Academy

   

বাংলাদেশের নদীগুলো বঙ্গোপসাগর অভিমুখে প্রবাহিত হয় কেন? (অনুধাবন)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

বস্তুত বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অংশ ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটিই বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি। বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে বাংলাদেশের নদনদী, উপনদী ও শাখানদীগুলো উত্তর দিক হতে দক্ষিণে অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরের অভিমুখে প্রবাহিত হয়।

1 year ago

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

🌍 বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – নবম-দশম শ্রেণি | SSC | NCTB অনুমোদিত

আপনি কি খুঁজছেন “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি PDF”, সহজ ব্যাখ্যা, অথবা প্রশ্ন–উত্তর?

SATT Academy–তে আপনাকে স্বাগতম! এখানে পাবেন অধ্যায়ভিত্তিক সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার, এবং PDF ডাউনলোড সুবিধা — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!


📘 অধ্যায়ের প্রধান বিষয়সমূহ:

  • বাংলাদেশের ভূগোল ও ইতিহাস
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থা
  • বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
  • বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন
  • বিশ্ব ভূগোল ও পরিবেশ
  • বিশ্ব ইতিহাস ও সভ্যতা
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বিশ্ব রাজনীতি
  • বিশ্ব অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ক সংকট ও সমাধান

✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ও পরিষ্কার ব্যাখ্যা
  • বোর্ড পরীক্ষা অনুযায়ী CQ ও MCQ প্রশ্ন–উত্তর
  • লাইভ টেস্ট – নিজেকে পরীক্ষা করার জন্য
  • ভিডিও লেকচার ও অডিও ব্যাখ্যা
  • সরকারি PDF ডাউনলোড লিংক
  • কমিউনিটি সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড

(লিংকে ক্লিক করে বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 উপকারিতা:

  • SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য: পরীক্ষার জন্য উপযোগী প্রস্তুত কনটেন্ট
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে পড়ানোর জন্য সহায়ক
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানদের শিক্ষায় সহায়তা
  • টিউটর ও কোচিং শিক্ষকদের জন্য: প্রশ্ন ও রিভিশন উপকরণ

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় থেকে প্রয়োজনীয় অংশ নির্বাচন করুন
  • প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা পড়ুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিয়ে নিজেকে যাচাই করুন
  • প্রয়োজন হলে PDF ডাউনলোড করুন
  • ভিডিও লেকচার দেখুন ও আরও ভালো শেখার জন্য ব্যবহার করুন

✨ কেন SATT Academy?

✔️ ১০০% ফ্রি ও সহজে ব্যবহারযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
✔️ NCTB বইয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কনটেন্ট
✔️ লাইভ টেস্ট, ভিডিও ও ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
✔️ মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
✔️ কমিউনিটি দ্বারা যাচাইকৃত তথ্য


🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি
  • Bangladesh & World Introduction Class 9 10
  • SSC Bangladesh & World Introduction PDF
  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় MCQ CQ SSC
  • NCTB Bangladesh & World Introduction Class 9 10
  • SATT Academy Bangladesh & World Introduction

🚀 এখনই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর, ভিডিও ব্যাখ্যা ও PDF সহ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়–এর পড়াশোনা শুরু করুন — সবার জন্য বিনামূল্যে।

🌟 SATT Academy – আধুনিক ও সহজ শিক্ষার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

Content added By

Related Question

View More

মানচিত্রের 'A' চিহ্নিত অঞ্চলটি হচ্ছে প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। এ সময়ের আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মাটি ধূসর ও লালচে বর্ণের।

চিত্রের 'B' চিহ্নিত স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে নির্দেশ করায় এখানে ছোটবড় পাহাড়-পর্বত অধিক পরিলক্ষিত হবে এবং 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বিধায় এখানে নদীনালাসহ অধিক ঘনবসতি পরিলক্ষিত হবে।

'B' স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ যা বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২% এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। আবার ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিওডংসহ ছোটবড় বেশকিছু টিলা জাতীয় পাহাড় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে আমাদের ভূখন্ডে শোভা পাচ্ছে। আর 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। তবে এ সমভূমি একদিনে সৃষ্টি হয়নি। সমতল ভূমির ওপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূষি খুবই উর্বর। ফলে কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আর তাই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিতে ঘনবসতি অধিক পরিলক্ষিত হবে এটাই স্বাভাবিক।

4 চিকনাগুল কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি পাহাড় হচ্ছে চিকনাগুল।

কালবৈশাখি এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখি ঝড় বলা হয়।

প্রদত্ত প্রতিবেদনটিতে সাব্বিরের দেখা দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্পজনিত দুর্যোগ।

ভূমিকম্পের কারণ অনুসন্ধানকালে বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেন পৃথিবীর বিশেষ কিছু এলাকায় ভূমিকম্পন বেশি হয়। এ সমস্ত এলাকায় নবীন পর্বতমালা অবস্থিত। তাদের মতে, ভিত্তিশিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয়। এছাড়া আগ্নেয়গিরির লাভা প্রচন্ড শক্তিতে ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হয়ে আসার সময়ও ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূনিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূমিকম্পন অনুভূত হয়। ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। এছাড়াও পাশাপাশি অবস্থানরত দুটি প্লেটের একটি অপরটির সীমানা বরাবর তলদেশে ঢুকে পড়ে অথবা অনুভূমিকভাবে আগে-পিছে সরে যায়। এ ধরনের সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। বিজ্ঞানীরা এর দুটি কারণ চিহ্নিত করেছেন- প্লেটসমূহের সংঘর্ষের ফলে ভূত্বকে যে ফাটলের সৃষ্টি হয় তা ভূমিকম্পন ঘটিয়ে থাকে। ভূঅভ্যন্তরে বা  ভূত্বকের নিচে ম্যাগমার সঞ্চারণ অথবা চ্যুতিরেখা বরাবর চাপযুক্ত হওয়ার কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

উপরিল্লিখিত আলোচনায় উদ্দীপকে সাব্বিরের দেখা দুর্যোগটি অর্থাৎ ভূমিকম্পের কারণগুলোই প্রকাশিত হয়েছে।

পরিশেষে বলতে পারি, ভূমিকম্প এমন একটি দুর্যোগ যার মাধ্যমে। পৃথিবীতে বহু পরিবর্তন ও ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...