নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-
উদ্দীপকের চিত্রে D চিহ্নিত অংশটি হচ্ছে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি জীব কোষের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
মাইটোকন্ড্রিয়া জীবদেহের আবশ্যকীয় একটি অঙ্গাণু। এখানে শ্বসনের সকল কাজ হয়ে থাকে। আর এ শ্বসনের মাধ্যমেই জীবদেহে শক্তি উৎপন্ন হয়। এ কারণে একে কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র বলা হয়। কোষের শক্তি উৎপাদনের প্রায় সকল বিক্রিয়াই মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে থাকে। তাই কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া না থাকলে কোনো শক্তি উৎপাদিত হতো না ফলে জীবের জৈবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটত। । যেমন- বংশবৃদ্ধি ঘটত না।
উপরিউক্ত কারণে বলা যায় 'A' চিহ্নিত অঙ্গাণুটি কোষে কোষে না না থাকলে থাকলে কোষের যাবতীয় কার্যাবলির ব্যাঘাত ঘটবে।
মূলত এ অংশটি ব্যতীত কোষের শক্তি উৎপাদন হতো না। ফলে কোষের জৈবিক কার্যাবলি বন্ধ হয়ে যেত এবং ফলশ্রুতিতে কোষ মারা যেত। এমনকি জীবদেহের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেত।
আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান সকল জীব থেকে শুরু করে খালি চোখে দেখতে না পাওয়া অণুজীব সকলেই কোষ দিয়ে গঠিত। কোষ জীবদেহের গাঠনিক একক এবং কোষের অভ্যন্তরেই জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত জৈবরাসায়নিক ক্রিয়াকলাপ সংঘটিত হয়। এই অধ্যায়ে আমরা জীবের কোষ নিয়ে প্রাথমিক ধারণা লাভ করার চেষ্টা করব।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• কোষ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের পার্থক্যকারী প্রধান বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• জীবদেহে কোষের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• জীবদেহের নানা কার্যক্রমে কোষের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।
• উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করতে পারব।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?