Academy

বাঙালিরা চিরকাল 'ভেতো বাঙালি' বলে পরিচিত হলেও গত অর্ধশতকে তাঁদের খাদ্যাভ্যাসে বড় রকমের পরিবর্তন এসেছে। গরিবরা চালের বদলে সস্তা গমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন, আর ধনীরা বিদেশি খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে চীনা এবং পাশ্চাত্যের খাদ্যে। হ্যামবার্গার এবং হটডগের মতো পশ্চিমা খাবার এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি চীনা ও থাই খাবার নাগরিক সমাজে এতই ছড়িয়ে পড়েছে যে, মহিলারা তা বাড়িতেও তৈরি করার কৌশল শিখে ফেলছেন।

Created: 6 months ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

চারুপাঠ

🎨 চারুপাঠ – ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB অনুমোদিত (২০২৫)

আপনি কি ষষ্ঠ শ্রেণির চারুপাঠ (২০২৫) বইয়ের অধ্যায়ভিত্তিক চিত্রকলা, হাতের কাজ, ও শিক্ষনীয় বিষয়বস্তু খুঁজছেন?
SATT Academy–তে পাচ্ছেন সহজ ব্যাখ্যা, ছবিসহ গাইড, ভিডিও ক্লাস ও প্র্যাকটিক্যাল সহায়তা — এক জায়গায়!


✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা ও অনুশীলন নির্দেশনা
  • চিত্রসহ ধাপে ধাপে কাজ শেখা
  • ভিডিও টিউটোরিয়াল ও হ্যান্ড অন প্রজেক্ট
  • ডিজিটাল আর্ট ও রঙের ব্যবহার শেখা
  • PDF/ইমেজ ডাউনলোড সুবিধা
  • কিছু প্রিমিয়াম কনটেন্টে সামান্য ফি প্রযোজ্য

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 চারুপাঠ – ষষ্ঠ শ্রেণি PDF (২০২৫)
(সরকারি বই অনলাইনে পড়তে ও ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন)


👩‍🎨 এই কনটেন্ট উপকারী:

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: বাড়িতে বসে চিত্রকলা ও হাতের কাজ অনুশীলনের জন্য
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে শেখানোর উপযোগী গাইড ও ছবি
  • অভিভাবকদের জন্য: শিশুদের সৃজনশীলতা বাড়াতে সহায়তার জন্য
  • আর্ট টিচার ও কোচিংয়ের জন্য: অধ্যায়ভিত্তিক কনটেন্ট ও উদাহরণ

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  1. অধ্যায় নির্বাচন করুন (যেমন: রেখাচিত্র, জলরং, লোকশিল্প)
  2. টেক্সট ও ছবির ব্যাখ্যা পড়ুন
  3. ভিডিও দেখে হাতে-কলমে আঁকার কৌশল শিখুন
  4. নিজের আঁকা ছবি আমাদের কমিউনিটিতে শেয়ার করুন
  5. প্রয়োজনে PDF ও ছবি ডাউনলোড করুন

✨ কেন SATT Academy?

  • ✅ NCTB ২০২৫ পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সাজানো কনটেন্ট
  • ✅ ভিডিওসহ হাতে-কলমে শেখার সুযোগ
  • ✅ কমিউনিটি যাচাইকৃত নির্ভুল গাইড
  • ✅ মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
  • ✅ বিনামূল্যে শেখার সুযোগ + প্রিমিয়াম ফিচার

🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • চারুপাঠ ষষ্ঠ শ্রেণি PDF 2025
  • Class 6 Charupath book BD
  • ছবি আঁকা শিখি চারুপাঠ
  • Charupath Class 6 Drawing Guide
  • SATT Academy Charupath Video Tutorial

🎨 এখনই সৃজনশীলতা শুরু হোক!

চারুপাঠ শুধুই আঁকার বই নয়, এটি আপনার কল্পনার রঙে আঁকা একটা জানালা।
SATT Academy–এর ভিডিও ও গাইডের মাধ্যমে শেখা হোক আনন্দময় ও উপভোগ্য!

