Academy

বর্ণনামূলক প্রশ্ন

বাংলা সহপাঠ

📘 বাংলা সহপাঠ – নবম-দশম শ্রেণি | NCTB অনুমোদিত ২০২৫

আপনি কি খুঁজছেন “বাংলা সহপাঠ নবম-দশম শ্রেণি PDF”, বাংলা সহপাঠ অনুশীলনীর সমাধান, বা Class 9-10 Bangla Sahopath Question Answer?

তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন!
SATT Academy–এ আপনি পাবেন বাংলা সহপাঠ বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের ব্যাখ্যা, প্রশ্ন–উত্তর, MCQ, ভিডিও ব্যাখ্যা এবং PDF ডাউনলোড সুবিধা — সবকিছু একদম ফ্রি!


✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ভাষায় সারাংশ ও ব্যাখ্যা
  • MCQ, SAQ ও Long Answer Questions সহ উত্তর
  • রচনামূলক ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা সহ সমাধান
  • PDF ও ইমেজ আকারে ডাউনলোড সুবিধা
  • ভিডিও লেকচার ও অডিও ব্যাখ্যা
  • লাইভ কুইজ ও কনসেপ্ট টেস্ট
  • কমিউনিটি যাচাইকৃত ব্যাখ্যা ও সম্পাদনার সুযোগ

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 বাংলা সহপাঠ – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড

(এই লিংকে ক্লিক করে আপনি NCTB অনুমোদিত বাংলা সহপাঠ বই অনলাইনে পড়তে পারবেন অথবা PDF হিসেবে ডাউনলোড করতে পারবেন।)


🔍 কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের উদাহরণ:

📖 অধ্যায়: “আবেগ ও প্রকাশ”

  • কীভাবে আবেগ সাহিত্যে ফুটে ওঠে?
  • লেখকের ভাষা ব্যবহারে বৈচিত্র্য বিশ্লেষণ
  • অনুশীলনীর সকল প্রশ্ন–উত্তর + ভিডিও ব্যাখ্যা

📖 অধ্যায়: “সময়ের ডাক”

  • সময় ও দায়িত্ববোধের সম্পর্ক
  • ব্যাখ্যা ও মূল্যায়নমূলক প্রশ্নের সঠিক উত্তর

👨‍👩‍👧‍👦 উপকারিতা:

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিশ্লেষণ
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাস উপস্থাপনায় রেডিমেড ব্যাখ্যা
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানকে পড়াতে সহায়তা করা সহজ হবে
  • টিউটরদের জন্য: অধ্যায়ভিত্তিক কুইজ ও প্রশ্নব্যাংক

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  1. অধ্যায় নির্বাচন করুন
  2. ব্যাখ্যা ও প্রশ্ন–উত্তর পড়ুন
  3. প্রয়োজন অনুযায়ী PDF/ছবি ডাউনলোড করুন
  4. ভিডিও/অডিও ব্যাখ্যা শুনে বিষয়বস্তু আরও ভালোভাবে বুঝুন
  5. লাইভ কুইজ দিয়ে নিজেকে যাচাই করুন

✨ কেন পড়বেন SATT Academy থেকে?

  • 🔓 ১০০% ফ্রি ও বিজ্ঞাপনমুক্ত শিক্ষা
  • 📚 NCTB অনুযায়ী সাজানো ও পরীক্ষামুখী কনটেন্ট
  • 🎯 লাইভ কুইজ, ব্যাখ্যা, ভিডিও, ছবি সব এক জায়গায়
  • 🧑‍🤝‍🧑 কমিউনিটি যাচাইকৃত ব্যাখ্যা ও ফিডব্যাক
  • 📱 মোবাইল ও ডেস্কটপ–ফ্রেন্ডলি ডিজাইন

🔍 সার্চ সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • বাংলা সহপাঠ নবম-দশম শ্রেণি
  • Class 9-10 Bangla Sahopath PDF
  • Bangla Sahopath Question Answer 2025
  • বাংলা সহপাঠ অনুশীলনী সমাধান
  • Class 9-10 Sahopath live test
  • Bangla Sahopath NCTB Question Bank
  • SATT Academy Bangla Sahopath

