Academy

তাপমাত্রা বাড়াতে থাকলে উদ্দীপকের কোন পদার্থটি সবার আগে বাষ্পীভূত হবে? কারণ ব্যাখ্যা করো। (প্রয়োগ)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

যদি কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তা তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে এবং ঠাণ্ডা করলে তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি কঠিন পদার্থে পরিণত হয়, তবে এ ঘটনাকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। উদ্দীপকে যে সমস্ত উপাদানসমূহ রয়েছে তা হচ্ছে আয়োডিন (I2) খাদ্য লবণ (NaCl), বালি (SiO2) ও গ্লুকোজ (C6H12O6) । উক্ত উপাদানগুলোর মধ্যে NaCl, SiO2 ও C2H2O% এর কোনো ঊর্ধ্বপাতন ঘটে না।
তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে উদ্দীপকে বিদ্যমান উপাদানগুলোর মধ্যে আয়োডিন (l2) সবার আগে বাষ্পীভূত হবে, কারণ আয়োডিনের ঊর্ধ্বপাতন । I2 অণুতে সমযোজী বন্ধন থাকলেও আয়োডিন অণুসমূহের মধ্যে অত্যন্ত দুর্বল ভ্যানডার ওয়ালস শক্তি বিরাজ করে। আয়োডিনের নিম্নবাষ্প চাপ রয়েছে, যা ঊর্ধ্বপাতনের সহায়ক, তাপ দিলে আয়োডিন (I2) তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এ কারণে তাপমাত্রা বাড়াতে থাকলে আয়োডিন (I2) সবার আগে বাষ্পীভূত হবে।

1 year ago

রসায়ন

⚗️ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি | এসএসসি (মাধ্যমিক) | NCTB অনুমোদিত ২০২৫

আপনি কি খুঁজছেন “রসায়ন নবম-দশম শ্রেণির বইয়ের PDF” বা Class 9-10 Chemistry বইয়ের সহজ ব্যাখ্যা ও প্রশ্ন উত্তর?
তাহলে SATT Academy-তে আপনাকে স্বাগত!

এখানে আপনি পাবেন NCTB অনুমোদিত বইয়ের অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর, সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার, এবং বইয়ের PDF ডাউনলোড সুবিধা — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!


✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও নির্ভুল উত্তর
  • সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা ও উদাহরণসহ
  • লাইভ টেস্ট – নিজেকে যাচাই করার জন্য
  • বুকমার্ক ও PDF/ছবি ডাউনলোড সুবিধা
  • ভিডিওসহ শিক্ষামূলক উপকরণ
  • কমিউনিটি-সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড
(লিংকে ক্লিক করে পুরো বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 এর উপকারিতা:

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: ঘরে বসে পড়াশোনা ও প্রশ্ন-উত্তর অনুশীলন সহজ
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে শিক্ষাদানে উপযোগী প্রস্তুতকৃত কনটেন্ট
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের শিক্ষার গাইড হিসেবে ব্যবহারযোগ্য
  • টিউটর ও প্রাইভেট শিক্ষকদের জন্য: অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন ও রিভিশন উপকরণ সহজলভ্য

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • প্রয়োজনীয় অধ্যায় নির্বাচন করুন
  • প্রশ্ন, উত্তর ও সহজ ব্যাখ্যা পড়ুন
  • প্রয়োজন হলে বুকমার্ক করুন বা PDF/ছবি ডাউনলোড করুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিয়ে নিজেকে যাচাই করুন
  • নিজের মতামত ও ব্যাখ্যা যোগ করে শেখান ও শিখুন

✨ কেন SATT Academy থেকে পড়বেন?

