Academy

ঢাকায় মানুষের চাপ বৃদ্ধির ফলে দিন দিন কলকারখানা এবং যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এগুলো থেকে প্রচুর শব্দের সৃষ্টি হচ্ছে। ঢাকায় একটি বিমানবন্দর অবস্থিত হওয়ায় এখানে বিমান ওঠা-নামার সময় প্রচুর শব্দের সৃষ্টি হয়।

উক্ত দূষণরোধের উপায় বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago
Ans :

উদ্দীপকে শব্দদূষণের উল্লেখ রয়েছে। শব্দদূষণের ফলে পরিবেশের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাই শব্দদূষণ রোধের উপায় সম্পর্কে আমাদের জানা প্রয়োজন। বিভিন্ন উপায়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়-সকল প্রকার যানবাহনে সাইলেন্সার লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে। যন্ত্রপাতির কাঠামো, গঠন পদ্ধতি পরিবর্তন করে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে শব্দদূষণ রোধ করা যায়। বাসা-বাড়ি ও দোকানপাটে ক্যাসেট, রেডিও ইত্যাদির শব্দ যথাসম্ভব নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। সর্বোপরি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

উপরিউক্ত পদক্ষেগুলো গ্রহণের মাধ্যমে শব্দদূষণ প্রতিরোধ করা যায়।

3 months ago

দূষণ ও দুর্যোগ (pollution and Disater)

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

বায়ুদূষণের একটি অন্যতম উৎস হলো শিল্পকারখানার ধোঁয়া।

দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।

অর্থনৈতিক দূষণের প্রত্যক্ষ ফল হলো দরিদ্রতা। যেকোনো দেশের সার্বিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। বিভিন্ন কারণে যখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় অর্থাৎ দূষণের সম্মুখীন হয় তখন উন্নয়ন থমকে দাঁড়ায় আর উন্নয়ন থমকে দাঁড়ালে একটি দেশে দরিদ্রতা নেমে আসে। কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হয় এবং দারিদ্র্যতা দূরীকরণ হয়। তাই বলা যায়, দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত খনিজটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস যার ভৌগোলিক অবস্থান নিচে দেখানো হলো।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রসমূহ দেশের উত্তর-পূর্বাংশ, পূর্ব বাংলা এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রসমূহের মধ্যে সিলেট, ছাতক, রশিদপুর, তিতাস, কৈলাসটিলা, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, সেমুতাং, বেগমগঞ্জ, কুতুবদিয়া, বিয়ানীবাজার, ফেনী, কামতা, ফেঞ্চুগঞ্জ, জালালাবাদ, বেলাবো, মেঘনা, শাহবাজপুর, সাঙ্গু, বিবিয়ানা, সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও বাঙ্গুরা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
এদের মধ্যে সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র, যা ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।

উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির সারমর্ম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে তেমনি কালো ধোঁয়ার হাত থেকে বায়ুদূষণ রোধ হয়।বাংলাদেশে ব্যাপক হারে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। শিল্প ক্ষেত্রে এবং জ্বালানি ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ফলে জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত কাঠের বিকল্প হিসেবে গ্যাস অধিক গ্রহণযোগ্য। এর ফলে কাঠের ব্যবহার হ্রাস পায় যার ফলে বনজসম্পদ রক্ষা পায়। জ্বালানি হিসেবে কাঠ, কয়লার ব্যবহার অধিক হারে বায়ুদূষণ করে। কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের কোনো কালো ধোঁয়া নেই। ফলে প্রাকৃতিক গ্যাসের অধিক ব্যবহারের ফলে যেহেতু কাঠের ব্যবহার কম হয় তাই একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে কালো ধোঁয়া না থাকায় বায়ুদূষণ রোধ হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি সঠিক।

5 দুর্যোগ কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago

দুর্যোগ হলো এখন কোনো ঘটনা বা অবস্থা যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

যেকোনো ধরনের পরিকল্পনা যদি পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তবে তা বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। কারণ পৃথিবীর সবকিছুই পরিবেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে এমন পরিকল্পনা টিকে থাকে না। তাই উন্নয়নকে চিরস্থায়ী করতে অর্থাৎ টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...