🚀 এখনই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে বাংলা সহপাঠ বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়কে করুন সহজ, প্রাণবন্ত ও ফলপ্রসূ — প্রশ্ন–উত্তর, ব্যাখ্যা, PDF ও ভিডিও লেকচারসহ।

🎓 SATT Academy – শেখার নতুন মানে, সবার জন্য।

Content added By

Related Question

View More

বিয়ে হলো তকদিরের কথা- এ কথাটি জমিদারপত্নী খোদেজা বলেছেন তাহেরাকে উদ্দেশ করে। এখানে দাম্পত্য জীবনের অনিশ্চিত সুখের বিষয়কে বোঝানো হয়েছে।
পৃথিবীতে মানুষের চেয়ে বিচিত্রতর আর কিছু নেই। কারণ বহুদিন পর্যবেক্ষণের পরেও একজন মানুষের গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে বোঝা যায় না। মানুষ একান্তই দাম্পত্য সুখ কামনা করে। বিয়ে সংসার করলেই যে কেউ সুখী হবে, তার নিশ্চয়তা নেই, কেউ তা দিতে পারে না। এক্ষেত্রে দুর্বলচিত্ত মানুষ কর্মশক্তির তুলনায় ভাগ্যের ওপর বেশি নির্ভরশীল। তারা মনে করে, ভাগ্য ভালো হলে সুখ আসবে, আর ভাগ্য খারাপ হলে তা আসবে না। এ কারণেই বলা হয়েছে- বিয়ে হলো তকদিরের কথা।

সারকথা: দুর্বলচিত্ত মানুষ মনে করে, দাম্পত্য জীবনে সুখ। অনিশ্চিত, তাই তা ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়াই উত্তম।

পীরের প্রতি অন্ধভক্ত মানুষ দেখা যায় 'বহিপীর' নাটকে এবং সেই চিত্রই ফুটে উঠেছে উদ্দীপকের সমাজব্যবস্থায়।
সমাজে 'পীর' অত্যন্ত সম্মানী মানুষ। কারণ সমাজের মানুষের মতে পীর খোদার প্রিয় বান্দা। পীর অনেক ক্ষমতা রাখেন, ক্ষমতার কারণেই খোদার সঙ্গে তার সম্পর্ক সাবলীল এবং মানুষ ঐ পীরের ক্ষমতার মাধ্যমে খোদার অনুগ্রহ পেতে চায়।
উদ্দীপকে আজাদের বাবা একজন নামকরা পীর ছিলেন। মানুষ তাকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা-ভক্তি করত। আজাদ শহরে লেখাপড়া করেন। শহর থেকে অনেকদিন পর গ্রামে আসেন। আজাদের বাবার প্রতি মানুষের গভীর শ্রদ্ধা-ভক্তির কারণে আজাদকেও বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। মুরব্বিরা তাকে সালাম করতে আসেন। পানিপড়া নিতে আসেন। অথচ আজাদ পীর নন, তিনি সচেতন ও শিক্ষিত মানুষ। 'বহিপীর' নাটকেও এ সমাজব্যবস্থার অনুরূপ চিত্র পরিলক্ষিত হয়। সেখানে বহিপীরকে সাধারণ মানুষ হিসেবে গণ্য করে না, তাদের কাছে তিনি অতিমানব। এ কারণেই সারা বছর তাকে মানুষের আতিথ্য গ্রহণ করতে হয়। না চাইতেই পীর অনেক টাকা পান। এমনকি বৃদ্ধ পীরের কাছে কিশোরী কন্যাকে বিয়ে দিতেও কেউ দোষের মনে করে না। এভাবে পীরের প্রতি যে অন্ধভক্তি তা উদ্দীপক এবং 'বহিপীর' নাটক উভয় সমাজব্যবস্থাতেই সমান বলে মনে হয়।

সারকথা: 'বহিপীর' নাটকে বহিপীরের প্রতি মানুষের অন্ধভক্তি প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রামের মানুষগুলোর কার্যক্রমেও নাটকে প্রতিফলিত সমাজের এ দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে।

