Academy

নওয়াপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একজন স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি। তিনি নিজেকে ইউনিয়নের সর্বেসর্বা মনে করেন। তিনি ভালো-মন্দ যেটিই করেন সেটিই আইন। ইউনিয়নের মেম্বার, শিক্ষিত, জ্ঞানী সকলের মতকেই তিনি উপেক্ষা করেন।

বুর্জোয়া বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago
Ans :

বিপ্লবপূর্ব ফ্রান্সে সামাজিক স্থরবিন্যাসে তৃতীয় স্তরে থাকা শহুরে উচ্চ মধ্যবিত্তদের বুর্জোয়া বলা হতো। এদের মধ্যে ছিল সাধারণ দোকানদার, কারিগর, বুদ্ধিজীবী, চাকুরে ও ধনী বণিকসম্প্রদায়। তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য বিরাজিত ছিল। আর্থিক সচ্ছলতা থাকলেও কোনো বংশ কৌলীন্য ছিল না। বুর্জোয়ারা তিন শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। যথা- পাতি বুর্জোয়া, ধনী বুর্জোয়া ও মূলধনি বুর্জোয়া।

3 months ago

ফরাসি বিপ্লব

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

উদ্দীপকের চেয়ারম্যানের সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইয়ের কার্যক্রমের মিল রয়েছে।

ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুই ছিলেন চরম স্বেরাচারী। তিনি বিশ্বাস করতেন, ঈশ্বর রাজাকে নিযুক্ত করেছেন। রাজা তার কাজকর্মের জন্য ঈশ্বর ছাড়া অন্য কারোর নিকট দায়ী নন। এ বিশ্বাস থেকেই তিনি বলতেন, "What I Desire is decree." অর্থাৎ আমি যা ইচ্ছা করি তা-ই আইন। এ বিশ্বাসের কারণেই ষোড়শ লুই হয়ে উঠেছিলেন চরম স্বৈরাচারী।
স্বৈরাচারী মনোভাব দুর্বল চরিত্রের কারণে যখন ফ্রান্সের সংকটকাল শুরু হয়, তখন রাজা সাম্রাজ্যের জ্ঞানী ব্যক্তিদের মতামত অগ্রাহ্য করেন, যা শেষ পর্যন্ত বুরবোঁ সাম্রাজ্যের পতন ডেকে নিয়ে আসে।
উদ্দীপকের চেয়ারম্যান নিজেকে ইউনিয়নের সর্বেসর্বা মনে করতেন। তিনি মনে করেন, তিনি যা করেন তাই আইন। ইউনিয়ন চালানোর সময় ইউনিয়নের মেম্বার ও অন্যান্য জ্ঞানী ব্যক্তিদের মতামত অগ্রাহ্য করতেন।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের চেয়ারম্যানের সাথে পাঠ্যবইয়ের ষোড়শ লুইয়ের কার্যক্রমের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উক্ত ব্যক্তি অর্থাৎ ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইয়ের কার্যক্রম ফরাসি বিপ্লবের ক্ষেত্র তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিল।

১৭৭৪ সালে ষোড়শ লুই যখন ক্ষমতা গ্রহণ করেন, তখন ফ্রান্সে বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়ে ছিল। কারণ ইতোমধ্যে ঈশ্বর প্রদত্ত ক্ষমতা প্রাপ্তির ওপর নির্ভর করে ফ্রান্সকে স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রে পরিণত করা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে রাজতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল অত্যন্ত দক্ষ শাসক। কিন্তু ষোড়শ লুইয়ের মধ্যে এমন দক্ষতা না থাকায় তার অসংলগ্ন কর্মকান্ড ফ্রান্সে বিপ্লবের সূচনা করে। তিনি তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেন, "রাজা হচ্ছেন সর্বময় প্রভু, প্রজাদের সব কিছুর ওপর কর্তৃত্ব করার সব প্রাকৃতিক অধিকার তার রয়েছে।” তার এমন মন্তব্য প্রমাণ হয় যে, তিনি অত্যন্ত স্বৈরাচারী মনোভাবাপন্ন শাসক ছিলেন। ক্ষমতা আরোহণ করে ষোড়শ লুই রাজকোষ প্রায় শূন্য দেখতে পান। কিন্তু অর্থ সংকট নিরসনে তিনি মন্ত্রীর যুক্তিযুক্ত সংস্কার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে সবচেয়ে বড় ভুল করেন। অভিজাত সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা এবং কর বিষয়ক প্রস্তাবে অভিজাতদের বিরোধিতা তার জন্য অসম্মানজনক ছিল। রাজা স্টেট জেনারেলের অধিবেশনে রাজকীয় আদব-কায়দা প্রথা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করলে তৃতীয় সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা অপমান বোধ করেন। পরবর্তীতে নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজা তৃতীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের অধিবেশনে প্রবেশের অনুমতি দেননি। এর ফলস্বরূপ তৃতীয় সম্প্রদায়ের টেনিস কোটে শপথ ও পরবর্তীতে অধিবেশন কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের চেয়ারম্যান একজন স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি ছিলেন, যা ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইয়ের প্রতিচ্ছবি। আর ষোড়শ লুইয়ের স্বেচ্ছাচারী কর্মকান্ডের ফলে ফরাসি বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছিল।

১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতন হয়।

5 গিলোটিন কী? (অনুধাবন)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago

গিলোটিন হলো অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রচলিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার একটি যন্ত্র। মানুষ দোষী সাব্যস্ত হলে তার মুন্ডচ্ছেদ করাই ছিল গিলোটিনের কাজ। ডা. যোসেফ ইগনেস গিলোটিন এই যন্ত্রটির নকশা তৈরি করায় তার নামানুসারে এই যন্ত্রটিকে গিলোটিন নাম দেওয়া হয়। এককথায় বলতে গেলে, একসাথে অনেক মানুষকে হত্যা করার যন্ত্রের নাম গিলোটিন।

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের শাসক ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের মিল রয়েছে।
আধুনিক ফ্রান্সের ভিত্তি স্থাপনকারী নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একজন চিত্তাকর্ষক, সমর নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। তিনি সামান্য সৈনিক থেকে যোগ্যতা বলে ধাপে ধাপে ফ্রান্সের সম্রাটের আসনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ফ্রান্সকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সামরিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করার ক্ষেত্রে তার মেধা, প্রতিভা ও রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রতিভা ছিল বিষ্ময়কর। নেপোলিয়ন ইউরোপব্যাপী সাম্রাজ্য বিস্তারের লক্ষ্যে পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া সুইডেন, ডেনমার্ক ও স্পেনে অভিযান পরিচালনা করে এসব দেশে ফ্রান্সের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। শাসক হিসেবে তিনি অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আইন, প্রশাসন, শিক্ষা, অর্থনীতি, ধর্ম ও সমাজ সংস্কারের পাশাপাশি নানাবিধ জনহিতকর কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে নেপোলিয়ন ফ্রান্সকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের মধ্যে লর্ড ডালহৌসি ছিলেন অন্যতম। অনুরূপভাবে সম্রাট নেপোলিয়নও ফ্রান্সের সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের মধ্যে ছিলেন অন্যতম।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের সাথে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নের সাদৃশ্য রয়েছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...