Academy

ড. নিজাম মনোবিজ্ঞান ব্যবহারিক ক্লাসে অনুবীক্ষণ যন্ত্রে এক ধরনের সূত্রাকৃতির গঠন দেখিয়ে বললেন এগুলো মাইটোসিসের একটি পর্যায়ে বিভিন্ন আকার ধারণ করে।"

Created: 1 year ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

বহুকোষী জীবের দেহ গঠনকারী কোষই হলো Somatic Cell.

1 year ago

কোষ বিভাজন

এককোষী জীব থেকে শুরু করে বহুকোষী জীব পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই নানা ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়। এগুলোর কোনোটি দেহবৃদ্ধি ঘটায়, কোনোটি জননকোষ সৃষ্টি করে, আবার কোনোটি দ্বিবিভাজন পদ্ধতিতে সংখ্যা বৃদ্ধি করে। এই বিভিন্ন ধরনের কোষ বিভাজন কীভাবে হয়ে থাকে, এ সম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ে জানার চেষ্টা করব।

 

  • কোষ বিভাজনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কোষ বিভাজনের প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারব। 
  • মাইটোসিস ব্যাখ্যা করতে পারব। মাইটোসিসের পর্যায়সমূহ বর্ণনা করতে পারব। 
  • জীবদেহে মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব। 
  • মিয়োসিস ব্যাখ্যা করতে পারব। জননকোষ উৎপাদনে মিয়োসিসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় কোষ বিভাজনের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।

Related Question

View More

1 মাইটোসিস কোথায় ঘটে? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

প্রাণীর দেহকোষে এবং উদ্ভিদের বর্ধনশীল অংশের ভাজক টিস্যু, যেমন: কাণ্ড, ভূণমুকুল, বর্ধনশীল পাতা, মুকুল ইত্যাদিতে মাইটোসিস প্রক্রিয়া ঘটে।

মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃত কোষ বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভক্ত হয়ে চারটি অপত্য কোষে পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়ায় কোষের নিউক্লিয়াস দু'বার এবং ক্রোমোসোেম একবার বিভক্ত হয়, ফলে অপত্য কোষে ক্রোমোসোেম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়। এ বিভাজনে অপত্য কোষের ক্রোমোসোেম  সংখ্যা অর্ধেক হ্রাস পায় বলে এ প্রক্রিয়াকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলে।

উদ্দীপকের B ধাপটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজনের টেলোফেজ ধাপ। এ ধাপটিতে যে ধরনের পরিবর্তন ঘটে তা হলো-

i. ক্রোমোসোমগুলোতে পানি যোজন ঘটে।
ii.. ক্রোমোসোমগুলো প্রসারিত হয়ে ক্রমান্বয়ে সরু ও লম্বা হয়। এরা জড়াজড়ি করে নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম গঠন করে।
iii. দুই মেরুতে নিউক্লিয়ার রেটিকুলামের চারিদিকে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন তৈরি হয়।
iv. নিউক্লিওলাসের পুনঃআবির্ভাব ঘটে।
V.বিভাজনের এ ধাপে দু'মেরুতে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়।
vi. এ ধাপে স্পিন্ডল যন্ত্রের কাঠামো ভেঙ্গে যায় এবং স্পিন্ডল তন্তুগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
vii. এ ধাপের শেষে বিষুবীয় তলে কোষপ্লেট সৃষ্টি হয়।

উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন। জীবের জন্য এ প্রক্রিয়াটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে না ঘটলে জীবদেহে নানা সমস্যা দেখা দেয়। নিচে এ সমস্যাগুলো তুলে ধরা হলো-
i. বহুকোষী জীবে জাইগোট নামক একটি মাত্র কোষের মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে বহুকোষী জীবদেহ গঠিত হয় এবং এদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে। সুতরাং, উল্লেখিত প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে না ঘটলে জীবের দেহ গঠন ও দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।
ii. মাইটোসিসের মাধ্যমে বহুকোষী জীবের জননাঙ্গ তৈরি হয়ে থাকে। তাই প্রক্রিয়াটি অর্থাৎ মাইটোসিস সঠিকভাবে না ঘটলে জীবের জননাঙ্গ ঠিকভাবে তৈরি হবে না ফলে বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হবে।
iii. মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজনের কারণে প্রতিটি কোষের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের ভারসাম্য রক্ষা পায়। তাই এ বিভাজন সঠিকভাবে না ঘটলে এই ভারসাম্য বিনষ্ট হতে পারে।
iv. মাইটোসিসের কারণেই জীবদেহের সকল কোষে ক্রোমোসোমের সংখ্যা সমান থাকে। সুতরাং প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে না ঘটলে কোষে ক্রোমোসোমের এ সমতা বিনষ্ট হবে।
V. মাইটোসিস প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিকভাবে না ঘটলে কোষের নির্দিষ্ট আকার, আকৃতি ও আয়তনে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে।

কোষ বিভাজনের প্রো-মেটাফেজ পর্যায়ে কতকগুলো স্পিন্ডল তন্তুর সমন্বয়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয়। কোষ বিভাজনের এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো সেন্ট্রোমিয়ারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু স্পিন্ডল তন্তুর সাথে যুক্ত হয়। এই তন্তুগুলোকে তখন বলা হয় ট্রাকশন তত্ত্ব। সুতরাং ট্রাকশন তন্তু মূলত স্পিন্ডল তন্তু, কিন্তু যে সকল স্পিন্ডল তন্তুর সঙ্গে ক্রোমোসোম যুক্ত হয় না তাদের ট্রাকশন তন্তু বলা যায় না। এ কারণেই বলা যায় যে, সকল ট্রাকশন তন্তুই স্পিন্ডল তন্তু, কিন্তু সকল স্পিন্ডল তন্তুই ট্রাকশন তন্তু নয়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধাপটি হলো অ্যানাফেজ। এ ধাপে সেন্ট্রোমিয়ার দুই ভাগে বিভক্ত হয়। ক্রোমোজোমগুলো এ ধাপে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন আকার ধারণ করে। নিচে চিত্রসহ অ্যানাফেজ ধাপটি ব্যাখ্যা করা হলো-

অ্যানাফেজ ধাপে প্রতিটি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার দুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, ফলে ক্রোমোটিড দুটি আলাদা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় প্রতিটি ক্রোমাটিডকে অপত্য ক্রোমোসোম বলে এবং এতে একটি করে সেন্ট্রোমিয়ার থাকে। অপত্য ক্রোমোসোমগুলোর মধ্যে বিকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে এরা বিষুবীয় অঞ্চল থেকে পরস্পর বিপরীত মেরুর দিকে সরে যেতে থাকে। অপত্য ক্রোমোসোমের মেরু অভিমুখী চলনে সেন্ট্রোমিয়ার অগ্রগামী এবং বাহুদ্বয় অনুগামী হয়। এ পর্যায়ের শেষ দিকে অপত্য ক্রোমোজোমগুলো স্পিন্ডলযন্ত্রের মেরুপ্রান্তে অবস্থান নেয় এবং ক্রোমোজোমের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেতে থাকে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...