ধর্মকে পুঁজি করে মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিতে দেখা যায় 'বহিপীর' নাটকের বহিপীরকে। কিন্তু উদ্দীপকের আজাদ মানুষের সেই দুর্বলতাকে ব্যবহার করেন না।
ধর্ম মানুষের কাছে অত্যন্ত পবিত্র বিষয় হিসেবে বিবেচিত। কারণ ধর্মের মাধ্যমে মানুষ আত্মিক শান্তি লাভ করে। ফলে যারা ধর্মসংশ্লিষ্ট মানুষ তাদের প্রতিও একধরনের দৃঢ়বিশ্বাস থাকে। তবে কিছু কিছু অসাধু মানুষ আছে, যারা এটাকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করে। মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে। এরা ঘৃণ্য মানুষ এবং ধর্মব্যবসায়ী। কারণ ধর্মব্যবসায় করেই এরা স্বার্থ উদ্ধার করে।
উদ্দীপকে আজাদের বাবা নামকরা পীর ছিলেন। কিন্তু আজাদ আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। শহরে চাকরি করেন। অনেকদিন পর গ্রামে গিয়ে দেখলেন যে, মানুষ তাকে অত্যন্ত ভক্তি করছে। গ্রামের মুরব্বিরাও তাকে সালাম করতে আসেন। মানুষ পানিপড়া নিতে আসছে। আজাদ তাদের এ ভক্তি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারেননি। তাই তিনি মানুষকে বোঝাতে চেষ্টা করলেন যে, তার বাবা পীর হলেও তিনি কিন্তু পীর নন। 'বহিপীর' নাটকেও দেখা যায়, বহিপীরের প্রতি মানুষ অনেক শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। ফলে সারা বছরই তাকে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতে হয়। তিনি মুখ ফুটে বললেই মানুষ অনেক টাকা বের করে দিতে প্রস্তুত। এমনকি ভক্তির কারণে বৃদ্ধ পীরের কাছে কিশোরী মেয়েকে বিয়ে দিতেও আপত্তি করে না।
'বহিপীর' নাটকে বহিপীরকে অত্যন্ত সুযোগসন্ধানী চরিত্রের মানুষ হিসেবে পাওয়া যায়, যার বৈষয়িক জ্ঞান অত্যন্ত জোরালো। কারণ যদি সত্যিই তিনি ধর্মের অনুগামী হতেন, তবে কিশোরী মেয়েকে বৃদ্ধ বয়সে বিয়ে করার চিন্তা করতেন না। আর তিনি যদি পীর না হতেন তাহলে তাহেরাকেও তার কাছে বিয়ে দেওয়া হতো না। পীর এ সুযোগ কাজে লাগিয়েই তাহেরাকে বিয়ে করেছেন, যা তার ধর্ম ব্যবসায়কে নিশ্চিত করে। উদ্দীপকের আজাদের প্রতিও মানুষের অন্ধভক্তি আছে। ইচ্ছা করলেই আজাদ এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেক কিছু করতে পারতেন। কিন্তু তিনি ধর্মব্যবসায়ী নন, তাই তিনি মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।

সারকথা: বহিপীর' নাটকে দেখা যায় বহিপীর ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেন। একই সুযোগ থাকা সত্ত্বেও করেন না। কারণ উদ্দীপকের আজাদ বহিপীরের মতো ধর্মব্যবসায়ী নন।

জমিদারি সূর্যাস্ত আইনে নিলামে উঠেছে বলে জমিদার হাতেম আলির মনে শান্তি নেই।
হাতেম আলি জমিদার। খাজনা বাকি পড়ায় তার জমিদারি হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সূর্যাস্ত আইনে নির্দিষ্ট সময়ের আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা না দিতে পারলে জমিদারি অন্যের কাছে হস্তান্তর করত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। হাতেম আলি সারা জীবন জমিদার ছিলেন। শেষ বয়সে এসে জমিদারি হারাতে হবে এটা তিনি মানতে পারেননি। আবার জমিদারি বাঁচাতে যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তাও তিনি জোগাড় করতে পারছেন না। এসব কারণেই হাতেম আলির মনে শান্তি নেই।

সারকথা: জমিদার হাতেম আলির মনে শান্তি নেই, কারণ সূর্যাস্ত আইনে তার জমিদারি নিলামে উঠেছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...