  • ১০০% ফ্রি ও ব্যবহারবান্ধব
  • NCTB অনুমোদিত বইয়ের সঠিক ও সাজানো কনটেন্ট
  • লাইভ টেস্ট, ভিডিও, ইমেজ ও ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
  • কমিউনিটি-সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট
  • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, যেকোনো সময় পড়তে পারবেন

🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • রসায়ন নবম দশম শ্রেণি
  • এসএসসি রসায়ন বই PDF
  • NCTB রসায়ন নবম দশম
  • রসায়ন প্রশ্ন উত্তর নবম দশম শ্রেণি
  • SSC Chemistry live test
  • SATT Academy রসায়ন নবম দশম

🚀 আজই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে সহজে রসায়ন শিখুন, ভিডিও দেখুন, লাইভ টেস্ট দিন এবং PDF ডাউনলোড করে রিভিশন করুন।
রসায়নে দক্ষতা অর্জন করুন!

⚗️ SATT Academy – আধুনিক ও সহজ শিক্ষার সঙ্গী।

Content added By

Related Question

View More

1 ব্যাপন কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।

ব্যাপনের ক্ষেত্রে চাপের প্রভাব নেই কিন্তু নিঃসরণের ক্ষেত্রে চাপের প্রভাব আছে। আমরা যদি রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের মুখ খুলে দিই তাহলে চাপের কারণে প্রথমে সরু ছিদ্রপথ দিয়ে গ্যাস বের হয়ে আসবে অর্থাৎ এক্ষেত্রে নিঃসরণের ঘটনা ঘটে। এরপর সিলিন্ডার থেকে বেরিয়ে আসা ঐ গ্যাস ঘরের চারদিকে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়বে। এক্ষেত্রে ব্যাপনের ঘটনা ঘটবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে প্রথমে নিঃসরণ এবং পরে ব্যাপন ঘটবে।

উদ্দীপকে বিদ্যমান চিত্র দুইটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একই পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে 'ক' পাত্রের উপাদান ও 'খ' পাত্রের উপাদানগুলোকে পৃথকীকরণ সম্ভব নয়।

'ক' পাত্রে আয়োডিন (I2) ও খাদ্য লবণের মিশ্রণকে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতিতে এবং বালি ও গ্লুকোজের (C6H12O6) মিশ্রণকে পরিস্রাবণ ও বাষ্পীভবন পদ্ধতিতে পৃথক করতে হবে। উদ্দীপকে বিদ্যমান ক-পাত্রে আয়োডিন (I2) ও খাদ্য লবণ (NaCl) এর মিশ্রণ রয়েছে। তাপ দিলে আয়োডিন (I2) ঊর্ধ্বপাতিত হয়। তাই আয়োডিন (I2) ও খাদ্য লবণের মিশ্রণকে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতিতে পৃথক করা হয়। ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়াটি হলো- কঠিন তাপ বৃদ্ধিতাপ হ্রাস বাম্প

এ প্রক্রিয়ায় খাদ্য লবণ (NaCl) ও আয়োডিনের (I2) মিশ্রণকে ঢালাই লোহার রিটর্টে নেওয়া হয়। রিটর্টের উপরের দিকে একটি নির্গমন নল থাকে, নির্গমন নলের সহিত পরস্পর সজ্জিত মাটির তৈরি কতিপয় শীতল গ্রাহক সংযুক্ত থাকে। রিটর্টে বিদ্যমান খাদ্য লবণ ও আয়োডিনের (I2) মিশ্রণকে যখন তাপ দেওয়া হয়, তখন আয়োডিন (I2) ঊর্ধ্বপাতিত হয় এবং রিটর্টে এর নির্গমন নল দিয়ে শীতল গ্রাহক এ প্রবেশ করে এবং ঠাণ্ডা হয়ে শীতকে কঠিন কেলাসরূপে জনা হয়। রিটর্টে এ খাদ্য লবণ অবশেষরূপে থেকে যায়। এভাবে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতি ব্যবহার করে খাদ্য লবণ (NaCl) ও আয়োডিনের মিশ্রণকে পৃথক করা হয়।

