুর সামগ্রিক পদক্ষেপে যুদ্ধ বেধে যাওয়ার উপক্রম হলেও সরাসরি যুদ্ধ বাধেনি। এসময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ছিল সারা বিশ্বের মানুষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বৈশ্বিক রাজনীতি আর স্নায়ুযুদ্ধ এক্ষেত্রে তাই অনেকটা সমর্থক। ১৯৪৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনয়নের পতনের পূর্ব পর্যন্ত বিশ্ব রাজনীতিতে স্নায়ুযুদ্ধের থমথমে অবস্থা বিরাজমান ছিল। এটি একই গাথে আতঙ্কের এবং আকর্ষণীয় এজন্য যে, যুদ্ধ কথাটা ব্যবহার হচ্ছে অথচ কোথাও কোনো যুদ্ধ নেই। স্নায়ুযুদ্ধের কৌশলই হলো একটা উত্তেজনা বা চাপ বিরাজমান থাকা, যা স্নায়ুর ওপর উদ্বেগ তৈরি করবে প্রচন্ডভাবে। তবে যুদ্ধ বাধবে না। সংক্ষেপে বলা যায়, যুদ্ধও নয় শান্তিও নয়, আবার যুদ্ধের অনুপস্থিতিও নয়। এমন একটা গমট মনস্তাত্ত্বিক পরিবেশই হলো স্নায়ুযুদ্ধ উদ্দীপকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের আলোচিত এ স্নায়ুযুদ্ধেরই মিল রয়েছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...