Academy

পদ্মা নদীর তীরবর্তী হাসাইল গ্রামের আঃ সালাম প্রায় ৫০ একর জমির মালিক। তিনি নিজে কৃষিকাজ না করে বর্গাদারদের মাধ্যমে জমি চাষ করান। গ্রামের কারো সাথে বিরোধ হলে বর্গাদাররা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই তার পক্ষ নেয়। গ্রামের সব বিচার-সালিশে তার মতামতই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য। হঠাৎ পদ্মা নদীতে ভাঙন শুরু হলে রাতারাতি আঃ সালাম নিঃস্ব হয়ে পড়েন। বাধ্য হয়ে জীবন ধারণের জন্য তিনি শহরে চলে আসেন। এখানে কেউ তাকে চেনে না, কোনো মূল্য দেয় না।

ধাতু যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago
Ans :

ধাতু যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য নগরসভ্যতার উদ্ভব।

1 year ago

সমাজবিজ্ঞান

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

স্বামী-স্ত্রী উভয়ই যখন তাদের নিজস্ব বিশ্বাস, চিন্তা, রুচি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অটল থাকেন তখন পরিবারে এক ধরনের অশান্তি বিরাজ করে এবং তা থেকেই জন্ম নেয় ব্যক্তিত্বের সংঘাত। অর্থাৎ যখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্য কোনো বিষয়ে বৈপরীত্য দেখা দেয় তখন ব্যক্তিত্বের সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে। আর এই ধরনের মনোভাব স্বামী-স্ত্রীর মধ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়।

গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে উদ্দীপকের আঃ সালামের অবস্থান ধনী কৃষক শ্রেণিতে।

গ্রামীণ সমাজে সামাজিক স্তরবিন্যাসের মূল ভিত্তি হলো ভূমি মালিকানা, যার ভিত্তিতে গ্রামীণ শ্রেণি বিভাজন নিশ্চিত হয়। গ্রামীণ সমাজব্যবস্থায় যারা অনেক ভূ-সম্পত্তির মালিক এবং ভূমির ওপর নির্ভর করে যথেষ্ট সচ্ছলভাবে দিনযাপন করতে পারে তাদেরকে ধনী কৃষক বলে। সম্পত্তির মালিকানার জোরে তারা গ্রামীণ সমাজে প্রভাব প্রতিপত্তি খাটায়। এদের অনেকে নিজেদের পুরো জমি চাষাবাদ না করে শস্য ভাগাভাগির ভিত্তিতে বর্গাদারদের কাছে জমি বর্গা দিয়ে থাকে। আর্থিক ক্ষমতার কারণে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোতে এদের প্রভাবই সর্বাধিক।

উদ্দীপকে হাসাইল গ্রামের আঃ সালাম প্রায় ৫০ একর জমির মালিক। তিনি নিজে কৃষিকাজ না করে বর্গাদারদের মাধ্যমে জমি চাষ করান। গ্রামের সব বিচার-সালিশে তার মতামতই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য।

উপরের আলোচনা এবং আঃ সালামের গ্রামে তার যে অবস্থান তা পর্যালোচনা করলে বলা যায়, তিনি গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে ধনী কৃষক শ্রেণিভুক্ত।

উদ্দীপকের আঃ সালামের জীবনের পরিবর্তনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়টি অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।

প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান মানবজীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে সার্বিক সমাজ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে। বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে এদেশের ভূপ্রকৃতিগত অবস্থান। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণেই এখানে প্রতিবছর নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, অতিবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং এর সাথে খাপখাওয়ানোর জন্য নতুন পথ, কৌশল অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যেমন- নদী ভাঙনের ফলে যে সব মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে তারা অনেক সময় বিভিন্ন শহরে উদ্বাস্তুর মত জীবনযাপন করে থাকে। এর ফলে সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস ও সামাজিক গতিশীলতায় পরিবর্তন আসে।

উদ্দীপকে লক্ষণীয় যে, পদ্মা নদীতে ভাঙন শুরু হলে গ্রামের ধনী কৃষক আঃ সালাম রাতারাতি নিঃস্ব হয়ে পড়েন। ফলে বাধ্য হয়ে জীবনধারণের জন্য তিনি শহরে চলে আসেন। এখানে কেউ তাকে চেনে না, কোনো মূল্যও দেয় না। আঃ সালামের জীবনের এ ধরনের পরিবর্তনে প্রাকৃতিক পরিবেশ মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে।

জন্ম ও মৃত্যুহার জনসংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। কোনো দেশে জন্মহার যদি মৃত্যুহারকে ছাড়িয়ে যায় তবে এর অবশ্যম্ভাবী ফল হচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি। যেমন- বর্তমানে বাংলাদেশে সামাজিক সচেতনতা, মিডিয়ার প্রচার, শিক্ষা বিস্তার প্রভৃতির ফলে মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। ফলে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উদ্দীপকের আকবর মিঞার ছেলেরা শহরে গিয়ে একক বা অণু পরিবার গঠন করেছে।

পরিবারের আকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সমাজে দু'ধরনের পরিবারের অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়। যথা- অণু বা একক পরিবার ও যৌথ পরিবার। এদেশের নগর সমাজের পরিবারগুলো মূলত একক পরিবার। পুরো দেশের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রাম এলাকায় একক পরিবারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। সাধারণত স্বামী-স্ত্রী ও তাদের অবিবাহিত সন্তানাদি নিয়ে একক পরিবার গঠিত হয়। অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, সম্পত্তির বিভক্তি, পেশাগত পরিবর্তন, ব্যক্তিত্বের সংঘাত ইত্যাদি কারণে যৌথ পরিবার ব্যবস্থা দ্রুত ভেঙ্গে যাচ্ছে এবং একক পরিবার প্রাধান্য পাচ্ছে। মূলত একক পরিবার শিল্প ও আধুনিক সমাজের বৈশিষ্ট্য।

উদ্দীপকে দেখা যায়, আকবর মিঞার পরিবারে বাবা-মা, স্ত্রী, তিন পুত্র, পুত্রদের স্ত্রী, নাতি-নাতনি সবাই একসাথে বাস করে। পরিবারের পুরুষ সদস্যদের প্রায় সবাই নিজেদের জমিতে কৃষিকাজ করে। সম্প্রতি একটি বড় শিল্পগোষ্ঠী তাদের গ্রামের প্রায় সব জমি কিনে গাড়ি নির্মাণ কারখানা বানিয়েছে। জমি হারিয়ে বাধ্য হয়ে আকবর মিঞার ছেলেরা যার যার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে জীবিকা অর্জনের জন্য নিকটবর্তী শহরে চলে গেছে। যা অণু বা একক পরিবারের বৈশিষ্ট্য। উপরের আলোচনা বিশ্লেষণপূর্বক তাই বলা যায়, আকবর মিঞার ছেলেরা শহরে গিয়ে একক পরিবার গঠন করেছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...