উদ্দীপকে বিদ্যমান খ-পাত্রে গ্লুকোজ (C6H12O6) ও বালির (SiO2) মিশ্রণ রয়েছে। এই মিশ্রণকে পরিস্রাবণ ও বাষ্পীভবন পদ্ধতিতে পৃথক করা হয়। বালি (SiO2) পানিতে অদ্রবণীয়। এই পদ্ধতিতে গ্লুকোজ (C6H12O6) ও বালির (SiO2) মিশ্রণকে বিকারে নিয়ে পানি মিশ্রিত করে গ্লাস রড দিয়ে নেড়ে বালির সহিত বিদ্যমান গ্লুকোজকে (C6H12O6) সম্পূর্ণরূপে পানিতে দ্রবীভূত করা হয়। অতঃপর অপর একটি বিকারে ফিল্টার পেপার সুসজ্জিত ফানেলে গ্লুকোজ (C6H12O6) ও বালির মিশ্রণকে ফিল্টার করতে হয়। অতঃপর ফিল্টার পেপারে বিদ্যমান বালিকে পানি দিয়ে ধৌত করে দ্রবীভূত গ্লুকোজ (C6H12O6) কে পরিসুত করা হয়। পরিসুত দ্রবণকে বাষ্পীভবন করলে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায় এবং পরিসুতরূপে পাত্রে কঠিন গ্লুকোজের (C6H12O6) কেলাস অবশেষরূপে পাওয়া যায়। এভাবে পরিস্রাবণ ও বাষ্পীভবন পদ্ধতির মাধ্যমে গ্লুকোজ (C6H12O6) ও বালির (SiO2) মিশ্রণকে পৃথক করা হয়।
অতএব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি, ক-পাত্রের উপাদানগুলো ও খ-পাত্রের উপাদানগুলোকে একই পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে পৃথকীকরণ সম্ভব নয়।

4 নিঃসরণ কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।

যে তাপমাত্রায় কোনো পদার্থ কঠিন থেকে তরলে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে। আবার যে তাপমাত্রায় কোনো পদার্থ তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে। কঠিন পদার্থের অণুসমূহের মধ্যে আন্তঃআণবিক দূরত্ব অনেক কম থাকে। পদার্থটি তরলে পরিণত হলে এ দূরত্ব বাড়ে, আবার বাষ্পে পরিণত হলে দূরত্ব অনেক বেড়ে যায়। তাই কঠিন থেকে তরলে পরিণত করার সময় আন্তঃআণবিক দূরত্ব অল্প বৃদ্ধি করার জন্য যে তাপের প্রয়োজন হয়, গ্যাসে পরিণত করার সময় অনেক বেশি তাপের প্রয়োজন হয়। কারণ এক্ষেত্রে আন্তঃআণবিক দূরত্ব অনেক বেশি বৃদ্ধি করতে হয়। তাই বলা যায়, একই পদার্থের গলনাঙ্ক অপেক্ষা স্ফুটনাঙ্ক বেশি হয়।

উদ্দীপকে HCI গ্যাস ও NH3 গ্যাস বিক্রিয়া করে NH4Cl এর সাদা ধোয়া তৈরি করেছে। তাই উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
যে পরিবর্তনের ফলে কোনো পদার্থের অণুসমূহের উপাদান ও অণুর গঠন প্রকৃতির স্থায়ী পরিবর্তন ঘটে এবং উক্ত পদার্থ নিজের ধর্ম হারিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট অন্য পদার্থে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। প্রতিটি রাসায়নিক বিক্রিয়াতেই রাসায়নিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
উদ্দীপকে এসিড (HCI), ক্ষারক (NH3) এর সাথে বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের (NH4Cl) সাদা ধোঁয়া সৃষ্টি করেছে।
বিক্রিয়া: NH3 + HCl = NH4C ↑ (সাদা ধোঁয়া)
এখানে, NH3 ও HCI অণুসমূহের উপাদান ও অণুর গঠন প্রকৃতির স্থায়ী পরিবর্তন ঘটেছে এবং NH3 ও HCI নিজের ধর্ম হারিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্ম বিশিষ্ট NH4Cl যৌগে পরিবর্তন হয়েছে, তাই উক্ত বিক্রিয়ার ফলে যে পরিবর্তন হয়েছে, তা একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...