🎓 SATT Academy – আপনার কল্পনা ও জ্ঞানের মেলবন্ধনের জায়গা।

Content added By

Related Question

View More

বাংলাদেশের ইতিহাস আড়াই হাজার বছর বা তারও বেশি পুরনো।

আলোচ্য বাক্যে বোঝানো হয়েছে, ইতিহাসে থাকে সব রকম মানুষের জীবনযাত্রার পরিচয়।

এককালে বাংলাদেশে রাজার শাসন ছিল না। লোকজন নিজেরাই মিলেমিশে 'যুক্তি-পরামর্শ করে দেশ চালাত। এটি ছিল ইতিহাসের পূর্ব যুগের ঘটনা। তেইশ-চব্বিশ-শ বছর আগে রাজা কর্তৃক শাসন পরিচালনা শুরু হলে মানুষের জীবনাচরণ, জীবনযাত্রার ধরন, রাজনীতি, অর্থনীতি প্রভৃতি নিয়ে ইতিহাস লেখা শুরু হয়। প্রশ্নোক্ত বাক্যে এমন ভাবই বোঝানো হয়েছে।

দীপার দেখা গ্রামের লোকজনের পোশাক-পরিচ্ছদের সাথে হাজার বছর আগের পূর্বপুরুষদের পোশাকের মিল পাওয়া যায়।।

মানুষ যখন সভ্য হতে শুরু করে তখন থেকেই লজ্জা নিবারণ করতে শেখে। আর ধীরে ধীরে মানুষের বিভিন্ন রকম পোশাক-পরিচ্ছদ ও অলংকার ব্যবহারের প্রচলন দেখা যায়।

উদ্দীপকের দীপা গ্রামে তার বয়সী মেয়েদের সালোয়ার-কামিজ, ঠোঁটে লিপস্টিক, হাতে চুড়ি ও কানে স্বর্ণের দুল পরতে দেখে। গৃহিণীরা তাঁতের শাড়ি পরে এবং শাড়ির আঁচল টেনে ঘোমটা দেয়। তাদের হাতে-গলায় স্বর্ণালংকার শোভা পাচ্ছে। 'কত কাল ধরে' রচনায় লেখক বলেছেন, এক হাজার বছর আগে সব পুরুষই ধুতি পরত, সক মেয়েই শাড়ি পরত। এখনকার মতো তখনও মেয়েরা আঁচল টেনে ঘোমটা দিত। এক্ষেত্রেই উভয় বর্ণনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

"শত শত বছর চলে যায়, কিন্তু এদেশের মানুষের জীবনের অভাবগুলো চলে যায় না।” বিষয়টি উদ্দীপক ও 'কত কাল ধরে' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ও যথার্থ।

যখন এদেশে রাজ-রাজড়া ছিল না, তখন মানুষের মূল্যায়ন ছিল বেশি। লোকজন নিজেরাই যুক্তি-পরামর্শ করে কাজ করত, চাষ করত, ঘর বাঁধত, দেশ চালাত। মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল।

উদ্দীপকে দীপা দিনমজুরের জীবনযাত্রার যে চিত্র দেখতে পায় তা হলো এ রকম- দিনমজুরদের খড়ের তৈরি ঝুপড়ি ঘর। দিনমজুরের স্ত্রীর পরনে মলিন শাড়ি, সন্তানদের পরনে ছেঁড়া হাফপ্যান্ট এবং শরীরের রুগ্‌ণ দশা। 'কত কাল ধরে' রচনার লেখক দিনমজুরের দুরবস্থার জন্য রাজা-বাদশাদের আগমনকে কিছুটা দায়ী করেছেন। লেখকের মতে, রাজারা যখন এদেশে এলেন তাদের সঙ্গে মন্ত্রী, সামন্ত-মহাসামন্তের দল এলেন। তখন থেকেই ইতিহাসে রাজাদের নাম বড় বড় অক্ষরে লেখা হতে লাগল। আর প্রজারা পেছনে পড়ে রইল।

'কত কাল ধরে' প্রবন্ধে বাঙালি ও বাংলার অতীত ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনবোধের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এখানে অতীতে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীর অন্যায় শাসন-শোষণের শিকার হয়ে এদেশের সাধারণ মানুষের জীবনে কষ্ট নেমে আসার দিকটিও প্রতিফলিত হয়েছে। আলোচ্য উদ্দীপকে বিষয়টি উপস্থিত। কারণ শত শত বছর গেলেও এসব মানুষের জীবনে বিশেষ পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

ইতিহাস বলতে শুধু রাজ-রাজড়াদের কথাই বোঝায় না।

আগেকার দিনে রাজ-রাজড়াদের অবস্থান সৃষ্টি না হওয়ায় সাধারণ লোকজন কোনো সমস্যায় নিজেরাই যুক্তি-পরামর্শ করে কাজ করত।

বাঙালি জাতির আদিকালের ইতিহাস অনেক সম্মানের। সে সময় রাজা ও প্রজার এ পরিচয়টি ছিল না। তাদের মাঝে কোনো সমস্যা দেখা দিলে নিজেরাই একসঙ্গে বসে যুক্তি-পরামর্শের ভিত্তিতে সেই বিষয়ের সমাধান দিত। সুতরাং নিজেদের সমস্যার সমাধান নিজেরা করতেই তারা এভাবে কাজ করত।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...